× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ৩০, ২০২৬, ০৫:৫০ এএম

মিরপুর পুলিশের আনুগত্য

দণ্ডিত হাবিবের শাশুড়ি  এখনো ক্ষমতাধর!

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ৩০, ২০২৬, ০৫:৫০ এএম

দণ্ডিত হাবিবের শাশুড়ি  এখনো ক্ষমতাধর!

মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দ-িত আসামি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান পলাতক থাকলেও তার শাশুড়ি শামসুন্নাহার মেরী এখনো ক্ষমতাধর। জামাইয়ের পরিচয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অপরাধ ও অনৈতিক কর্মে নিয়োজিত করার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। পুলিশের কর্তাব্যক্তিরাও পোষণ করছেন আনুগত্য। যদিও ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোস্তাক সরকার অভিযোগের সত্যতা নেই বলে জানিয়েছেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, পতিত সরকারের সময়ের ক্ষমতাধর গণঅভ্যুত্থানের পর পালিয়ে যাওয়া বরখাস্ত ডিআইজি হাবিবুর রহমান ডিএমপির কমিশনার থাকাকালে রাজধানীর মিরপুরের ৩৭২/৪/১, শেওড়াপাড়ার রাজা মিয়ার ৬ কাঠা জমি তার শাশুড়ি শামসুন্নাহার মেরীর পক্ষে দখল করে দেন। শুধু তাই নয়, জমির প্রকৃত মালিককে ভয়ভীতি দেখিয়ে সপরিবারে ঢাকা-ছাড়া করেন। রাজা মিয়ার পক্ষে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি পাওয়া মিরপুরের দক্ষিণ মণিপুরে বসবাসকারী ইব্রাহিমকে গুম করার চেষ্টা করেন মিরপুর থানা পুলিশকে দিয়ে। এসব কারণে রাজা মিয়া ও ইব্রাহিম তাদের আতঙ্কিত পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকা থেকে পালিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নেন।

আরও জানা যায়, ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর রাজা মিয়া ও ইসমাইল তাদের শেওড়াপাড়ার এই জমি উদ্ধার করেন। তবে উদ্ধারের পর থেকেই ডিএমপির সাবেক কমিশনার পলাতক হাবিবুর রহমানের শাশুড়ি শামসুন্নাহার মেরী ও শাশুড়ির বোন শামসুন্নাহার বেবী তাদের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিলেন। সর্বশেষ গত শনিবার ভোরে মিরপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় দলবল নিয়ে হাবিবের শাশুড়ি শামসুন্নাহার মেরী শেওড়াপাড়ার বিচারাধীন থাকা জমিটি দখল করে নেন। এতে বাধা দিলে জমির প্রকৃত মালিক রাজা মিয়ার পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দেওয়া ইব্রাহিমকে ঘটনাস্থল থেকে ধরে থানায় নিয়ে যায় মিরপুর থানার ওসি হাফিজুর রহমান। এ সময় রাজা মিয়া ও ইব্রাহিম জমির দলিল এবং মামলা বিচারাধীনের কাগজপত্র পুলিশকে দেখালেও কোনো লাভ হয়নি। গত শনিবার সারা রাত ইব্রাহিমকে থানায় আটকে রেখে গত রোববার দুপুরে ডিসির কার্যালয়ে নিয়ে এসে ‘জমি দখলের চেষ্টার’ অভিযোগে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

অভিযোগ রয়েছে, এই জমি দখল এবং নিরীহ রাজা মিয়া ও ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার পেছনে সব কলকাঠি নেড়েছেন পুলিশের সেই ক্ষমতাধর, মানবতাবিরোধী অপরাধে দ-িত হাবিবুর রহমান। পালিয়ে থাকলেও পর্দার আড়াল থেকেই সব কলকাঠি নেড়েছেন তিনি।

ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোস্তাক সরকার রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা নেই। মিরপুর থানা পুলিশ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেছে।’

মিরপুর মডেল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান রূপালী বাংলাদেশকে জানান, শামসুন্নাহার মেরী ও তার বোন শামসুন্নাহার বেবী জমির দখলেই ছিলেন। দখল করতে গিয়েছিলেন ইব্রাহিম। তাই অবৈধ দখলের চেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে। পুলিশের পক্ষপাতিত্বের বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন। শামসুন্নাহার মেরী ফাঁসির দ-প্রাপ্ত সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানের কী হন তা জানেন না বলেও জানান তিনি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!