× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২, ২০২৬, ০৫:৪৯ এএম

জামায়াত আমির

সরকারি সুবিধা না নেওয়ার চেষ্টা করব তবে কেউ নিলে অপরাধ নয়

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২, ২০২৬, ০৫:৪৯ এএম

সরকারি সুবিধা না  নেওয়ার চেষ্টা করব  তবে কেউ নিলে অপরাধ নয়

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, নির্বাচনের সময় দেশবাসীর সামনে বলেছিলাম, সরকারি সুযোগ-সুবিধা যতটা না নিলে হয় আমরা চেষ্টা করব। কিন্তু কেউ যদি এটা নিতে চায় এখানে কোনো অপরাধ নেই। আমরা সেটা রক্ষা করে চলার চেষ্টা করছি। গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে বাজেট-পরবর্তী মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। এদিন জাতীয় সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে বাজেট-পরবর্তী মতবিনিময় সভায় তিনি আরও বলেন, ৮৫ হাজার টাকা খরচ করে মালয়েশিয়ায় লোক পাঠাতে হবেÑ এমন দাবি তুলেছিলাম সংসদে। এ কারণে অনেক সিন্ডিকেট আমার বিরুদ্ধে ক্ষেপে গিয়ে হুমকি দিচ্ছে।

জামায়াতের আমির বলেন, আমরা নির্বাচনের সময় দেশবাসীর সামনে ওয়াদা করেছিলাম, আমাদের কেউ নির্বাচিত হলে এমপি হোক, মন্ত্রী হোক, যা-ই হোক আমরা বিনা ট্যাক্সে গাড়ি কিনব না। সরকারি কোনো প্লটের সুবিধা নেব না। কিছু বন্ধু ওই গুড়ের সঙ্গে কিছু লবণ না ছিটাইলে আরাম পায় না।

তিনি বলেন, ‘আমরা যা বলেছি স্পষ্ট বলেছি, অস্পষ্ট কোনো কথা বলিনি। এখানে লাগায়ে দিছে ফ্ল্যাট নিব না, এখন সরকারি ফ্ল্যাট এমপিদের জন্য ডেজিগনেটেড। এটা সরকারি দায়িত্ব পালনের জন্য। এটা কি সরকার আমাকে দিয়ে দিচ্ছে নাকি? ওইটা যত সময় সংসদ কার্যকর থাকবে তত সময় উনি এটা ব্যবহার করবেন। সরকারি দল, বিরোধী দল সবাই ব্যবহার করবে। যখন সংসদ বিলুপ্ত হয়ে যাবে তখন আর এক সেকেন্ডও সেখানে থাকার কোনো নৈতিক এবং বৈধ অধিকার নেই। ছেড়ে দিতে হবে। এটাকে নিয়ে আবার বিভিন্ন ধরনের জল ঘোলা করা হয়।

সিন্ডিকেটের বিষয় তুলে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ৮৫ হাজার টাকা খরচ করে মালয়েশিয়ায় লোক পাঠাতে হবেÑ এমন দাবি তুলেছিলাম সংসদে। এ কারণে অনেক সিন্ডিকেট আমার বিরুদ্ধে ক্ষেপে গিয়ে হুমকি দিচ্ছে। জনগণের পক্ষে কথা বলতে গিয়ে কোনো সিন্ডিকেটের কোনো হুমকির তোয়াক্কা করব না ইনশাআল্লাহ। প্রবাসীদের পক্ষে সব সময় জোরালো বক্তব্য রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে জামায়াতের আমির বলেন, আমরা এই দাবি ইনশাআল্লাহ জোরালোভাবে উত্থাপন করব সংসদে। প্রবাসীদের ভোগান্তি নিয়ে আমরা কথা বলেছি, আপনারা দেখেছেন, আজ খবর পেলাম যে একদল আমার বিরুদ্ধে ক্ষেপে গেছে। আমি কেন বললাম মালয়েশিয়ায় ৮৫ হাজার টাকায় লোক পাঠাতে হবে। দালাল যারা, তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। আমি কি দালালের কোনো তালিকা দিয়েছি? আপনাদের জানা মতে, আমি কি কোনো সংস্থার কথা বলেছি? তাহলে কিছু লোকের গায়ে এত কষ্ট লাগে কেন?

তিনি বলেন, এই সিন্ডিকেট শুধু মালয়েশিয়ায় নয়; সারা বিশ্বে আমাদের এই গরিব লোকগুলোকে নিঃস্ব করে দেয়। এরপরে তারা প্রতারিত হয়। সেখানে আবার গিয়ে দেখা যায় যে তার ওই ভ্যালিডিটিটাও নেই, জেলে থাকে। তাহলে আমরা কি এগুলো নীরবে গিলব আর হজম করব? দেখতে থাকব? না। এগুলোর বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবে। এ জন্য আমরা সংসদেও ভেতরে চিৎকার দেব, আওয়াজ তুলব। যদি কেউ ভুলের মধ্যে থাকেন এতে তাদের সংশোধনের সুযোগ হবে।

মুদি দোকানের কর প্রত্যাহার প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গরিব মানুষ প্রান্তিক ব্যবসায়ী, মুদি দোকানদার, তাদের ওপরে উৎসে বা অগ্রিম কর আরোপ করা হয়েছিল। মানে প্রস্তাবনা এসেছিল। আমরা তার বিরুদ্ধে কথা বলেছি। এটাও আউট হয়ে গেছে। এর বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান ছিল।

অর্থবছর প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আমরা অর্থবছর পরিবর্তনের কথা বলছি। আমাদের দেশে একটা দানব আছে, উন্নয়নের দানব। এটা ৯ মাস কাঁথা মুড়ি দিয়ে ঘুমায়। শেষের তিন মাস গা-ঝাড়া দিয়ে চলে আসে। এসে এমন গতিতে কাজ শুরু করে, ঝড়ের গতি। ৯ মাসে এডিপি ব্যয় ৪২ শতাংশ, অথচ তিন মাসে ৫০ শতাংশ। তখন কী হয়? বৃষ্টি-ঝড়ে জনগণের টাকা পানির সঙ্গে মিশে যায়। লুটপাট, অপচয়, হজম। কেন এটা করতে হবে তার কোনো যৌক্তিকতা নেই। আমরা বলেছিলাম আমাদের আবহাওয়া এবং সিজন অনুযায়ী এটা হোক জানুয়ারির ১ তারিখ থেকে ডিসেম্বরের ৩১ তারিখ। তাহলে অন্তত শেষ তিন মাসে দৈত্যের ঘুম ভাঙলেও আমাদের সম্পদ পানিতে ভেসে যাবে না।

তিনি আরও বলেন, আপনারা দেখেছেন বিদেশ থেকে আনা সাইকেলের ক্ষুদ্র যন্ত্রাংশের ওপরে একটা ভালো ট্যাক্স আরোপের প্রস্তাব এসেছে। আমরা এটা তুলে দিতে বলেছিলাম। অর্থমন্ত্রী তার সমাপনী বক্তব্যে বললেন যে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পেলে ভালো হতো। আমরা প্রস্তাব দিয়েছি। ওনারা আশ্বাস দিলেন যে এখন তো আর এটা বিলে আনা যাচ্ছে না। 

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!