× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ৯, ২০২৬, ০৭:৪২ এএম

আইএমএফের পূর্ভাবাস

যুদ্ধ ও প্রযুক্তির টানাপোড়েনে বিশ্ব অর্থনীতি

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ৯, ২০২৬, ০৭:৪২ এএম

যুদ্ধ ও প্রযুক্তির টানাপোড়েনে বিশ্ব অর্থনীতি

বৈশ্বিক অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২০২৬ সালে ৩ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। ২০২৭ সালে কিছুটা বেড়ে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ হবে এমনও বলছে আইএমএফ। গতকাল বুধবার ইকোনমিক আউটলুক আপডেট জুলাই সংস্করণ প্রকাশ করেছে আইএমএফ। সেখানে এমন পূর্ভাবাস দেওয়া হয়েছে। গত এপ্রিল মাসে প্রকাশিত প্রতিবেদনের পূর্বাভাসের তুলনায় সামগ্রিকভাবে এতে বড় কোনো পরিবর্তন নেই।

আইএমএফ বলছে, প্রবৃদ্ধির ধীরগতির মূল কারণ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির অগ্রগতি এবং এর দ্রুত ব্যবহার বাড়ায় বৈশ্বিক প্রযুক্তি খাতে চাহিদানির্ভর গতি তৈরি হয়েছে, যা যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাবের কিছুটা পুষিয়ে দিচ্ছে।

আইএমএফ বলছে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রভাব একেক দেশে একেক রকম প্রভাব পড়েছে। সার্বিকভাবে কোন দেশ যুদ্ধের কতটা প্রভাবে রয়েছে এবং বৈশ্বিক প্রযুক্তি মূল্যশৃঙ্খলে তাদের অবস্থান কোথায়, তার ওপর ফলাফল নির্ভর করছে। সংঘাতের বাইরে থাকা জ¦ালানি রপ্তানিকারক দেশগুলো অনুকূল বাণিজ্য শর্ত থেকে লাভবান হচ্ছে। অন্যদিকে প্রযুক্তিনির্ভর প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সম্পৃক্ত দেশগুলো (এমনকি তারা জ¦ালানি আমদানিকারক হলেও) তুলনামূলক শক্তিশালী অর্থনৈতিক কর্মকা-ের সুবিধা পাচ্ছে। আইএমএফ আরও বলছে, যেসব দেশ জ¦ালানি আমদানির ওপর নির্ভরশীল কিন্তু বৈশ্বিক প্রযুক্তি মূল্যশৃঙ্খলে তাদের অংশগ্রহণ সীমিত, তাদের অর্থনৈতিক কর্মকা- দুর্বল হয়ে পড়ছে। নি¤œ আয়ের অনেক দেশ এই শ্রেণিতে রয়েছে।

বৈশ্বিক সার্বিক মূল্যস্ফীতি ২০২৫ সালের ৪ দশমিক ১ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২৬ সালে ৪ দশমিক ৭ শতাংশে পৌঁছাবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে আইএমএফের প্রতিবেদনে। তবে আইএমএফ আরও বলছে, ২০২৭ সালে তা কমে ৩ দশমিক ৯ শতাংশে নামতে পারে। এপ্রিলের পূর্বাভাসের তুলনায় মূল্যস্ফীতির এই হিসাব কিছুটা বাড়ানো হয়েছে। এতে বোঝা যায়, ২০২৪ সালের শুরু থেকে চলা মূল্যস্ফীতি কমার ধারাটি আপাতত থেমে গেছে।

আইএমএফ বলছে, সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো মধ্যপ্রাচ্যে আবারও সংঘাত তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা। এতে জ¦ালানি ও অন্যান্য পণ্যের দামে অস্থিরতা দীর্ঘায়িত হতে পারে, বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থা আরও ব্যাহত হতে পারে, মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে এবং আর্থিক পরিস্থিতি কঠোর হতে পারে। আবার ইতিবাচক সম্ভাবনার কথা বলেছে আইএমএফ। আইএমএফ বলছে, জ¦ালানি বাজার প্রত্যাশার তুলনায় দ্রুত স্বাভাবিক হলে, প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ আরও জোরালো হলে, বাণিজ্য বাধা কমাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়লে এবং কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়িত হলে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ভালো হতে পারে। আইএমএফের পূর্বাভাস অনুসারে, ২০২৬ সালের যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বেড়ে ২ দশমিক ৩ শতাংশ হবে। ২০২৫ সালে এই হার ছিল ২ দশমিক ১। অন্যদিকে চীন ও ভারতের প্রবৃদ্ধি কিছুটা কমবে। চীনের প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪ দশমিক ৬ শতাংশ এবং ভারতের ৬ দশমিক ৪ শতাংশ হতে পারে।

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!