× UCB Sticker Card
শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মো. বাবুল হোসেন, পাঁচবিবি

প্রকাশিত: জুলাই ১১, ২০২৬, ০৬:৪৬ এএম

ভাঙা কালভার্ট এখন মরণফাঁদ চরম ঝুঁকিতে হাজারো মানুষ

মো. বাবুল হোসেন, পাঁচবিবি

প্রকাশিত: জুলাই ১১, ২০২৬, ০৬:৪৬ এএম

ভাঙা কালভার্ট এখন মরণফাঁদ  চরম ঝুঁকিতে হাজারো মানুষ

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের মোলান-নন্দীগ্রাম পাকা সড়কটি এখন স্থানীয়দের জন্য এক আতঙ্কের নাম। এই সড়কের মোলান হিন্দু পল্লীর পাশে অবস্থিত কালভার্টটি ভেঙে দীর্ঘদিন ধরে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সংস্কারের কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় ওই এলাকার কয়েকটি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, মোলান বাজার থেকে সামান্য পূর্বে অবস্থিত কালভার্টটির অর্ধেকের বেশি অংশ ধসে পড়েছে। বেরিয়ে থাকা লোহার রডগুলো এখন দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঝুঁকি নিয়ে চলাচলকারী যানবাহনগুলোর মধ্যে রয়েছে অটো, ভ্যান, ভটভটি, ইজিবাইক ও মোটরসাইকেল। বোরো ও আমন মৌসুমে কৃষকদের উৎপাদিত ধান পরিবহনে ভাঙা কালভার্টটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভ্যানচালকদের ধান বোঝাই করে ৩-৪ কিলোমিটার ঘুরে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে, যা তাদের অর্থনৈতিক ও শারীরিক ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। এ ছাড়া স্থানীয় স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাগামী কোমলমতি শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন দুর্ঘটনার আশঙ্কা মাথায় নিয়ে যাতায়াত করছে।

পবাহার গ্রামের বাসিন্দা ও অটোচালক আখিনুর ইসলাম জানান, কয়েকদিন আগে ইমরান আলী নামের এক ভ্যানচালক ভাঙা কালভার্টে পড়ে গিয়ে মারাত্মক আহত হয়েছেন। তার হাত ও পা ভেঙে যাওয়ায় তিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। উপায়ান্তর না পেয়ে আমাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়েই যাতায়াত করতে হচ্ছে।

মোলান গ্রামের শ্রী অভিলাশ মাহাতো বলেন, গত সাত মাসের অধিক সময় ধরে কালভার্টটি এভাবে পড়ে আছে। অনেক সময় রাতের বেলায় পথচারীরা এটি লক্ষ্য করতে না পেরে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।

বীনধারা গ্রামের ইজিবাইকচালক জলিল জানান, কালভার্টের ধসে যাওয়া অংশটি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বড় হচ্ছে, ফলে প্রতিদিন বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। এটি দ্রুত সংস্কার না করলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের দাবি, কোনো বড় দুর্ঘটনা ঘটার আগেই যেন দ্রুততম সময়ে কালভার্টটি সংস্কার করা হয়। জনদুর্ভোগ লাঘবে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী গ্রামবাসী।

এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রাশিদা বেগম জানান, কালভার্টটি ভেঙে যাওয়ার পরপরই তিনি ছবিসহ উপজেলা প্রকৌশলীকে লিখিতভাবে অবগত করেছেন। তবে সড়কটি এলজিইডির অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বড় ধরনের সংস্কার কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না।

যোগাযোগ করা হলে উপজেলা প্রকৌশলী মোবারক হোসেন জানান, কালভার্টটি মেরামতের চেয়ে নতুন করে নির্মাণের প্রয়োজন। সে অনুযায়ী রিপ্লেসমেন্টের জন্য প্রয়োজনীয় ইস্টিমেট তৈরি করে অনুমোদনের জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কাজ শুরু হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!