× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

পাহাড়ি ঢলের কালভার্ট ধস

পেকুয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১৪, ২০২৬, ০৭:১৫ এএম

পাহাড়ি ঢলের কালভার্ট ধস

টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের পানির তীব্র স্রোতে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার টইটং ইউনিয়নের কেরনছড়ি ছড়ার ওপর নির্মিত একটি কালভার্ট ধসে পড়েছে। এতে অন্তত চার হাজার মানুষের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ঝুঁকি নিয়ে ভাঙা কালভার্টের ওপর দিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয়রা। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে টইটং ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। প্রবল স্রোতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বেশ কয়েকটি গ্রামীণ সড়ক ও কাঁচা ঘরবাড়ি। গত ৯ জুলাই রাতে পাহাড়ি ঢলের পানির তোড়ে কেরনছড়ি ছড়ার ওপর নির্মিত কালভার্টটি ধসে পড়ে। এরপর থেকে কেরনছড়ি ও আশপাশের এলাকার মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কালভার্টটির দুই পাশের সংযোগ সড়কের মাটি পানির স্রোতে ভেঙে গেছে। সড়কে বড় বড় ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। দুটি পিলারের ওপর কোনোমতে স্ল্যাবটি ঝুলে রয়েছে, যা যেকোনো সময় ধসে পড়তে পারে। বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষ হেঁটে পারাপার করছেন।

স্থানীয়রা জানান, টইটং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, টইটং উচ্চ বিদ্যালয়, টইটং ইউনিয়ন পরিষদ, বনকানন বাজার ও বনকানন এশাতুল উলুম দাখিল মাদরাসাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যাতায়াতের একমাত্র পথ এটি। কালভার্ট ধসে পড়ায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। জরুরি প্রয়োজনে রোগীদের হাসপাতালে নেওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে।

কেরনছড়ি এলাকার বাসিন্দা কৃষক বাদশাহ মিয়া বলেন, ‘এখানে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের বসবাস। আড়াই বছর আগে কালভার্টটি নির্মাণ করা হয়েছিল। এর আগে বাঁশের সাঁকো ছিল। ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানির চাপে কালভার্টটি ভেঙে গেছে। মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। দ্রুত নতুন কালভার্ট নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।’

টইটং উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিদিন এই কালভার্ট দিয়েই স্কুলে যেতাম। এখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী ভয়ে স্কুলে যেতে পারছে না। দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা প্রয়োজন।’

অটোরিকশাচালক আবদু শুক্কুর বলেন, ‘কালভার্ট ভেঙে যাওয়ায় গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। আমাদের আয়-রোজগারও বন্ধ হয়ে পড়েছে।’

ব্যবসায়ী ছাবের আহমদ বলেন, ‘কালভার্ট ভেঙে যাওয়ার কারণে দোকানে নিয়মিত যেতে পারছি না। ব্যবসায় বড় ধরনের ক্ষতি হচ্ছে। দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করা জরুরি।’

টইটং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবদুল খালেক বলেন, ‘বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানানো হয়েছে। দ্রুত অস্থায়ী পারাপারের ব্যবস্থা এবং স্থায়ীভাবে নতুন কালভার্ট নির্মাণের দাবি জানিয়েছি।’

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!