× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১৬, ২০২৬, ০৫:৫৮ এএম

জানালেন চিফ প্রসিকিউটর

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদের সংখ্যা ১৪০০ ছাড়াতে পারে

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১৬, ২০২৬, ০৫:৫৮ এএম

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদের  সংখ্যা ১৪০০ ছাড়াতে পারে

২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে গণকবর দেওয়া হয়েছে এবং একটি হাসপাতাল থেকে অনেক মরদেহ নদীতেও ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি জানান, বর্তমানে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের এবং ভাসিয়ে দেওয়া ও গণকবরে থাকা মরদেহের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে। এগুলো শনাক্ত হলো শহিদের সংখ্যা ১৪০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে।

গতকাল বুধবার সকালে রাজধানীর রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ সংলগ্ন কবরস্থানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের গণকবর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। পরিদর্শনকালে চিফ প্রসিকিউটর সেখানে উপস্থিত শহিদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। পরে তিনি কবরস্থান প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।

চিফ প্রসিকিউটর জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের তালিকায় এ পর্যন্ত সরকারি গেজেটে ৮৬৫ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তবে এর বাইরেও বহু মরদেহ গণকবর ও নদীতে পাওয়া গেছে, যা এখনো তালিকায় যুক্ত হয়নি। তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে জুলাইয়ে গণকবর দেওয়া হয়েছে, সেগুলো শনাক্ত করার কাজ চলছে। গণকবরে যাদের দাফন করা হয়েছে, তারা গেজেটে এখনো যুক্ত হননি। এ ছাড়া একটি হাসপাতাল থেকে নদীতেও অনেক লাশ ফেলে দেওয়া হয়েছে, তাদেরও পরিচয় শনাক্তে কাজ চলছে। গণকবর ও নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া বাকি শহিদদের শনাক্তের কাজ শেষ হলে মোট শহিদের সংখ্যা এক হাজার ৪০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে।

প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, রায়েরবাজারের ওই গণকবরে ১১৪টি মরদেহ দাফন করা হয়েছে। এর মধ্যে আটজন জুলাই শহিদের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে। অন্যদের পরিচয় শনাক্তের প্রক্রিয়া চলছে। চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘তদন্তে আমরা জানতে পেরেছি ঢাকার কাছের একটি নদীতে একটি হাসপাতাল থেকে অনেক মরদেহ ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল।’ তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় ওই হাসপাতালের তৎকালীন কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। তদন্ত শেষে তাদের বিচারের আওতায় আনা হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এ কাজে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করবে সরকার।’

আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত হয়েছেন। তদন্তের অংশ হিসেবে তারা এই গণকবর পরিদর্শন করছেন। এখন পর্যন্ত ৮৩৪ জন জুলাই শহিদের মরদেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।’ চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘রায়েরবাজারের পাশাপাশি জুরাইন, মাতুয়াইল, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জের গণকবরও পরিদর্শন করা হবে। ডিএনএ পরীক্ষাসহ বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্ত করা হবে।’

গণহত্যার বিচার প্রসঙ্গে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এই গণহত্যার সঙ্গে যারা জড়িত, তারা যত প্রভাবশালী বা যত বড়ই হোক না কেন, তাদের বিচার বাংলার মাটিতেই নিশ্চিত করা হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ঘটনার পর আলামত নষ্ট ও লাশ গুম করার যে অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল, তদন্তের মাধ্যমে তার সবটুকুই বের করে আনা হচ্ছে। অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা হবে বলে শহিদ পরিবারগুলোকে আশ্বস্ত করেন তিনি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!