× UCB Sticker Card
রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ফারুক আহমেদ শাহেদ 

প্রকাশিত: জুলাই ১৯, ২০২৬, ০২:৫৪ এএম

রক্তস্নাত জুলাই অভ্যুত্থান

কঠোর আন্দোলন দমাতে  চলে নৃশংস দমন-পীড়ন 

ফারুক আহমেদ শাহেদ 

প্রকাশিত: জুলাই ১৯, ২০২৬, ০২:৫৪ এএম

কঠোর আন্দোলন দমাতে  চলে নৃশংস দমন-পীড়ন 

কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া ছাত্র আন্দোলন ১৬ জুলাই পর্যন্ত ছিল দাবিভিত্তিক কর্মসূচি। তবে আবু সাঈদ-ওয়াসিমসহ চারজন নিহত হওয়ার পর আন্দোলন মুহূর্তেই রূপ নেয় সর্বাত্মক গণআন্দোলনে। ১৮ ও ১৯ জুলাই দেশজুড়ে চলে নজিরবিহীন সহিংসতা ও রক্তপাত। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্বিচার গুলি, প্রাণহানি, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরে জননিরাপত্তা ভেঙে পড়ে। এমনকি নিজ বাড়িতেও অনিরাপদ হয়ে পড়ে শিশু-কিশোর থেকে সব বয়সের মানুষ। র্যাবের হেলিকপ্টার থেকে ছোড়া হয় সাউন্ড গ্রেনেড, গ্যাস শেলসহ গুলিও। শুক্রবারেই প্রায় ৩০০ মৃত্যু হয় বলে জানায় বিভিন্ন গণমাধ্যম। পুরো দেশ কার্যত অচল হয়ে পড়ে, যুদ্ধবিধ্বস্ত নগরীতে পরিণত হয় ঢাকা।

এদিকে ১৮ জুলাই থেকেই ছাত্র-জনতার গণআন্দোলন দমনে ঢাকার ৫টি এলাকা পরিণত হয় মৃত্যুপুরীতে। ১৯ জুলাই রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, উত্তরা, মিরপুর, মোহাম্মদপুর এবং রামপুরা থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজসহ স্থানীয় সরকারি হাসপাতালগুলোর জরুরি বিভাগে অ্যাম্বুলেন্স আসতে থাকে মিনিটে মিনিটে। সাইরেন বাজিয়ে আসে শুধুই গুলিবিদ্ধ মানুষ। অ্যাম্বুলেন্স ছাড়াও রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে আনা হয় আহত-নিহত বিক্ষোভকারী ও সাধারণ মানুষকে। গণমাধ্যমে উঠে আসে, সেদিন আন্দোলন দমাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে তৎকালীন সরকারদলীয় লোকজনের কঠোর অবস্থান নিয়ে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে। বিশ্লেষকদের মতে, ওই দিনের ঘটনাপ্রবাহই পরবর্তী সময়ে কারফিউ, সেনা মোতায়েন এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনের ভিত্তি তৈরি করে।

প্রসঙ্গত, ১৮ জুলাই দেশজুড়ে ব্যাপক সহিংসতা ও গুলিতে শতাধিক প্রাণহানির পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন ১৯ জুলাই বিক্ষোভকারীদের ওপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সরকার সমর্থকদের ভূমিকা হয়ে ওঠে চরমভাবে নির্মম। গুলিবিদ্ধদের ভেতর নারী-শিশু থেকে শুরু করে ছিল সব বয়সিরা। সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি ঢাকার অনেক বেসরকারি হাসপাতালের চিত্র ছিল একই। অনেক হাসপাতালে আবার আহতদের চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রে বাধা দেয় তৎকালীন সরকার সমর্থকরা। 

ঢাকার সংঘাতপ্রবণ এলাকাগুলোর আকাশে উড়তে দেখা যায় র্যাবের হেলিকপ্টার। জমায়েত ছত্রভঙ্গ করতে ওপর থেকে ছোড়া হয় সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাসের শেল। কোথাও কোথাও হেলিকপ্টার থেকে গুলির অভিযোগও আসে। বিশেষ করে এদিন মিরপুর এলাকার পরিস্থিতি ছিল ভয়াবহ। বাসাবাড়িও নিরাপদ ছিল না। ১৯ জুলাই বাসায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় সাফকাত সামির নামে ১১ বছরের শিশু। এদিন পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব এলাকায় ছবি তোলার সময় গুলিতে নিহত হন সাংবাদিক তাহির জামান প্রিয়। সিলেটের কোর্ট পয়েন্টে সংবাদ সংগ্রহ করার সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন দৈনিক নয়াদিগন্তের ব্যুরো প্রধান আবু তাহের মো. তুরাব। 

এদিন ১৯ জুলাই পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে রাজধানীর নীলক্ষেত মোড়ে গুরুতর আহত হন দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের স্টাফ রিপোর্টার ফারুক আহমেদ শাহেদ (এফ এ শাহেদ)। আহত হন রূপালী বাংলাদেশের সিনিয়র রিপোর্টার মেহেদী হাসান খাজাসহ আরও অনেক সাংবাদিক। 

গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, যাত্রাবাড়ী, উত্তরা, মিরপুর, মোহাম্মদপুর ও রামপুরাÑ এই পাঁচ এলাকাতেই নিহত হয় প্রায় চার শতাধিক মানুষ। এর মধ্যে যাত্রাবাড়ীতে ১১৭ জন, উত্তরায় ৭০ জন, মিরপুরে ৬২ জন, মোহাম্মদপুরে ৪৩ জন এবং রামপুরায় ৩২ জন নিহত হন। এ ছাড়া বাড্ডা, ভাটারা, নিউমার্কেট, বংশাল, শাহবাগ, পল্টন, আগারগাঁও, তেজগাঁও, মহাখালীসহ রাজধানীর আরও অন্তত ২২টি এলাকায় নিহত হন শতাধিক মানুষ। 

জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের প্রতিবেদনের তথ্য মতে, শুধু ১৯ জুলাইয়েই ঢাকাসহ সারা দেশের সহিংসতায় নিহত হন তিন শতাধিক মানুষ। ঢাকায় সব ধরনের সভাসমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ। 

১৯ জুলাই ঢাকা ছিল কার্যত অচল। মেট্রোরেল স্টেশন, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের টোল প্লাজা, মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়াম ও বিআরটিএ ভবনসহ বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ করা হয়। দেশের বিভিন্ন জেলাতেও ব্যাপক বিক্ষোভ, সংঘর্ষ ও সহিংসতা হয়। জেলায় জেলায় অসংখ্য সরকারি স্থাপনায় আগুন ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। বিভিন্ন স্থানে পুলিশ-বিজিবির সঙ্গে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী এবং বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের খবর আসে। ঢাকার বিভিন্ন এলাকার বিক্ষোভে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে স্থানীয় লোকজনকে অংশ নেয়। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী গ্রেপ্তার হন এদিন। ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ থাকায় সর্বক্ষেত্রে দেখা যায় স্থবিরতা। শুক্রবার রাত ১২টা থেকে শুরু হয় কারফিউ।

জুলাইয়ের স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিকবিষয়ক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ২৪ সালের ১১ জুলাই দলীয় কার্যালয়ে পুলিশ তল্লাশি চালানোর খবর পেয়ে আত্মগোপনে চলে যাই। এরপর বিভিন্ন স্থান থেকে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দলের বক্তব্য তুলে ধরা হয়। তিনি বলেন, ১৯ জুলাই জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপির সমাবেশের কর্মসূচি ছিল। সে সময় যোগাযোগব্যবস্থা কার্যত বন্ধ ছিল। নানা বাধা পেরিয়ে প্রেসক্লাবে পৌঁছানোর পর পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড, গুলি ও লাঠিচার্জ চালায়। পরে আমাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। রিজভী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ বারবার প্রতিরোধ করেছে এবং ভবিষ্যতেও গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার প্রশ্নে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সরকারের সমালোচনার পাশাপাশি ভালো কাজেরও মূল্যায়ন করা উচিত।

এদিন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং পুলিশের ওয়েবসাইট হ্যাক হয়। ‘দ্য রেজিসটেন্স’ নামে একটি গোষ্ঠী এই দুটি ওয়েবসাইট হ্যাক করেছে বলে দাবি করা হয়। ওয়েবসাইট দুটিতে কালো ব্যানারে কোটা সংস্কার আন্দোলনের পক্ষে লেখা বার্তায় বলা হয়, ‘শিক্ষার্থী হত্যা বন্ধ করুন’।

রামপুরা থানায় ঘেরাও, বিক্ষোভকারীদের হামলা : সেদিন বিকেল ৪টার দিকে রাজধানীর রামপুরা থানা ঘেরাও করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এ সময় পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে দফায় দফায় সংর্ঘষ হয়। এর আগে দুপুর ২টার পর থেকে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা রামপুরা থানার সামনে এসে একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেয়। ভাঙচুর করা হয় একটি পুলিশ ভ্যান। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ গুলি চালায়। বিকেল ৪টার দিকে রামপুরা থানার তিন দিক থেকে ঘেরাও করে আন্দোলনকারীরা। এ সময় বেশকিছু ভবন ভাঙচুর করা হয়।

টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দেশজুড়ে সহিংসতার পর ১৯ জুলাই রাত ১২টা থেকে সারা দেশে কারফিউ জারি করে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। ১৯ জুলাই রাতে গণভবনে ১৪ দলের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সিদ্ধান্ত কার্যকরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।

শাটডাউন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা : শুক্রবার মধ্যরাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় তৎকালীন তিন মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সারজিস আলম ও হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং সহসমন্বয়ক হাসিব আল ইসলাম। বৈঠকে তারা আট দফা দাবি তুলে ধরেন। ওই বৈঠকে সরকারের তরফে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এবং তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত উপস্থিত ছিলেন।

পরে শেখ হাসিনার প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া, দুই মন্ত্রীর পদত্যাগসহ নয় দফা দাবি দিয়ে শাটডাউন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। বলা হয়, নয় দফা দাবি না মানা পর্যন্ত শাটডাউন চলবে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, জুলাই আন্দোলনে নিহতদের রক্তের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। গণঅভ্যুত্থানে যারা রাজপথে নেমে গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছেন তারা কী পেয়েছে। আমরা চেয়েছিলাম সংস্কারের মাধ্যমে দেশে একটা ভালো শিক্ষাব্যবস্থা চালু হবে, আমরা চেয়েছিলাম স্বাধীন বিচার বিভাগ, স্বাধীন পুলিশ বিভাগ। কিন্তু দুঃখের বিষয় কোনো বিভাগই আজ স্বাধীন নেই। জুলাইয়ের স্বপ্ন বাস্তবায়নের বিষয়ে তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান প্রকৃত বাস্তবায়ন তখনই হবে, যখন সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে ভিআইপি বা মন্ত্রীদের এলাকার সঙ্গে সাধারণ গ্রামীণ এলাকার কোনো বৈষম্য থাকবে না।

এনসিপি উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, জুলাইয়ের লড়াই এখনো চলছে। জুলাই আন্দোলন শেষ হলে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার মতো ঘটনা ঘটত না। এমনকি গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও দেশে ফেরার কথা বলার সাহসও পেতেন না।

উল্লেখ্য, সরকারি গেজেট অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে এখন পর্যন্ত শহিদের সংখ্যা ৮৪৪। নিহতদের মধ্যে ৮০২ জনের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তাদের ৭০৬ জনই গুলিতে নিহত হয়েছেন। অর্থাৎ প্রায় ৮৮ শতাংশের মৃত্যু হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্রের গুলিতে। অধিকাংশের শরীরের বুক, মাথা কিংবা পিঠে গুলি লাগে। এমনকি বাসার ভেতরেও নিরাপত্তা ছিল না। বাসাবাড়িতে গুলিবিদ্ধ হয়ে নারী-শিশুসহ অন্তত ১০ জন নিহত হন।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্টের মধ্যে ১ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়ে থাকতে পারেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, নিহতদের প্রায় ৬৬ শতাংশ মিলিটারি রাইফেলের গুলিতে, ১২ শতাংশ শর্টগানের গুলিতে এবং ২ শতাংশ পিস্তলের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, জুলাই শহিদদের রক্তের দাবি হলো গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির পথে বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ে তোলা। জুলাইয়ের শহিদেরা একাত্তরের শহিদদের বাস্তব অনুসারী। তারা অকাতরে জীবন ও রক্ত দিয়ে প্রমাণ করেছেন তারা তাদের সার্থক উত্তরসূরি।

তিনি বলেন, জুলাইয়ের স্লোগান ছিল ‘লাখো শহিদের রক্তে কেনা/দেশটা কারো বাপের না’। যারাই ক্ষমতার মোহে দেশকে নিজের বাপের সম্পত্তি এবং জনগণকে নিজেদের গোলাম ভাবতে শুরু করবে, তাদের বিরুদ্ধে জুলাই বারবার ফিরে আসবে। এবি পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, জুলাই শহিদদের রক্তের দাবি হলো গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির পথে বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ে তোলা। জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, বৈষম্য দূরীকরণ এবং জনগণের অধিকারভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের আন্দোলন।
 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!