শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী মায়মুনা আক্তারকে (১৩) শ্বাস রোধে হত্যা করার অভিযোগে মামলার প্রধান আসামি তার ফুফা ছাইদুল ইসলামকে (৩৯) পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। হত্যার বিষয়ে গতকাল শুক্রবার আদালতে স্বীকারোক্তি দেন ছাইদুল। ঘটনার সময় ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি মেয়েকে হত্যা করেন, কারণ মায়মুনা তাকে ‘ঘর জামাই’ বলে উপহাস করেছিল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কালাপাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং ভালুককুড়া গ্রামের মফিজুল ইসলামের মেয়ে মায়মুনা ২৩ আগস্ট শনিবার দুপুরে সহপাঠীদের সঙ্গে পুতুল খেলতে গিয়ে বাড়ির পাশের জঙ্গলে নিখোঁজ হয়। তিন দিন পর স্থানীয়রা বাড়ির পাশে একটি ডোবা থেকে দুর্গন্ধ পেয়ে কচুরিপানার মধ্য থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেন। গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় লাশ পাওয়া যায়।
ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। তদন্তে নেমে পুলিশ ২৭ আগস্ট ঢাকার খিলগাঁওয়ের তিলপাপাড়া এলাকা থেকে ছাইদুলকে গ্রেপ্তার করে। আদালতে সে স্বীকারোক্তি দেয়, “মায়মুনা আমাকে ‘ঘর জামাই’ বলে উপহাস করায় ক্ষুব্ধ হয়ে প্রথমে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছি। পরে মরদেহ একটি ডোবার কচুরিপানার মধ্যে লুকিয়ে রাখি।’
নালিতাবাড়ী থানার ওসি সোহেল রানা জানান, আসামি হত্যাকা-ে জড়িত থাকার বিষয়টি আদালতে স্বীকার করেছে।
আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে মতামত লিখুন