× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ২৫, ২০২৬, ০৬:৪১ এএম

ঋণের লক্ষ্য ২২৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ২৫, ২০২৬, ০৬:৪১ এএম

ঋণের লক্ষ্য ২২৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা

কোরবানির ঈদ উপলক্ষে চামড়া খাতের জন্য ঋণের লক্ষ্য ঠিক করে করে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু ব্যাংকগুলো ঋণ দিতে বরাবরাই উদাসীনতা দেখায়। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিবছরের ন্যায় এবারও চামড়া খাতে ঋণের লক্ষ্য বেঁধে দিয়েছে ২২৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা। গত বছর এ লক্ষ্য ছিল ৬৪৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা। তার মধ্যে বিতরণ করা হয়েছিল মাত্র ৬৫ কোটি টাকা বা ১ শতাংশ। তার আগের বছর ২০২৪ সালে লক্ষ্য ৬১০ কোটি টাকার মধ্যে ব্যাংক ঋণ দেয় ১২৫ কোটি টাকা এবং ২০২৩ সালে নির্ধারিত ৪৪৩ কোটি টাকার মধ্যে ঋণ বিতরণ করা হয় ২৭০ কোটি টাকা। বর্তমানে চামড়া শিল্প খাতে খেলাপি ঋণ এক হাজার ৮৯২ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

খাত-সংশ্লিষ্টরা জানান, শিল্প খাতে খেলাপি ঋণের দোহাই দিয়ে ব্যাংক নতুন ঋণ দিতে অনীহা দেখিয়েছে আসছে। ব্যাংকগুলো গত বছর লক্ষ্য ৬৪৪ কোটি ৫০ লাখ টাকার মধ্যে বিতরণ করেছিল মাত্র ৬৫ কোটি টাকা বা ১ শতাংশ। তারা ঢালাওভাবে খেলাপির অভিযোগ তুলে ঋণ দিতে অনীহা দেখাচ্ছে। কিন্তু এ খাতে খেলাপি ঋণ এখন পর্যন্ত দেড় হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি এবং খেলাপির হার সামগ্রিক হারের তুলনায় অনেক নিচে। বাংলাদেশ ব্যাংক হুকুম দিয়েই বসে থাকে। ঋণ না দিলে নীরব থাকে। অথচ রুগ্ন শিল্পের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা নীতি সহায়তা দিচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চামড়া খাতে সব মিলিয়ে বিতরণ করা ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৫ হাজার ২৮ কোটি টাকা। খেলাপি ঋণ এক হাজার ৮৯২ কোটি টাকা। শতকরা হিসাবে খেলাপির হার ১২ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

গত ৫ মে বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, যেসব চামড়া ব্যবসায়ীর আগে পুনঃতপশিল করা ঋণ আছে, তাদের নতুন ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ কিস্তি বা ‘কম্প্রোমাইজড অ্যামাউন্ট’ জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত শিথিল করা হয়েছে। ফলে খেলাপি বা পুরোনো ঋণ থাকা সত্ত্বেও ব্যবসায়ীরা চামড়া কেনার জন্য নতুন মূলধনি ঋণ পাওয়ার সুযোগ পাবেন। আর ২০২১ সালে চামড়া খাতের জন্য মাত্র দুই শতাংশ এককালীন পরিশোধের মাধ্যমে ঋণ পুনঃতপশিল করে ১০ বছরের জন্য ঋণ নিয়মিত করার সুযোগ চালু করা হয়।

চামড়ার আড়তদার বাবুল হোসেন বলেন, এ শিল্পের বেশির ভাগ কাঁচা চামড়া সংগৃহীত হয় ঈদুল আজহার সময়। কিন্তু সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার অভাবে প্রতিবছর প্রায় ৩০ শতাংশ চামড়া নষ্ট হয়। জাতীয় প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের পাশাপাশি এ খাত থেকে গত অর্থবছরে বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে দেড় বিলিয়ন ডলার। এ জন্য চামড়া খাতে বিশেষ নজর দেওয়া জরুরি।

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) এর তথ্য অনুযায়ী, ট্যানারি মালিক ও বাণিজ্যিক রপ্তানিকারক মিলিয়ে সংগঠনটির সদস্য প্রায় ৭০০। এগুলোর বাইরেও ছোট আকারে অনেক আড়ত রয়েছে, যারা মৌসুমি উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে ঈদুল আজহার সময় চামড়া সংগ্রহ করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, চামড়া খাতে এবার ঋণ দেওয়ার লক্ষ্য ছিল ২২৮ কোটি টাকা। শেষ পর্যন্ত কী পরিমাণ ঋণ ছাড় হয়েছে তা আগে বলা যাচ্ছে না। আর এই খাতের ব্যবসায়ীদের একটি অংশ ঋণের টাকা ফেরত দিতে চান না। সে কারণে এ খাতে ঋণখেলাপি অনেক বেড়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!