× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

সাইফ বাবলু

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ০৫:১৯ এএম

টার্গেট কিলিং: নিশানায় রাজনৈতিক নেতারা

সাইফ বাবলু

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ০৫:১৯ এএম

রূপালী বাংলাদেশ গ্রাফিক্স

রূপালী বাংলাদেশ গ্রাফিক্স

রাজধানীসহ সারা দেশে পেশাদার কিলারদের হাতে রাজনৈতিক খুনোখুনি বেড়েই চলেছে। অধিকাংশ রাজনৈতিক নেতা প্রতিহিংসা, অভ্যন্তরীণ কোন্দল অথবা সন্ত্রাসীদের টার্গেটে পড়ে নিহত হচ্ছেন। নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক টার্গেট কিলিং বাড়ার আশঙ্কা করছে সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাও। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ক্ষেত্রে কিছু ঘটনার নেপথ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের লোকজন তথা ছাত্রলীগ-যুবলীগের ক্যাডাররা জড়িত থাকতে পারে। কারণ আগামী নির্বাচন বানচাল এবং বর্তমান সরকারকে বেকায়দায় ফেলাই ক্ষমতাচ্যুতদের টার্গেট। এ ছাড়া দলগুলোর মধ্যে নানা ইস্যুতে মতবিরোধ, অভ্যন্তরীণ কোন্দাল, দখল, চাঁদাবাজি এবং আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পেশদার কিলার গ্রুপ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত ২০২৫ সালে পেশাদার সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হয়েছেন ১০৮ জন রাজনৈতিক নেতাকর্মী। এদের মধ্যে অধিকাংশই টার্গেট কিলিংয়ের শিকার হয়েছেন।

অপরাধ বিশ্লেষকেরা বলছেন, টার্গেট কিলিং বন্ধ করতে হলে পেশাদার অপরাধীদের ডাটাবেজ তৈরি করে গ্রেপ্তারে জোরালো অভিযান শুরুর বিকল্প নেই। পাশাপাশি সব ধরনের অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে কার্যকর অভিযান পরিচালনাও করতে হবে। তা না হলে এই রক্তপাত বন্ধ করা যাবে না। দেশজুড়ে আলোড়ন তোলা ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান বিন হাদিকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার এক মাস না পেরোতেই রাজধানীর পান্থপথে স্বেচ্ছসেবক দলের নেতা মুছাব্বিরকে প্রায় একই কায়দায় গুলি করে হত্যা চরম নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তার সুযোগ নিতে পারে চিহ্নিত অপরাধী ও ছাত্রলীগ-যুবলীগের অস্ত্রধারী ক্যাডাররা।

একটি গোয়েন্দা সংস্থার ডিআইজি পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘রাজধানী ঢাকায় যখন খুন বা অন্য কোনো অপরাধ বাড়ে, তখন এর প্রভাব সারা দেশেই পড়ে। বিশেষ করে যখন রাজনৈতিক খুনোখুনি শুরু হয়। গত ১৬ মাসে ঢাকায় বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক হত্যকা- ঘটেছে টার্গেট করে। এর অধিকাংশ গুলিতে করা হয়েছে। এসব হত্যাকা-ের পর ঢাকায় যেভাবে ডিএমপির তৎপর হওয়ার প্রয়োজন ছিল, সেভাবে হতে পারেনি। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানও নেই। আগে ডিএমপি ও ডিবির অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং দাগী অপরাধীদের গ্রেপ্তারে জোরালো অভিযান ছিল, কিন্তু গত ১৬ মাসে শীর্ষ সন্ত্রাসী বা পেশাদার কিলার হিসেবে যেসব সন্ত্রাসীরা কাজ কওে, তাদের গ্রেপ্তারে কোনো তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না। পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারেও তৎপরতা নেই। ফলে দাগী অপরাধীরা এখন টার্গেট কিলিং নির্বিঘেœ করার সুযোগ পাচ্ছে।’ 

গোয়েন্দা পুলিশের ওই কর্মকর্তার ভাষ্য, ‘অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে জোরালো অভিযান শুরু না হলে টার্গেট কিলিং আরও বাড়বে। নিয়মিত তল্লাশি ও চেকপোস্ট বসিয়ে পুলিশের কার্যক্রম আরও বাড়াতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ এলাকাসহ অপরাধপ্রবণ এলাকায় পুলিশের নিয়মিত তল্লাশি, চেকপোস্ট এবং অভিযান জোরদার হলে অপরাধীরা টার্গেট কিলিংয়ের মতো অপরাধে জড়াতে সাহস পাবে না। তা না হলে পেশাদার অপরাধীদের পাশাপাশি পলাতক আওয়ামী লীগ তথা যুবলীগ-ছাত্রলীগের ক্যাডাররা এই সুযোগ নিতে পারে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক এবং সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক বলেন, ‘একটি হত্যাকা-ের পর (বিশেষভাবে রাজনৈতিক দলের নেতা) নির্বাচন কমিশন বা কোনো কোনো রাজনৈতিক দলের নেতারা বলেন, এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। এ ধরনের বক্তব্যের কারণে অপরাধীরা মনে করে, তারা কাউকে টার্গেট করে হত্যা করলে এ নিয়ে কোনো না কোনো রাজনীতি হবে। তারা পার পেয়ে যাবে। টার্গেট কিলিং যখন শুরু হয়েছে, তখন যে অভিযান জোরালো দরকার ছিল, সেই ধরনের অভিযান আমরা দেখছি না। বিশেষ করে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পৃথক অভিযানের কথা আমরা বলেছি যে অস্ত্র উদ্ধারে পৃথক অভিযান শুরু করা হবে। কিন্তু ডেভিল হান্ট অভিযানে ফেজ ১  ও ২-এ গ্রেপ্তার ও অস্ত্র উদ্ধারের যে সফলতা, সেটি দৃশ্যমান নয়। ফলে ঝুঁকি থেকেই গেছে। আর এই ঝুঁকির কারণে টার্গেট কিলিং বাড়ছে, যা নির্বচনি পরিবেশকে বেশ প্রশ্নবিদ্ধ করবে।’

গত বুধবার রাতে কারওয়ান বাজার এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় ঢাকা মহানগর উত্তরের সেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে। এ সময় রিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা সুফিয়ান ব্যাপারীও গুলিবিদ্ধ হন। প্রকাশ্যে বিএনপি নেতাকে গুলি করার ঘটনায় নড়েচড়ে বসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর আগে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে টার্গেট করে হত্যা করা হয়। ছয় দিনের মাথায় সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওসমান হাদির মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় শুটার ও পরিকল্পনকারী বা হত্যার নির্দেশদাতাদের পরিচয় শনাক্ত হলেও নেপথ্যের অর্থদাতা ও নির্দেশদাতা কারা তা পরিষ্কার হয়নি। মাত্র ২০ দিনের তদন্তে ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিলেও মূল শুটার, নিদের্শদাতাসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। ঢাকায় এ দুই আলোচিত হত্যকা- ছাড়াও ঢাকার বাইরে একাধিক রাজনৈতিক দলের নেতারা টার্গেট কিলিংয়ের শিকার হয়েছেন।

পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছিল। এর মূল কারণ আওয়ামী লীগ সরকারের নির্দেশে পুলিশ আন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থান চলাকালে আন্দোলনকারীদের নির্বিচারে গুলি চালিয়ে  হত্যা করেছে। এতে পুলিশের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন থানায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে থানা থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গুলি লুট করে। হত্যা করা হয় ৪৪ পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যকে। এরপর থেকে পুলিশ মানসিকভাবে বিপর্যয়ের মধ্যে রয়েছে, যা এখনো ঠিক হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর পুলিশে ব্যাপক রদবদল হয়েছে। মেট্রোপলিটন এলাকায় দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ কমকর্তাদের জেলা এবং জেলা থেকে মেট্রোপলিটনে আনা হয়েছে। বদলি হয়ে এলেও নতুন করে যেভাবে মাঠ পর্যায়ে পুলিশকে সাজানো হয়েছে, সেখানে দক্ষ ও পেশাদার পুলিশ সদস্যের ঘাটতি রয়েছে। ফলে তারা অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না।’

মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাটইস সাপোর্ট সোসাইটির (এইআরএসসি) নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, গত বছর রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের টার্গেট করে ১৬৯টি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলায় ২৫০ জনের বেশি রাজনৈতিক নেতাকর্মী হতাহত হন। গুলি ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ১০৮ জনকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাগুলো বিস্তারিত অনুসন্ধান করার সুযোগ না থাকলেও বিভিন্ন খবরে এসেছেÑ এরা টার্গেট কিলিংয়ের শিকার হয়েছেন। টার্গেট কিলিংয়ের শিকার ১০৮ জনের মধ্যে ৬০ জন বিএনপির, জামায়াতে ইসলামের ছয়জন (একজন নারী নেত্রীসহ), অন্যান্য দলের আটজন এবং ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের ৩৪ জন নেতাকর্মী রয়েছেন।’

অপরাধ বিশ্লেষকেরা বলছেন, সাধারণত নির্বাচনের প্রচারের সময় জনপ্রিয়তার কারণে টার্গেট কিলিং হয়। এ ক্ষেত্রে আত্মগোপনে থাকা যুবলীগ-ছাত্রলীগের নেতারা কিংবা তাদের ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা হত্যাকা-ে জড়িত হয়ে পড়তে পারে। এ ছাড়া ব্যক্তিগত বিরোধ, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, অধিপত্য বিস্তার নিয়ে টার্গেট কিলিং হয়। আর পূর্বের বা নতুভাবে রাজনৈতিক দন্দেও টার্গেট কিলিং হয়। এসব হত্যাকা-ের নেপথ্যে সাধারণত ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের বেশি ব্যবহার করা হয়।

এ ছাড়া ৫ আগস্টের পর জেল পলাতক এবং আগে থেকে জামিনে থাকা অথবা পরোয়ানাভুক্ত পেশাদার খুনি যারা ভাড়ায় টার্গেট করা ব্যক্তিদের গুলি করে হত্যা বা ভয় দেখাতে কাজ করেÑ এমন অপরাধীদের গ্রেপ্তারে কোনো তৎপরতা নেই বলে মনে করছেন অপরাধ বিশেষজ্ঞরা। তাদের ভাষ্য, অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর অপারেশন ডেভিল হান্টের মধ্যেও টার্গেট কিলিং ঘটছে। এসব হত্যকা-ে জনমনে ভীতি তৈরি হয়েছে। ফলে টার্গেট কিলিং বন্ধ করতে হলে আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পৃথক অভিযান পরিচালনা করতে হবে। অভিযানে যারা সম্পৃক্ত থাকবেন, তাদের কাজ হবে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং দেশে অবৈধ অস্ত্রের প্রবেশ ঠেকানো। আর যেসব সন্ত্রাসী ভাড়ায় খুন কওে, তাদের তালিকা হালনাগাদ করে গ্রেপ্তারে অভিযান জোরদার করতে হবে। না হলে পরিবেশ আরও ঘোলাটে হবে। নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে নানা প্রশ্ন তৈরি হবে।

সাম্প্রতিক সময়ের আলোচিত টার্গেট কিলিং : পুলিশ ও বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্যমতে, গত ৩ জানুয়ারি যশোর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আলমগীর হোসেনকে মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। গত ৫ জানুয়ারি  চট্টগ্রামের রাউজানে স্থানীয় বিএনপি নেতা জানে আলম শিকদারকে মোটরসাইকেলে আসা মুখোশধারী সন্ত্রাসীরা গুলি করে হত্যা করে। গত ৭ জানুয়ারি ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে পুলিশ পরিচয় দিয়ে বাসায় ঢুকে সাইফুল সর্দার নামে এক বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। গত ১৫ জানুয়ারি লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে  ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক  আবুল কালাম জহিরকে কুপিয়ে ও গুলি করে প্রকাশ্যে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গত বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার ধামরাইয়ে স্ত্রীর সামনে প্রকাশ্যে পিটিয়ে ও চোখ উপড়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় ইউনিয়ন বিএনপি সাবেক সহসভাপতি মোহাম্মদ বাবুল মিয়াকে। গত বছরের ৭ অক্টোবর চট্টগ্রামের রাউজানে মোহাম্মদ আব্দুল হাকিম নামের এক বিএনপি নেতাকে গুলি করে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। গত বছরের ২ জুলাই ঢাকার দোহা উপজেলায়  ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি হারুন অর রশিদ মাস্টারকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ঘটনার দিন নদীর পাড়ে হাঁটতে যাওয়া বিএনপি নেতা হারুন মাস্টারকে মোটরসাইকেলে আসা তিন যুবক গুলি করে। পরে তার মৃত্যু হয়। গত বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি শেরপুর জেলার সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জাকারিয়া বাদলকে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা।

এ ছাড়া গত বছরের ২৫ মে বাড্ডায় বিএনপি নেতার অফিসের সামনে গুলি করে হত্যা করা হয় কামরুল আহসান সাধনকে। রাতে ঘনিষ্ঠ কয়েকজনকে নিয়ে তিনি আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে এসে দুজন মুখোশধারী যুবক টার্গেট করে বিএনপি নেতা সাধনকে গুলি করে। এতে ঘটনাস্থলেই সাধনের মৃত্যু হয়। গুলিবিদ্ধ হন আরেক বিএনপি নেতা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের একজন অতিরিক্ত ডিআইজি বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় বিপুলসংখ্যক দাগী অপরাধী জেল থেকে পালিয়ে গেছে। আবার বিগত সরকারের সময় যেসব অপরাধীর ডাটাবেজ ছিল, সেগুলো অনেক থানায় হামলা-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের কারণে নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে নতুনভাবে যেসব পুলিশ দায়িত্বে এসেছে, তারা নিজ নিজ থানা এলাকার অপরাধ এবং অপরাধী সম্পর্কে ধারণা নেই। গত ১৬ মাসে পুলিশ স্থায়ীভাবে থানা এলাকায় দায়িত্বে থাকতে পারেনি। ফলে অপরাধীদের নতুনভাবে ডাটাবেজ তৈরি, এলাকার অপরাধ সম্পর্কে ধারণার ঘাটতি রয়েছে। ফলে পুলিশ কাজ করতে পারছে না।’

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!