× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

স্বপ্না চক্রবর্তী

প্রকাশিত: মে ১৮, ২০২৬, ০৫:৩৪ এএম

বাঁশখালীতে তেল-গ্যাস কূপ ঢালাইয়ে বন্দি অপার সম্ভাবনা

স্বপ্না চক্রবর্তী

প্রকাশিত: মে ১৮, ২০২৬, ০৫:৩৪ এএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

চট্টগ্রামের বাঁশখালী। একদিকে সমুদ্র, অন্যদিকে পাহাড়সমৃদ্ধ ভূপ্রকৃতি। বহু বছর ধরে স্থানীয়দের মধ্যে একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, এই পাহাড়ের নিচে কি লুকিয়ে আছে বিপুল তেল-গ্যাসের ভাণ্ডার? জানা যায়, ১৯৬০ সালে পাকিস্তান সরকার ওই পাহাড়ি এলাকায় তিনটি কূপ খনন করে তেল ও গ্যাসের সন্ধান পায়। পরে কোরিয়া ও রাশিয়ার বিশেষজ্ঞ দল সেখানে আরও পাঁচটি কূপ খনন করে জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা করে। তাদের পরিচালিত অনুসন্ধানে অন্তত তিনটি কূপে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল-গ্যাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায় বলে এলাকাবাসীর দাবি। সে সময় পরীক্ষামূলকভাবে প্রায় ৩০০ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল উত্তোলন করাও সম্ভব হয়েছিল বলে জানা গেছে বাংলাদেশ তেল গ্যাস খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) সূত্রে। কিন্তু রহস্যজনকভাবে পরে বিদেশি বিশেষজ্ঞ দল কূপগুলো সিসা ঢালাই করে বন্ধ করে দেয় এবং জরিপ প্রতিবেদন আর প্রকাশ করা হয়নি।

অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন পাকিস্তান সরকার চায়নি ওই এলাকায় তেল-গ্যাসের কোনো অনুসন্ধান হোক। কিন্তু স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও দেশের অপার সম্ভাবনাময় বাঁশখালীতে এখন পর্যন্ত কোনো অনুসন্ধান কার্যক্রম কেন পরিচালনা করা হয়নি, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। বর্তমানে কূপগুলোতে আবারও তেল-গ্যাসের বুদবুদ লক্ষ করা গেলে স্থানীয়রা এখানে নতুন করে খনন কার্যক্রম পরিচালনার দাবি তুলছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি এখানে তেল-গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়, তাহলে দেশের জ্বালানি খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। হতে পারে তেল-গ্যাসের বিরাট হাবও।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাঁশখালী ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাহাড়ি গঠন নিয়ে অতীতে বিভিন্ন সময়ে অনুসন্ধান হয়েছে। বাংলাদেশের বেশির ভাগ গ্যাসক্ষেত্র দেশের পূর্বাঞ্চলের ভাঁজযুক্ত ভূতাত্ত্বিক অঞ্চলে অবস্থিত। চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের ভূপ্রকৃতিও একই ধরনের হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই ধারণা রয়েছে যে, এখানে হাইড্রোকার্বন জমা থাকতে পারে। তবে সম্ভাবনা থাকলেই যে বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলনযোগ্য মজুত পাওয়া যাবে, তা নয়।

স্থানীয় বাসিন্দা ব্যাংককর্মী শামসুল আলম রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, আমাদের বাবা-দাদাদের মুখে শুনেছি, স্বাধীনতার আগে এই এলাকায় মাটি খনন বা নলকূপ স্থাপনের সময় গ্যাসের মতো দাহ্য পদার্থ বের হওয়ার ঘটনা আলোচনায় আসে। সম্প্রতি বাঁশখালীর জলদী-চুনতি এলাকার দো-চাইল্লা পাহাড় ঘিরে নতুন করে তেল-গ্যাসের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। কারণ ওই পাহাড়ের কিছু অংশে কূপের মুখ ও ফাটল থেকে গ্যাসের বুদবুদ বা লিকেজের মতো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। তাই আমরা এলাকাবাসী মনে করছি, এখনো এখানে বিপুল জ্বালানি সম্পদ মজুত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

যদি এমনটি হয় তাহলে দেশের বর্তমান জ্বালানি সংকটের সময়ে বাঁশখালীর জলদী পাহাড় ও লোহাগাড়ার চুনতি এলাকার সম্ভাব্য তেল-গ্যাস ক্ষেত্র নিয়ে নতুন করে বৈজ্ঞানিক জরিপ ও অনুসন্ধান পরিচালনা করা জরুরি বলে উল্লেখ করেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও ভূতত্ত্ববিদ অধ্যাপক বদরূল ইমাম। রূপালী বাংলাদেশকে তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যকে ঘিরে কয়েকদিন পরপরই একটা না একটা সংকট লেগে থাকে। ফলে বিশ^জুড়ে তৈরি হয় তীব্র জ্বালানি সংকট।

সম্প্রতি ইরান-ইসরায়েল-আমেরিকা যুদ্ধেও এমনটা আমরা দেখেছি। এর জন্য আমাদেরও চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। তেলের জন্য দীর্ঘ সময় পাম্পের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে তেলপ্রত্যাশীদের। এর অন্যতম কারণ তেল-গ্যাসে আমাদের পরনির্ভরতা। দেশের অভ্যন্তরে অনেক জায়গায় তেল-গ্যাস খনির সম্ভাবনা রয়েছে, বিশেষ করে পাহাড়ি অঞ্চলগুলোতে। যেহেতু বাঁশখালীর ওই অঞ্চলে একবার তেল-গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল, সেক্ষেত্রে আবারও যদি অনুসন্ধান চালানো হয়, তাহলে জ্বালানি খাতে একটা বিপ্লব হতেও পারে। তাই সরকারের উচিত হবে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা।  আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে পুনরায় অনুসন্ধান চালানো হলে দেশের জ্বালানি খাতে গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হতে পারে বলে মনে করছি আমি।

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেই সাগরে ও স্থলভাগে অনুসন্ধানে দরপত্র আহ্বানের লক্ষ্যে ১৮০ দিনের বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, স্থলভাগের পাশাপাশি সমুদ্রেও তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের অগ্রাধিকার ১৮০ দিনের মধ্যে দরপত্রের এ বিষয়টিও থাকছে। তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে সংশোধিত উৎপাদন-বণ্টন কাঠামোর (পিএসসি) আওতায় দেশের স্থলভাগে ২১টি ব্লক এবং অফশোরে (সাগরে) ২৬টি ব্লকে আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানিগুলোর (আইওসি) অনুসন্ধানের জন্য দরপত্র আহবান করা হবে। এ উদ্দেশ্যে পেট্রোবাংলা তাদের প্রস্তুতি এগিয়ে নিয়েছে। সরকারের কাছ থেকে অনুমতি পেলে সাগরে ও স্থলভাগে দ্রুত আন্তর্জাতিক দরপত্রে যেতে চায় রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানটি। এক্ষেত্রে যদি বাঁশখালীতে তেল-গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তাহলে সরকার অবশ্যই এটি বিবেচনায় নেবে।

এ বিষয়ে পেট্রোবাংলার সদ্য সাবেক পরিচালক (পিএসসি) প্রকৌশলী এবং বাপেক্সের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শোয়েব রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, স্থল এবং জলভাগে আমরা বিভিন্ন জায়গায় খনন কার্যক্রম পরিচালনা করছি। যার সুফলও পেয়েছি কয়েকটি জায়গায়। বাঁশখালীর জলদী পাহাড় ও লোহাগাড়ার চুনতি এলাকায় যদি এমন সম্ভাব্য তেল-গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, সেক্ষেত্রে এটি নিয়ে নিশ্চয়ই কাজ হবে। যারা নতুন দায়িত্বে আসবেন, তারা নিশ্চয়ই বিষয়টি নিয়ে কাজ করবেন।

বর্তমান নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসার পর জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ পাঁচ বছরের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে সরকারের কাছে। ওই কর্মপরিকল্পনায় ১০০ দিনের মধ্যে উৎপাদন-বণ্টন চুক্তির আওতায় স্থলভাগ ও সমুদ্র অঞ্চলে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের লক্ষ্যে মডেল পিএসসি ২০২৬ চূড়ান্তকরণের কথা বলা হয়, যা জ্বালানি বিভাগ এরই মধ্যে চূড়ান্ত করেছে। এ ছাড়া ২০২৬-২৭ অর্থবছরে স্থলভাগ ও সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের লক্ষ্যে বিডিং রাউন্ড আহ্বান করার কথা তুলে ধরা হয়। এ কর্মপরিকল্পনায় আরও রয়েছে সাইসমিক ডেটা অ্যাকুইজিশন শেষ করা, ৫০০ লাইন কিলোমিটার টুডি সাইসমিক সার্ভে, ভোলার চরফ্যাশন এলাকায় থ্রিডি সাইসমিক সার্ভে এবং স্থলভাগে সিলেট অঞ্চলে লালাবাজার, গোয়াইনঘাট, কৈলাসটিলা সাউথ ও ফেঞ্চুগঞ্জ ওয়েস্ট স্ট্রাকচার সার্ভে করা। এর সঙ্গে যদি বাঁশখালীর জলদি রেঞ্জ যুক্ত হয় তাহলে ইতিহাসের পাতায় সিমেন্টের ঢালাইয়ের নিচে তেল-গ্যাস পাওয়ার অপার সম্ভাবনা থাকতে পারে দাবি করে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শামসুল আলম রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, আমরা জানি, দেশে জাতীয় নির্বাচনের আগে গত ফেব্রুয়ারিতে আইন মন্ত্রণালয় অফশোর মডেল প্রডাকশন শেয়ারিং কন্ট্রাক্ট-২০২৬ এর খসড়া যাচাই করার পর দরপত্র আহ্বানের প্রস্তুতিমূলক কাজ শেষ হয়েছে। অফশোর ও অনশোরে আইন মন্ত্রণালয় বেশকিছু বিষয়ে জানতে চেয়েছে। সেসব বিষয়ে তথ্যও এরই মধ্যে পেট্রোবাংলা থেকে সরবরাহ করা হয়েছে। এর মধ্যে বাঁশখালীর কথা হয়তো ছিল না। এখন যেহেতু এটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে এবং এলাকাবাসীর দাবি কূপের সীসা ঢালা মুখ থেকে বুদবুদ দেখা যাচ্ছে, তাহলে তেল বা গ্যাসের মজুত থাকার সম্ভাবনাই বেশি। যেমনটি আমরা দেখেছি ভোলার ক্ষেত্রে। ভোলায়ও যে গ্যাস থাকতে পারেÑ এটি নিয়ে কেউ কখনো ভাবেনি। কিন্তু এলাকাবাসীই প্রথম গ্যাসের বুদবুদ দেখতে পায়। এরপরই অনুসন্ধান চালানো হয়।

বর্তমানে সেখানে একে একে তিনটি গ্যাসকূপের সন্ধান মিলেছে। ফলে ভোলাসহ দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলায় নতুন করে শিল্পায়নের ব্যাপক সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। আশা জাগাচ্ছে নতুন শিল্পায়নের। উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে এরই মধ্যে একটি হাব হয়ে গেছে। যদিও পাইপলাইন না থাকায় এই গ্যাস যুক্ত হতে পারছে না। কিন্তু তারপরও ওখানে যে মজুত রয়েছে এটা দিয়ে যদি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয় তাহলে দেশের গ্যাস খাতের চাহিদা অনেকটাই পূরণ হবে। একইভাবে যদি বাঁশখালীতেও এ রকম বিপুল তেল-গ্যাসের সম্ভার পাওয়া যায় তাহলে আমাদের সক্ষমতা সন্দেহাতীতভাবে বাড়বে।

বিএনপি সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ১১ দিনের মাথায় মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। ওই যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের দামে বড় ধরনের উল্লম্ফন চলছে এখনো। পেট্রোবাংলার দৈনিক গ্যাস উৎপাদন ও সরবরাহের তথ্যে দেখা গেছে, প্রতি বছরই উল্লেখযোগ্য হারে দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন কমছে। ২০২০ সালে ফেব্রুয়ারি ও মার্চে দেশীয় কূপগুলো থেকে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ করা যেত প্রায় ২ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট। সেটি কমে সম্প্রতি সরবরাহ নেমেছে ১ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুটে। গত ছয় বছরে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাওয়ায় বাড়তি চাহিদা পূরণে ব্যয়বহুল এলএনজি আমদানি করতে হচ্ছে। দেশে মোট গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৪ হাজার ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট থাকলেও এলএনজিসহ জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে প্রায় ১ হাজার ঘনফুটের চেয়ে কম। চাহিদার বিপরীতে সরবরাহে বড় ঘাটতি থাকায় শিল্প-কারখানা, আবাসিক, বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ সব ক্ষেত্রেই গ্যাসের সংকট চলছে।

তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশ এখনো তুলনামূলক কম অনুসন্ধান করা দেশ। গভীর স্তরে অনুসন্ধান বাড়ালে নতুন গ্যাসক্ষেত্র পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গভীর স্তরে নতুন ড্রিলিংয়ের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে টু-ডি ও থ্রি-ডি সাইসমিক জরিপ, ভূতাত্ত্বিক তথ্য বিশ্লেষণ, অনুসন্ধান কূপ খনন, রিজার্ভ মূল্যায়ন, বাণিজ্যিক সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে না ঠিকমতো। এই ধাপগুলো ছাড়া বড় গ্যাসক্ষেত্রের দাবি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় না। তবে সরকার এর থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করছে দাবি করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, আপনারা জানেন দেশের জ্বালানি নীতিতে দীর্ঘ সময় আমদানিনির্ভর এলএনজির ওপর জোর ছিল।

যার খেসারত আমরা ক্ষমতা গ্রহণের দেড় মাসের মাথায় দিয়েছি। জ¦ালানি তীব্র সংকট আমরা মোকাবিলা করেছি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা মোতাবেক। এখন আমরা দেশীয় কূপগুলো খননে গুরুত্ব দিচ্ছি। এক্ষেত্রে প্রথমেই আমরা স্থলভাগ এবং জলভাগ নিয়ে আলাদা দুটি পরিকল্পনা করেছি। সমুদ্রে তেল-গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা যেমন আমাদের রয়েছে তেমনি পাহাড়ি অঞ্চলগুলোতে সেই সম্ভাবনা কম নয়। বাঁশখালীতে যেহেতু তেল-গ্যাস পাওয়ার ইতিহাস ছিল, তাই অবশ্যই বিষয়টি আমরা বিবেচনায় নেব।

Link copied!