× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১৮, ২০২৬, ১১:৩৫ পিএম

র‌্যাপিডের গবেষণা প্রতিবেদন

৪১ লাখ পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পেলে দারিদ্র্যের হার ১৩ শতাংশে নামবে

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১৮, ২০২৬, ১১:৩৫ পিএম

৪১ লাখ পরিবার ফ্যামিলি  কার্ড পেলে দারিদ্র্যের হার  ১৩ শতাংশে নামবে

দেশে দারিদ্র্যের হার বর্তমানে ১৮ শতাংশ। ৪১ লাখ পরিবারে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হলে দারিদ্র্যের হার ১৩ দশমিক ৮ শতাংশে নামবে। এমন তথ্য উপস্থাপন করেছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট (র‌্যাপিড)।

গবেষণা সংস্থাটি জানায়, সরকারঘোষিত ৪১ লাখ দরিদ্র পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হলে দারিদ্র্যের হার এক ধাক্কায় ১৩ দশমিক ৮ শতাংশে নামবে। এ জন্য রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক প্রভাবমুক্ত হয়ে এই কার্ড দিতে হবে। আর দেশের সব দরিদ্র পরিবারকে যদি এই কার্ডের আওতায় আনা সম্ভব হয়, তাহলে দারিদ্র্যের হার ১১ দশমিক ৩ শতাংশে নামিয়ে আনা সম্ভব হবে। ২০২২ সালের হিসাব অনুসারে দেশে দারিদ্র্যের হার ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ।

রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে গতকাল বৃহস্পতিবার ‘বাজেট ২০২৭: সংস্কারের সংকেত, সামষ্টিক অর্থনীতির চাপ ও বাস্তবায়নের ঝুঁকি’ শীর্ষক এক সেমিনারে র‌্যাপিডের পক্ষ থেকে এমন তথ্য জানানো হয়। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন র‌্যাপিডের চেয়ারম্যান এম এ রাজ্জাক।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে. চৌধূরী। র‌্যাপিডের নির্বাহী পরিচালক এম আবু ইউসুফের সঞ্চালনায় বাজেটের নানা দিক নিয়ে প্যানেল আলোচনা করেন তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি রুবানা হক, এ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর ও বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির সভাপতি তাসলিমা আখতার।

মূল প্রবন্ধে র‌্যাপিড চেয়ারম্যান এম এ রাজ্জাক বলেন, বাজেটের সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক হলো ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচিতে সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া। এর মাধ্যমে ৪১ লাখ নারীপ্রধান দরিদ্র পরিবারকে প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। র‌্যাপিডের প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, এই কার্ড যদি স্বচ্ছতার সঙ্গে প্রকৃত দরিদ্রদের (৪১ লাখ) মধ্যে বিতরণ করা যায়, তাহলে দারিদ্র্যের হার ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে কমে ১৩ দশমিক ৮ শতাংশে নেমে আসবে। অর্থাৎ, দারিদ্র্য প্রায় ৫ শতাংশীয় পয়েন্ট কমবে।

র‌্যাপিডের এম এ রাজ্জাক আরও বলেন, যদি ভবিষ্যতে পরিধি বাড়িয়ে দেশের সব দরিদ্র পরিবারকে এই কার্ডের আওতায় আনা সম্ভব হয়, তাহলে দারিদ্র্যের হার ১১ দশমিক ৩ শতাংশে নামিয়ে আনা সম্ভব হবে। অর্থাৎ, দারিদ্র্যবিমোচনে বড় হাতিয়ার হতে পারে এই ফ্যামিলি কার্ড।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাব অনুসারে, ২০২২ সালে দারিদ্র্যের হার ছিল ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। পরের বছরগুলোতে মূল্যস্ফীতিসহ অন্যান্য বিবেচনায় দারিদ্র্যের হার বেড়েছে বলে বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষণায় উঠে এসেছে। কাগজে-কলমে এই ফ্যামিলি কার্ড অত্যন্ত সময়োপযোগী হলেও এর মূল চ্যালেঞ্জ হবে সঠিকভাবে উপকারভোগী নির্বাচন ও বিতরণ প্রক্রিয়া। কারণ, অতীতে অনেক সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে স্বজনপ্রীতি ও অপচয়ের নজির রয়েছে বলে জানান এম এ রাজ্জাক।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ‘আমরা বলছি সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য উন্নয়ন এবং সবাইকে নিয়ে উন্নয়ন। লক্ষকোটি (ট্রিলিয়ন) ডলারের অর্থনীতির দিকে আমরা যাচ্ছি। বাজেটে সেই কৌশল ও বরাদ্দ উল্লেখ করা হয়েছে।’

বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে সরকার ব্যবসায়ীদের জন্য ন্যূনতম পাঁচটি বিষয় নিশ্চিত করছে বলে জানান রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। এই পাঁচ বিষয় হচ্ছে : এক. নীতির ধারাবাহিকতা। ইতিমধ্যে বাজেটে পাঁচ বছরের করকাঠামো জানানো হয়েছে। দুই. লাল ফিতার দৌরাত্ম্য ও দুর্নীতি কমানো। তিন. জ¦ালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। চার. মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসন অক্ষুণœ রেখে মুদ্রানীতি ও রাজস্বনীতির সমন্বয় করা। পাঁচ. যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন।

বাজেট ঘাটতি মেটাতে করব্যবস্থার সংস্কার এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণে সব খাতকে সমান সুবিধা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর। প্যানেল আলোচনায় তিনি বলেন, রপ্তানি বহুমুখীকরণের কথা বলা হলেও নীতিনির্ধারণে দ্বিমুখী নীতি রয়েছে। সরকার আটটি খাতকে ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে শুল্কমুক্তভাবে আমদানির সুযোগ দিলেও সেখানে ৩০ শতাংশ মূল্য সংযোজনের শর্ত রেখেছে, যা অবাস্তব বলেন তিনি।

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!