× UCB Sticker Card
শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১১, ২০২৬, ০৫:৫০ এএম

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন অগ্রগতি দেখতে চান জামায়াত আমির

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১১, ২০২৬, ০৫:৫০ এএম

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন  অগ্রগতি দেখতে চান  জামায়াত আমির

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকার যে অঙ্গীকার করেছে, তার দৃশ্যমান অগ্রগতি ‘জনগণ দেখতে চায়’ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। বন্যা পরিস্থিতি দেখতে ও বন্যার্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করতে গতকাল শুক্রবার চট্টগ্রামে এসে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনি সাংবাদকিদের এ কথা বলেন।

সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর বলেন, ‘দেশের চারটা বিভাগে মূলত এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। চট্টগ্রাম, সিলেট, রংপুর এবং ময়মনসিংহ বিভাগে। আর বাকি বিভাগগুলো অতটা ভালনারেবল না। কিন্তু এই চারটা বিভাগের অবস্থা ক্রমান্বয়ে খারাপের দিকে যাচ্ছে। তবে রংপুর বিভাগ বেশি হুমকিতে পড়বে যদি তিস্তার ওই দিক থেকে বাঁধ সব খুলে দেওয়া হয়। তাহলে যেটা প্রত্যেক বৎসরই হয়, এটা দুঃখ হয়ে আছে। সেই ঝামেলাটা দেখা দেবে। এ জন্য আপনারা জানেন যে, ইতিমধ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আমাদের পক্ষ থেকে জোরালো দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। এবং সরকারের পক্ষ থেকেও এ ব্যাপারে অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে।’

জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা এখন সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অপেক্ষায় আছি। আমরা জানি প্রজেক্টটা অনেক বড়। সময় লাগবে। কিন্তু আন্তরিকভাবে কাজটা শুরু হোক, দৃশ্যমানভাবে, জনগণ এটা দেখতে চায়।’

চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, ‘যারা কষ্টে আছে, তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য এবং সরেজমিনে দেখে গিয়ে আমাদের করণীয়, সরকারের করণীয় সম্পর্কে আমাদের পক্ষ থেকে দাবি উত্থাপনের জন্য মূলত আমরা এখানে এসেছি। আমি সর্বপ্রথম সেই সমস্ত মানুষের প্রতি সহানুভূতি জ্ঞাপন করছি এবং তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি, সম্প্রতি বন্যায় যারা নিহত হয়েছেন, পাহাড়ধসের কারণে বা বিভিন্ন কারণে।’

চট্টগ্রাম মহানগরী হচ্ছে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী মন্তব্য করে জামায়াত আমির বলেন, ‘কিন্তু একটু বর্ষা নেমে এলেই মহানগরীতে দুর্ভোগ দেখা দেয়। নালা-নর্দমা উপচে পড়ে বিভিন্ন ধরনের অসুবিধার কারণে দু-একটা মৃত্যুর ঘটনাও গতবার ঘটেছে।’

শফিকুর রহমান বলেন, ‘সরকারের দায়িত্ব মূলত এগুলো সমাধান করা। কিন্তু বিরোধী দল হিসেবেও আমাদের দায়িত্ব আছে বিষয়গুলো সরকারকে ধরিয়ে দেওয়া এবং জনগণের হয়ে দাবি আদায় করা, কাজ করা। আমাদের আজকের আসাটাও অনেকটা সে রকম। আমরা ইনশাআল্লাহ, এখান থেকে বাঁশখালী যাচ্ছি। বাঁশখালী থেকে ফেরার পথে আমরা লোহাগাড়া এবং সাতকানিয়া যেতে চেষ্টা করব। এরপর শহরেরও কিছু জায়গায় আমরা যাব, দেখব। আপনাদের অবস্থা দেখে আপনাদের পক্ষ থেকে, আপনাদের হয়ে আমরা যাতে কাজ করতে পারি সেই চেষ্টা করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘তা ছাড়া আমাদের পক্ষ থেকে সীমিত সামর্থ্য অনুযায়ী আমরা বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়াব। বিশেষ করে নিহত পরিবারগুলোর পাশে কীভাবে দাঁড়াতে পারি, সেটা আমরা চিন্তা করছি। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায়ও যতটুকু পারি আমাদের পক্ষ থেকে, দলীয় অবস্থান থেকে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আমাদের সংশ্লিষ্ট সব সংগঠনকে নির্দেশ দিয়েছি।’ কেন্দ্র থেকে সমন্বয় করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

এরপর জামায়াত আমির চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার গুনাগরিতে এবং সাতকানিয়া উপজেলার এওচিয়া ইউনিয়নের বকশিরখিলসহ বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ ও অর্থ সহায়তা দেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!