× UCB Sticker Card
শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

সালমান ফরিদ, সিলেট

প্রকাশিত: জুলাই ১১, ২০২৬, ০৫:৫৪ এএম

সিলেট সীমান্ত দিয়ে ঢুকছে বিস্ফোরক-অস্ত্র 

সালমান ফরিদ, সিলেট

প্রকাশিত: জুলাই ১১, ২০২৬, ০৫:৫৪ এএম

সিলেট সীমান্ত দিয়ে ঢুকছে বিস্ফোরক-অস্ত্র 

চায়ের দেশখ্যাত সিলেট বিভাগের সঙ্গে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের সীমান্ত দিয়ে অবাধে ঢুকছে অস্ত্র ও গোলাবারুদ। ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এই চোরাচালান আরো বেড়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, অবৈধ গোলাবারুদ ও অস্ত্র আমদানির নেপথ্যে শীর্ষ সন্ত্রাসী, উগ্রবাদী এবং দাগী অপরাধী চক্র জড়িত। আর ওপারে ভারতের বিভিন্ন বিচ্ছিন্নতাবাদীর যোগসাজশে প্রবেশ করা এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ রাজনৈতিক ক্যাডার, সন্ত্রাসী ও উগ্রবাদীদের হাতে যাচ্ছে। এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। 

গত ২ বছরে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও সীমান্তরক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, প্রতিনিয়ত সিলেটের বিভিন্ন জেলার সাথে ভারতের অঙ্গরাজ্যগুলোর সীমান্তে  উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক, ডেটোনেটর ও আগ্নেয়াস্ত্রের চালান  জব্দ করা হয়েছে। তবে এসব অস্ত্র গোলাবারুদের চোরাচালানে জড়িতরা সব সময় ধরাছোয়ার বাইরেই থেকে গেছে।  চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে আইন শৃঙ্খলা এবং সীমান্তরক্ষাকারী বাহিনীর (বিজিবি, র্যাব ও পুলিশ) অভিযানে উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক, ডেটোনেটর এবং বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র।

অবৈধ চোরাচালান উদ্ধার অভিযানে জড়িত  আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্মকর্তারা বলছেন, ভারত থেকে সিলেটের সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ প্রথমে সীমান্তবর্তী ঝোপঝাড়, পরিত্যক্ত ভবন, টয়লেট ও ইটভাটায় লুকিয়ে রাখা হয়। এরপর এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদের চালান ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় মূল ক্রেতাদের কাছে চলে যায়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর  নজরদারির কিছু চোরাচালান উদ্ধার হলেও অধিকাংশ  চোরাচালানের অস্ত্রও গোলাবারুদ চলে যাচ্ছে তাদের গন্তব্যে।  

আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী উদ্ধার হওয়া  বিস্ফোরকের মধ্যে রয়েছে ভারতের মেঘালয় রাজ্যে পাথরখনিতে ব্যবহৃত পাওয়ার জেল-৯০’, ‘ইলেকট্রিক ও নন-ইলেকট্রিক ডেটোনেটর’ বেশি। । গত কয়েক মাসে বিস্ফোরকের এমন অন্তত ১৩টি চালান আটক করেছে বিজিবি ও র্যাব। এ ছাড়া চলতি বছরের ছয় মাসে ১৪৬টি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক, ১ কেজি ১২৫ গ্রাম বিস্ফোরক এবং ১৮৩টি ডেটোনেটর জব্দ করে। 

প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের একাংশের আশঙ্কা, চোরাকারবারিরা এই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক সীমান্ত পার করে কোনো সাধারণ উদ্দেশ্যে নয়, বরং বাংলাদেশে বড় ধরনের নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির লক্ষ্যে নিয়ে আসতে পারে। কারণ এসব ডেটোনেটর ও বিস্ফোরকের সঙ্গে টিএনটি বা প্লাস্টিক এক্সপ্লোসিভ যুক্ত করে অনায়াসে অত্যন্ত শক্তিশালী ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস বা আইইডি তৈরি সম্ভব। ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী সিলেটের উত্তরে ভারতের মেঘালয়, দক্ষিণে ত্রিপুরা এবং পূর্বে আসাম রাজ্য অবস্থিত। উদ্ধার হওয়া প্রায় প্রতিটি চালানের প্যাকেটের গায়ে প্রস্তুতকারক দেশ হিসেবে ভারতের নাম লেখা রয়েছে। তথ্য অনুসারে, অস্ত্র-গোলাবারুদ চোরাচালানে মেঘালয় সীমান্তকে রুট হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগমুহূর্তে সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন সীমান্তে এ ধরনের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক ও অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা বেড়ে গিয়েছিল। সে সময় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিনষ্টের উদ্দেশ্যে একটি বিশেষ গোষ্ঠী এগুলো নিয়ে এসেছিল বলে ধারণা নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের। নির্বাচনের পর এই চোরাচালান কিছুটা কমলেও সাম্প্রতিক সময়ে মাত্র চার দিনের ব্যবধানে দুটি বড় চালান ধরা পড়ায় নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা নতুন করে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। জকিগঞ্জ ও বড়লেখায় জব্দকৃত এসব মারাত্মক অস্ত্র ও বিস্ফোরক সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে পলাতক চোরাকারবারি ও এর পেছনের মূল হোতাদের শনাক্তে স্থানীয় পর্যায়ে বিজিবি, র্যাব ও পুলিশের বিশেষ টিম যৌথভাবে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা কার্যক্রম বা ইন্টেলিজেন্স-লেড অপারেশন শুরু করেছে।

একাধিক সূত্র জানায়, সিলেটের ওপারে ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও মেঘালয় রাজ্যে বিভিন্ন উগ্রবাদী এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন তৎপর। এই সংগঠনগুলোর মাধ্যমেই অস্ত্র ও বিস্ফোরক বাংলাদেশে ঢুকছে। তবে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি অনুসন্ধানে। 

এদিকে দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতির পর, বিশেষ করে জুলাই আন্দোলনের সময় বিভিন্ন থানা ও পুলিশ ফাঁড়ি থেকে লুট হওয়া সরকারি অস্ত্র এবং টিয়ার শেল এখনো সম্পূর্ণ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। লুট হওয়া এসব অস্ত্র এবং সীমান্ত দিয়ে আসা উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক অপরাধীদের হাতে যাওয়ায় এই অঞ্চলের নিরাপত্তাঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে গেছে।

সূত্র বলছে, সীমান্ত এলাকাগুলোতে বিজিবি ও র্যাবের কড়াকড়ির কারণে চোরাকারবারিরা সরাসরি কোনো ব্যক্তি বা বাহক ব্যবহার না করে ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছে। তারা জনমানবহীন ঝোপঝাড়, পরিত্যক্ত ইটভাটা বা ভবনে আগে থেকে এসব চালান লুকিয়ে রাখে। পরে সুযোগ বুঝে দেশের অপরাধী চক্রগুলো নির্দিষ্ট সংকেত বা জিপিএস ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে সেগুলো সংগ্রহ করে। এ কারণেই মূল বহনকারীদের হাতেনাতে ধরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য কঠিন হয়ে পড়ছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানায়, গত মাসে জকিগঞ্জের বারোঠাকুরী ইউনিয়নের সোনাসার এলাকার একটি ইটভাটায় অভিযান চালানো হয়, যা জিরো লাইন বা সীমান্তরেখা থেকে বাংলাদেশের প্রায় দেড় কিলোমিটার ভেতরে অবস্থিত। সেখান থেকে ১১টি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক, ১১টি ডেটোনেটর ও একটি ওয়ান শুটার গান উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার মাত্র দুই দিন আগে মৌলভীবাজারের বড়লেখা সীমান্ত পিলারের ১৩৮৫/এম-এর আনুমানিক ৫০০ গজ ভেতরে দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের তারাদরম এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনটি বিদেশি পিস্তল, তিন কেজি বিস্ফোরক, ২৪টি ডেটোনেটর, ধাতব তার এবং দুটি ধারালো চাপাতি উদ্ধার করা হয়। ওই এলাকা থেকেই গত ২ ফেব্রুয়ারি রাতে ২৪টি বিস্ফোরক, ২৩টি ডেটোনেটর ও তিনটি পাইপগান উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া গত ১৮ জুন রাতে গোলাপগঞ্জের ঢাকা দক্ষিণ ইউনিয়নের উত্তর কানিশাইল এলাকার একটি ঝোপ থেকে একটি দেশীয় ওয়ান শুটারগান, ছয়টি জেল, আটটি ডেটোনেটর এবং থানা থেকে লুট হওয়া দুটি টিয়ারশেল উদ্ধার করে র্যাব-৯। এদিকে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি জকিগঞ্জের কাজলসার ইউনিয়নের রায়গঞ্জ এলাকায় ১৫টি পাওয়ার জেল ও ১৭টি ডেটোনেটর উদ্ধার করা হয়। কানাইঘাট উপজেলার ধর্মপুর এলাকা থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি ১৪টি বিস্ফোরক ও ১৪টি ডেটোনেটর এবং ৩০ জানুয়ারি দিঘিরপাড় ইউনিয়নের কুওরেরমাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত একটি ভবনের ভেতর থেকে, যা সীমান্ত পিলার থেকে সাড়ে ৭ কিলোমিটার ভেতরে, ২৫টি বিস্ফোরক ও ২৭টি ডেটোনেটর উদ্ধার করা হয়। গোয়াইনঘাটের পশ্চিম আলীরগাঁওয়ের সাতাইন এলাকা থেকে ২৯ জানুয়ারি সন্ধ্যায় আটটি বিস্ফোরক ও আটটি ডেটোনেটর এবং ১৫ জানুয়ারি জৈন্তাপুরের কাটাগাঙ এলাকা থেকে ১৪টি বিস্ফোরক ও ডেটোনেটর জব্দ করা হয়। গত ২৩ জানুয়ারি দক্ষিণ সুরমার শিববাড়ী এলাকায় রেলওয়ের পুরাতন টয়লেটের ভেতর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। 

সুনামগঞ্জ জেলাও এই তালিকায় পিছিয়ে নেই। সেখানে গত ২৮ জানুয়ারি রাতে তাহিরপুরের বারেকেরটিলা ওয়াচ টাওয়ারের পাশ থেকে ১ কেজি ১২৫ গ্রাম বিস্ফোরক ও ১৬টি ডেটোনেটর এবং ২৬ ডিসেম্বর চারাগাঁও সীমান্তে ২৪টি ডেটোনেটর উদ্ধার করা হয়। এর আগে ছাতকের ছনবাড়ী সীমান্ত থেকেও বিস্ফোরকসহ একটি বিদেশি রিভলভার উদ্ধার করা হয়। তবে আশঙ্কার কারণ ও রহস্যজনক বিষয় হলো, একের পর এক বিপুল পরিমাণ মারাত্মক অস্ত্র ও বিস্ফোরকের এসব চালান পরিত্যক্ত অবস্থায় ধরা পড়লেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখন পর্যন্ত এর মূল হোতা বা বহনকারী চক্রের কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

র্যাব-৯-এর দেওয়া তথ্যমতে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে শুরু করে চলতি সপ্তাহের রোববার পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ৩৫ কেজি ৭৩০ গ্রাম ভারতীয় বিস্ফোরক ও ২২৪টি ডেটোনেটর উদ্ধার করেছে তারা।  একই সময়ে দেশি-বিদেশি ৪৮টি আগ্নেয়াস্ত্র, ১০৪ রাউন্ড গুলি, ছয়টি ম্যাগাজিন, একটি সাউন্ড গ্রেনেড, পাঁচটি পেট্রোল বোমা, ১১টি ককটেল এবং ১৫৫টি এয়ারগান জব্দ করে র্যাব। 

এ বিষয়ে র্যাব-৯-এর মিডিয়া অফিসার (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ গণমাধ্যমকে জানান, চোরাচালান রোধ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব সার্বক্ষণিক মাঠে কাজ করছে। এই চক্রের পেছনের অপরাধীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। অন্যদিকে সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাকির হোসাইন বলেন, সীমান্ত দিয়ে একের পর এক বিস্ফোরক আসার বিষয়টি মোটেও স্বাভাবিক ঘটনা নয়। এটি গভীর উদ্বেগের বিষয়। পুলিশের একাধিক বিশেষায়িত ইউনিট এর নেপথ্যের কুশীলবদের খুঁজে বের করতে গভীর তদন্ত শুরু করেছে। 

জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়নের ১৯ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জুবায়ের আনোয়ার এবং বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়নের ৫২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আতাউর রহমান সুজন সীমান্ত অভিযানগুলোর নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। সম্প্রতি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিñিদ্র নিরাপত্তা বজায় রাখতে, মাদক ও অস্ত্রের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির গোয়েন্দা তৎপরতা ও সতর্ক অবস্থান জোরদারের কারণে মারাত্মক অস্ত্র ও বিস্ফোরক চোরাচালানগুলো প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে। সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনীটি আরও জানায়, আগামীতেও সীমান্তে এ ধরনের কঠোর ও আভিযানিক তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

এ বিষয়ে সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ আবুল হাসান বলেন, এমন তৎপরতা দেশের জন্য অবশ্যই হুমকির। একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশে প্রতিবেশী দেশ থেকে সীমান্ত পার হয়ে অবৈধভাবে অস্ত্র, বিস্ফোরক এসে ঢুকতে পারে না। বিষয়টি আতঙ্কের। সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও সতর্ক হতে হবে। শক্ত হাতে অস্ত্র ও বিস্ফোরক চোরাচালান দমন ও প্রতিহত করতে হবে।

তবে একে হুমকি হিসেবে মনে করছেন না সিলেট জেলার পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেক। তিনি বলেন, ‘বিস্ফোরক উদ্ধারের বিষয়টি শুনেছি। বিজিবি উদ্ধার করেছে। এসব নাশকতার জন্য দেশে ঢুকছে, না অন্য কোনো কারণে আসছে, তা নিয়ে কোনো গোয়েন্দা তথ্য আমরা জানা নেই। উদ্ধারের বিষয়টি বিজিবির কাছ থেকে শুনেছি। আমরা একে দেশের নিরাত্তার জন্য ঝুঁকি বা হুমকি মনে করছি না। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক রয়েছে।’
 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!