× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

হাসান মাহমুদ

প্রকাশিত: মার্চ ৭, ২০২৬, ০১:২২ এএম

ধ্বংসের মুখে পৃথিবীর অক্সিজেন কারখানা

বিপন্নের পথে রুপালি ইলিশ

হাসান মাহমুদ

প্রকাশিত: মার্চ ৭, ২০২৬, ০১:২২ এএম

বিপন্নের পথে রুপালি ইলিশ

মানুষের নেওয়া প্রতি পাঁচটি নিশ্বাসের একটি আসে সমুদ্রের অতিক্ষুদ্র এক জীব থেকে। এই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র জীব (ফাইটোপ্লাংকটন) পৃথিবীর ২০ শতাংশ অক্সিজেন জোগান দেয়। কিন্তু সেই অদৃশ্য ‘অক্সিজেন কারখানা’ আজ ধ্বংসের মুখে। সমুদ্রের পানি বিষিয়ে ওঠায় ভেঙে পড়ছে প্লাংকটনের প্রাকৃতিক বর্ম, বদলে যাচ্ছে তাদের প্রাণরসায়ন। মূলত জলবায়ু পরিবর্তনের নীরব ঘাতক (উষ্ণতা ও অম্লতা বৃদ্ধি) এখন হানা দিয়েছে সমুদ্রের গভীরে, যার বিষাক্ত ছোবলে বদলে যাচ্ছে ফাইটোপ্লাংকটনের ডিএনএ। এই বিপর্যয় কেবল বৈশ্বিক অক্সিজেন চক্রকেই স্থবির করছে না, বরং সরাসরি আঘাত হানছে আমাদের রুপালি সম্পদ ইলিশের অস্তিত্বে।

সম্প্রতি প্রকাশিত তিনটি আন্তর্জাতিক গবেষণার তথ্যে উঠে এসেছে এমন ভয়াবহ তথ্য। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, প্লাংকটনের এই রাসায়নিক রূপান্তর অব্যাহত থাকলে বঙ্গোপসাগরের বুক থেকে ইলিশের চিরচেনা বিচরণ ও রুপালি ঝিলিক চিরতরে হারিয়ে যাবে।

সচরাচর আমাজনের বনভূমি বা বিশাল অরণ্যকে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয়ে থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে সমুদ্রের উপরিভাগে ভাসমান এককোষী উদ্ভিদ বা ফাইটোপ্লাংকটনগুলোই হলো পৃথিবীর প্রকৃত অক্সিজেন কারখানা। সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় এরা বায়ুম-ল থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড শুষে নেয় এবং বিপুল পরিমাণ অক্সিজেন ত্যাগ করে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘পিবিএস নিউজ আওয়ার’ তাদের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম কিন্তু সবচেয়ে শক্তিশালী এককোষী জীব ‘প্রোক্লোরোকক্কাস’-এর সংকটের কথা তুলে ধরেছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, এই প্লাংকটনগুলোর জেনেটিক বৈচিত্র্য অত্যন্ত সীমিত। কোটি বছর ধরে তারা একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় অভ্যস্ত ছিল। বর্তমান দ্রুত তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে লড়াই করার মতো প্রয়োজনীয় ‘প্রতিরোধী জিন’ এদের শরীরে নেই। প্রোক্লোরোকক্কাস যদি ব্যাপক হারে মারা যায়, তবে বায়ুম-লে অক্সিজেনের স্তর পাতলা হয়ে আসবে, যার প্রভাব পড়বে পৃথিবীর প্রতিটি প্রাণীর ওপর। এটি কেবল পরিবেশগত পরিবর্তন নয়, বরং প্রাণের অস্তিত্বের ওপর সরাসরি আঘাত।

ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির সমুদ্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক পেনি চিশাম, যিনি এই জীবটি (প্রোক্লোরোকক্কাস) আবিষ্কার করেছিলেন, তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘এই ক্ষুদ্র জীবগুলো কোটি বছর ধরে সমুদ্রের ফুসফুস হিসেবে কাজ করছে। কিন্তু বর্তমান তাপমাত্রার দ্রুত পরিবর্তন এদের জেনেটিক গঠনকে এমনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে যে, তারা অক্সিজেন উৎপাদনের স্বাভাবিক ক্ষমতা হারাতে পারে। এটি পুরো গ্রহের বায়ুম-লের জন্য এক অশনিসংকেত।’

এদিকে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রের পানি অস্বাভাবিক উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। এই তাপ থেকে বাঁচতে ফাইটোপ্লাংকটনগুলো তাদের কোষের ভেতরকার রাসায়নিক গঠন বদলে ফেলছে। আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘আর্থ ডট কম’-এ প্রকাশিত একটি গবেষণায় উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। উচ্চ তাপমাত্রায় টিকে থাকার জন্য প্লাংকটনগুলো তাদের শরীরের ফসফরাস ব্যবহারের ধরন বদলে ফেলছে। ফসফরাস হলো ডিএনএ এবং প্রোটিন তৈরির মূল ভিত্তি।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই ‘সারভাইভাল স্ট্র্যাটেজি’ বা টিকে থাকার লড়াইয়ের ফলে প্লাংকটনগুলো হয়তো এখনই বিলুপ্ত হচ্ছে না, কিন্তু তাদের শরীরের স্বাভাবিক পুষ্টিগুণ নাটকীয়ভাবে কমে যাচ্ছে। সমুদ্রের খাদ্যশৃঙ্খলে ফাইটোপ্লাংকটন হলো প্রাথমিক উৎপাদক। আমাদের জাতীয় সম্পদ ইলিশ মূলত একটি ‘ফিল্টার ফিডার’ মাছ; এরা সরাসরি সমুদ্রের পানি ছেঁকে এই ফাইটোপ্লাংকটন ও জুপ্লাংকটন খেয়ে বাঁচে। যখন খাদ্যের গোড়াতেই (প্লাংকটনে) পুষ্টির অভাব দেখা দেয়, তখন কোনো মাধ্যম ছাড়াই তা সরাসরি ইলিশের শরীরের ওপর আঘাত হানে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইলিশের প্রধান খাদ্যের এই গুণগত মান হ্রাস পাওয়া মানেই মাছের স্বাভাবিক দৈহিক বৃদ্ধি থমকে যাওয়া এবং এর বিশ্বখ্যাত স্বাদে ভাটা পড়া।

এই গবেষণার প্রধান গবেষক এবং ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার বিজ্ঞানী ড. অ্যাডাম মার্টিনি বলেন, ‘প্লাংকটনগুলো মরছে না ঠিকই, কিন্তু তারা টিকে থাকার জন্য তাদের শরীরের প্রোটিন ও পুষ্টির গঠন বদলে ফেলছে। এর ফলে সমুদ্রের পুরো ‘ফুড চেইন’ বা খাদ্যশৃঙ্খল পুষ্টিহীনতায় ভুগবে। বড় মাছগুলো আগের মতো পুষ্টিকর খাবার আর পাবে না।’

মেরিন বায়োলজিস্টদের মতে, প্লাংকটন হলো সমুদ্রের ঘাস। যদি চারণভূমি পুষ্টিহীন হয়ে পড়ে, তবে সেখানকার গবাদিপশুর স্বাস্থ্য যেমন ভেঙে পড়ে, ইলিশের ক্ষেত্রেও তাই ঘটছে। প্লাংকটনের ডিএনএ পরিবর্তন মানে হলো পুরো সমুদ্রের ‘সফটওয়্যার’ বদলে যাওয়া।

এ ছাড়া প্লাংকটন কেবল অক্সিজেন দেয় না, তারা সমুদ্রের তলদেশে কার্বন জমা করে। এদের মৃত্যু মানে সমুদ্র আর কার্বন শুষতে পারবে না, ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা দ্রুত বাড়বে।

বঙ্গোপসাগরের নীল অর্থনীতি ও বাস্তুসংস্থান নিয়ে কাজ করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেসের অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান চৌধুরী, যিনি সমুদ্রবিজ্ঞানী। তিনি বিভিন্ন সময় প্লাংকটন স্তরের পরিবর্তনকে সমুদ্রের ‘সিস্টেম লস’ বা চেইন রিঅ্যাকশনের সঙ্গে তুলনা করেছেন।

অন্যদিকে সমুদ্র এখন শুষে নিচ্ছে বায়ুম-লের বাড়তি কার্বন। ফলে সমুদ্রের পানির পিএইচ লেভেল কমে যাচ্ছে এবং পানি হয়ে উঠছে অম্লীয় বা অ্যাসিডিক। আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘সায়েন্স ডেইলি’তে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, এই অম্লতার কারণে ‘কোকোলিথোফোরস’ নামক ক্যালসিয়াম কার্বনেট দিয়ে তৈরি বর্মধারী প্লাংকটনগুলো বিপদে পড়েছে।

অ্যাসিডিক পানি এই প্লাংকটনগুলোর শরীরের শক্ত খোলস বা বর্ম গলিয়ে দিচ্ছে। এই কোকোলিথোফোরসগুলো সমুদ্রের পানিকে সূর্যের আলো প্রতিফলিত করার মাধ্যমে ঠান্ডা রাখতে এবং বায়ুম-লের কার্বন শুষে নিয়ে সমুদ্রতলে জমা করতে বিশাল ভূমিকা রাখে। এদের বর্ম ধ্বংস হওয়া মানে সমুদ্রের তাপ শোষণ ক্ষমতা আরো বেড়ে যাওয়া। ফলে বঙ্গোপসাগরের মতো এলাকায় সাগরের উপরিভাগ বেশি উত্তপ্ত হয়ে ঘন ঘন লঘুচাপ ও শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় তৈরি করবে, যা বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য এক ভয়াবহ দুর্যোগের বার্তা।

বাংলাদেশের অর্থনীতি ও ঐতিহ্যের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো ইলিশ। এদেশের ‘ব্লু ইকোনমি’ বা নীল অর্থনীতির সাফল্যের বড় অংশ জুড়ে আছে এই রুপালি ফসল। কিন্তু প্লাংকটন চক্রের এই বিপর্যয় সরাসরি ইলিশের ওপর তিনটি মারাত্মক প্রভাব ফেলবে।

স্বাদ ও আকার পরিবর্তন

ইলিশের অনন্য স্বাদ ও উজ্জ্বল রুপালি রঙের প্রধান কারণ হলো সমুদ্রের উচ্চ পুষ্টিগুণসম্পন্ন প্লাংকটন। খাদ্য হিসেবে প্লাংকটনের পুষ্টিমান কমে গেলে ইলিশ পর্যাপ্ত ফ্যাট ও প্রোটিন পাবে না। ফলে আগামী এক দশকে ইলিশের গড় ওজন ১ কেজি থেকে কমে ৫০০-৬০০ গ্রামে নেমে আসতে পারে এবং এর বিশ্বখ্যাত স্বাদেও ভাটা পড়বে।

মাইগ্রেশন রুটের বিচ্যুতি

ইলিশ অত্যন্ত সংবেদনশীল পরিযায়ী মাছ। সমুদ্রের তাপমাত্রা ও এসিডিটি বৃদ্ধি পেলে ইলিশ তাদের প্রজনন ও চলাচলের জন্য নিরাপদ পরিবেশের খোঁজে রুট বদলে ফেলতে পারে। এ ছাড়া, ইলিশের ডিমের বহিরাবরণ পাতলা হয়ে যায়, ফলে প্রজনন হার কমে যায়। এমনটা হলে বাংলাদেশের জলসীমা থেকে ইলিশ অন্য দেশের সীমানায় বা শীতল গভীর সমুদ্রে চলে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।

‘ডেড জোন’ বা মৃত অঞ্চলের বিস্তার

প্লাংকটন যখন অক্সিজেন তৈরি করতে পারে না, তখন সমুদ্রের বিশাল এলাকা অক্সিজেনহীন হয়ে পড়ে। বঙ্গোপসাগরের প্রায় ৬০ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকায় অক্সিজেনের মাত্রা অত্যন্ত কম, বিজ্ঞানীদের কেউ কেউ এটাকে ‘ডেড জোন’ বা ‘অক্সিজেন মিনিমাম জোন’ বলেন।

ড. সাইদুর রহমান চৌধুরী তার গবেষণায় দেখিয়েছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এই এলাকাটি আরও বিস্তৃত হচ্ছে। ফলে বঙ্গোপসাগরের গভীরে যদি এমন অঞ্চল ছড়িয়ে পড়ে, তবে মাছের প্রজনন ক্ষেত্রগুলো ধ্বংস হয়ে যাবে এবং সামগ্রিক মৎস্য উৎপাদন ব্যাপক হারে হ্রাস পাবে।

বঙ্গোপসাগর ও ইলিশের ওপর দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক এবং ইলিশ গবেষক ড. আনিছুর রহমান। সাগরে প্লাংকটনের এই সংকটের প্রভাব নিয়ে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ইলিশ মূলত প্লাংকটনভোজী মাছ। সমুদ্রের ফাইটোপ্লাংকটন ও জুপ্লাংকটনই ইলিশের চর্বি ও স্বাদের প্রধান উৎস। যদি প্লাংকটনের জেনেটিক বা রাসায়নিক গঠন বদলে যায়, তবে ইলিশের মেটাবলিজম বা হজম প্রক্রিয়ায় সমস্যা হবে। সেই সঙ্গে বঙ্গোপসাগরে অম্লতা বাড়বে যা ইলিশের ডিম ছাড়ার পরিবেশকে বিষাক্ত করে তুলবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যেই দেখছি ইলিশের স্বাদ ও আকারে কিছুটা পরিবর্তন আসছে। সাগরের পরিবেশ প্রতিকূল হলে ইলিশ তার গতিপথ পরিবর্তন করে গভীর সমুদ্রের দিকে চলে যেতে পারে, যা আমাদের মৎস্য আহরণকে কঠিন করে তুলবে।’

অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমানের মতে, ইলিশ একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল মাছ। অক্সিজেন কম থাকলে বা তাপমাত্রা বাড়লে ইলিশ সেই এলাকা ছেড়ে চলে যায়। যদি এই ‘ডেড জোন’ বৃদ্ধি পায়, তবে ইলিশের বিচরণক্ষেত্র ছোট হয়ে আসবে এবং মাছ আহরণ কঠিন হয়ে পড়বে। এ ছাড়া সাগরের উপরিভাগের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় পানির স্তর বিন্যাস বদলে যাচ্ছে। এতে গভীর সমুদ্রের পুষ্টি উপাদান উপরে আসতে পারে না। ফলে ফাইটোপ্লাংকটনের ঘনত্ব কমে যাচ্ছে, যা ইলিশের প্রধান খাদ্য।

তবে সমুদ্রের এই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র জীবের অস্তিত্ব রক্ষা এবং ইলিশের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে বিশেষজ্ঞগণ জরুরি ভিত্তিতে কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। সেগুলো হলোÑ প্লাংকটনের ডিএনএ পরিবর্তন ঠেকাতে হলে বৈশ্বিক উষ্ণতা ১.৫ ডিগ্রির নিচে রাখতে হবে। আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলনে বাংলাদেশকে ‘সমুদ্রের ক্ষুদ্র বাস্তুসংস্থান’ রক্ষার দাবি জোরালোভাবে তুলতে হবে। বঙ্গোপসাগরের পানির পিএইচ লেভেল এবং প্লাংকটনের ঘনত্ব পর্যবেক্ষণের জন্য গভীর সমুদ্রে সেন্সর ও রিসার্চ স্টেশন স্থাপন করা। সমুদ্রের ওপর চাপ কমাতে ইলিশের নার্সারি ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত নদী ও মোহনাগুলোতে শিল্পবর্জ্য ও প্লাস্টিক দূষণ কঠোরভাবে বন্ধ করা। সাগরে নির্দিষ্ট কিছু অংশকে ‘সম্পূর্ণ সংরক্ষিত এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা করা, যাতে সেখানে প্লাংকটন ও মাছের প্রজনন বাধাগ্রস্ত না হয়। ইলিশের জেনেটিক বৈচিত্র্য রক্ষার জন্য দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা ও সংরক্ষণ প্রকল্প গ্রহণ করা এবং সমুদ্রের ক্ষুদ্র জীব ও ইলিশের সম্পর্ক রক্ষায় স্থানীয় জেলেরা ও বিজ্ঞানীদের সমন্বয়ে কাজ করার ওপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!