× UCB Sticker Card
রবিবার, ০৭ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ৭, ২০২৬, ০৬:০৩ এএম

উবারচালককে খুন

‘হানি ট্র্যাপে’ ফেলে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার ৪

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ৭, ২০২৬, ০৬:০৩ এএম

‘হানি ট্র্যাপে’ ফেলে হত্যার  অভিযোগে গ্রেপ্তার ৪

‘হানি ট্র্যাপে’ ফেলে উবারচালক লোকমান সরদারকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পর ঘাতকেরা চালক লোকমানের মরদেহ বস্তাবন্দি করে ফেলে রেখে তার উবার (গাড়ি) লুট করে নিয়ে যায়। গত ১ জুন এ হত্যকা-ের সঙ্গে চারজনকে গ্রেপ্তার করার পর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এমন তথ্য পেয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে ঢাকার আগারগাঁওয়ে পিবিআই ঢাকা মেট্রোর (উত্তর) কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তাদের গ্রেপ্তারের তথ্য জানানো হয়।

পিবিআই জানিয়েছে, লোকমান হত্যায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন এস এম সালমান (২৯), জান্নাতুল ফেরদৌস মীম ওরফে আনিবা জারা (২১), আদিব ইসলাম (১৯) ও সবুজ মিয়া (৩৫)। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে এস এম সালমান হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।

পিবিআই জানিয়েছে, গত ১ জুন দক্ষিণখানের ফায়দাবাদ রাজাবাড়ী ঘাট এলাকায় তুরাগ নদেতে প্লাস্টিকের বস্তার ভেতরে তার লাশ পাওয়া যায়। পরে জানা যায় মরদেহটি একজন গাড়িচালকের। ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করে জানা যায়, ওই গাড়িচালকের নাম লোকমান সরদার (৩৮)।  লাশ উদ্ধারের পর এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী ফারজানা আক্তার হত্যা মামলা করেন। মামলাটি সম্পূর্ণ ‘ক্লুলেস’ ছিল। কারা কী কারণে ওই চালককে হত্যা করেছে, সে রকম কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি তাৎক্ষণিকভাবে। পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল, ওই গাড়িচালককে নির্মমভাবে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে এবং গায়ের চামড়া ছিলে হত্যা করা হয়।

পিবিআইয়ের এই কর্মকর্তা বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহযোগিতায় জানা গেছে, ঘটনার আগে চালক লোকমানকে টঙ্গীর পাখির বাজার এলাকার হোন্ডা রোডে ডেকে নেন গ্রেপ্তার এস এম সালমানের কথিত স্ত্রী মীম। সেখানে পরিকল্পনা অনুযায়ী সালমান, আদিব, রাকিব, সবুজসহ আরও চার-পাঁচজন লোকমান হোসেনকে মাদক সেবনের কথা বলে মারধর করে। পরে তার কাছ থেকে মুক্তিপণ হিসেবে ১০ হাজার টাকা আদায় করে। এরপরই তাকে হত্যার পর হাত-পা বেঁধে বস্তায় ভরে নদীতে ফেলে তারা গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়  ঘাতকেরা।

তিনি বলেন, মামলাটি পুলিশের পাশাপাশি ছায়া তদন্ত করে পিবিআই। তথ্যপ্রযুক্তি ও বিভিন্ন প্রমাণের ভিত্তিতে এ হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িতদের প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা হয়। তদন্তের একপর্যায়ে কক্সবাজারের কলাতলী এলাকা থেকে আদিব ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যে সালমান ও মীমকে ধরা হয় ঢাকার খিলক্ষেতের পূর্ব নামাপাড়া থেকে। আর সবুজ মিয়া গ্রেপ্তার হন টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকা থেকে। গ্রেপ্তারকৃতদের তথ্যে গাজীপুরের গাছা থানা এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় চালকের ছিনিয়ে নেওয়া কারটি উদ্ধার করা হয়।

পিবিআইয়ের কর্মকর্তা অতিরিক্ত ডিআইজি মো. এনায়েত হোসেন মান্নান জানান, এস এম  সালমান ও মিম কখনো স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে, কখনো ভাই-বোন, কখনো বন্ধু পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় বাসা ভাড়া নেয়। বাসা ভাড়া নেওয়ার পর মীমের মাধ্যমে ওই বাসায় অনৈতিক কর্মকা-ের সুযোগ আছে জানিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে টার্গেট করে ডেকে আনা হয়। এরপর তাদের জিম্মি করে সবকিছু লুট করে। এই চক্রের মূল টার্গেট থাকে বিভিন্ন উবারচালক অথবা গণপরিবহনের চালকেরা। পাশাপাশি অন্যান্য শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিদেরও টার্গেট করা হয়।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!