জাতীয় শিক্ষাক্রমে ‘ফোর-ওয়ে টেস্ট’ অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। দেশের শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, সততা ও সামাজিক মূল্যবোধ বিকাশে এটি যুক্ত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে কোন শ্রেণির পাঠ্যক্রমে যুক্ত হবে, সে বিষয় এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
গতকাল শুক্রবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে রোটারি বাংলাদেশ আয়োজিত এক সেমিনারে এ তথ্য জানান শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সেমিনারে রোটারিয়ানরা শিক্ষার্থীদের পাঠ্যক্রমে ‘ফোর-ওয়ে টেস্ট’ অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান।
প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। তিনি জানান, শিক্ষাক্রম বিশেষজ্ঞরা ‘ফোর-ওয়ে টেস্ট’ পর্যালোচনা করবেন এবং এটি ষষ্ঠ শ্রেণি বা অন্য কোনো শ্রেণির পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব কি না, তা যাচাই করবেন।’ ফোর-ওয়ে টেস্ট হলোÑ আমরা যা চিন্তা করি, বলি ও করি, তা যাচাই করার জন্য চারটি প্রশ্ন।
প্রশ্নগুলো হলো: এটি কি সত্য? এটি কি সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি ন্যায়সংগত? এটি কি সদ্ভাব ও ভালো বন্ধুত্ব গড়ে তুলবে? এটি কি সংশ্লিষ্ট সবার জন্য উপকারী হবে? এই চার প্রশ্নের উত্তর যদি ‘হ্যাঁ’ হয়, তাহলে সেই চিন্তা, কথা বা কাজকে নৈতিক ও সঠিক বলে বিবেচনা করা যায়।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘দেশের জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে সরকার শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। একই সঙ্গে কর্মমুখী ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ খাতের সম্প্রসারণ ও মানোন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।’

