× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ২৯, ২০২৬, ১১:৩৮ পিএম

মঞ্জুর অভিযোগ

জুলাই সনদের সঙ্গে ৩১ দফাও মানছে না সরকার

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ২৯, ২০২৬, ১১:৩৮ পিএম

জুলাই সনদের সঙ্গে  ৩১ দফাও মানছে  না সরকার

এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, শুধু জুলাই সনদ না, ক্ষমতায় আসার পর বিএনপি সরকার তাদের ঘোষিত ৩১ দফা রাষ্ট্র মেরামত কর্মসূচি বাস্তবায়নের নীতিও মানছে না। তাদের প্রাথমিক কার্যক্রমে মনে হচ্ছে, ক্রমশ তারা পুরোনো দলীয়করণ নীতিতেই চলছে এবং চলবে।

গতকাল রোববার কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) ও দৈনিক সমকালের যৌথ আয়োজনে ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত সংস্কার : জনপ্রত্যাশা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

বৈঠকে বিএনপির ৩১ দফা রাষ্ট্র মেরামত কর্মসূচির ১৭ নম্বর দফা পাঠ করে তিনি বলেন, ‘বিএনপি বলেছে, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ খাতে দায়মুক্তি আইনসহ সব কালাকানুন বাতিল করা হবে এবং রাষ্ট্রীয় অর্থনীতিতে রক্তক্ষরণ রোধ করার লক্ষ্যে জনস্বার্থবিরোধী কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো থেকে বিদ্যুৎ কেনায় চলমান সীমাহীন দুর্নীতি বন্ধ করা হবে’। বাস্তবে ৩১ দফার ১, ৮ ও ৯ নম্বর দফা শুরুতেই বিএনপি রক্ষা করেনি বলে তিনি অভিযোগ করেন।

শাহেদ মোহাম্মদ আলীর সঞ্চালনায় সভায় সূচনা বক্তব্য রাখেন ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম। বৈঠকে ধারণাপত্র তুলে ধরেন ক্যাবের প্রতিনিধি শুভ কিবরিয়া। গোলটেবিলে অনলাইনে যুক্ত হন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বক্তব্য রাখেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, সিপিডির গবেষক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম, বাসদের বজলুর রশীদ ফিরোজ, ক্যাব সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবীর ভূঁইয়া, এনসিপি, গণসংহতি আন্দোলন, সিপিবি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ রাজনৈতিক ও নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ।

মঞ্জু তার বক্তব্যে আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে বিদ্যুতের চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াট কিন্তু বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ৩২ হাজারেরও বেশি উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ইনফ্রাস্টাকচার তৈরি করা হয়েছে। এর পেছনে বছরে ৯১ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জের নামে দুর্নীতি করা হয়েছে।’

তিনি প্রশ্ন রাখেন, নির্বাচনে বড় বড় ঋণখেলাপিরা অংশ নিয়ে এমপি হবার পর তারা কীভাবে এই দুর্নীতি ও অপচয় থেকে দেশকে উদ্ধার করবে প্রশ্ন রাখেন মঞ্জুু।

তিনি বলেন, ‘এই সংসদকে আমরা পর্যবেক্ষণ করব, তারা যদি রাষ্ট্রের সমস্যাকে প্রাধান্য না দিয়ে অতীতের মতো অহেতুক রাজনৈতিক বিতর্ক নিয়ে সময় কাটায় তাহলে আমরা যারা নির্বাচনে জিততে পারিনি কিন্তু বিপুলসংখ্যক নাগরিকের সমর্থন পেয়েছি তারা একটি ছায়া সংসদ তৈরি করতে বাধ্য হবো’।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ক্ষেত্রে দেশের সংকট সমাধানের বিষয়ে জনগণকে সচেতন করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে মঞ্জু বলেন, ‘ক্যাবের উচিত হবে শুধু সিভিল সোসাইটি বা রাজনীতিবিদদের নিয়ে মিটিং নয়, এর পাশাপাশি সাধারণ জনগণ অর্থাৎ কনজুমারদের সচেতন করার জন্যও তাদের উদ্যোগ নেওয়া’।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!