মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, আমরা সরকারি দল ও বিরোধী দল মিলে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চাই। জুলাই সনদকে অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করতে চাই। এ ব্যাপারে সরকার সম্পূর্ণ আন্তরিক। গতকাল বৃহস্পতিবার রংপুর নগরীতে জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, দুই বছর আগে আজকের দিনে জুলাই আন্দোলনে রংপুরের কৃতী সন্তান আবু সাঈদ পুলিশের গুলিতে শহিদ হন। এই ১৬ জুলাইকে সম্মান জানিয়ে বাংলাদেশ সরকার জাতীয় জুলাই শহিদ দিবস ঘোষণা করেছে। এই দিবস রংপুরসহ সারা দেশে ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালিত হচ্ছে। তিনি বলেন, জুলাই শহিদ আবু সাঈদ ও ওয়াসিম আকরামসহ চৌদ্দশ লড়াকু সৈনিকের আত্মত্যাগ এবং গোটা জাতির ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ থেকে ফ্যাসিবাদ বিতাড়িত হয়েছে। আর ফ্যাসিবাদকে তাড়ানোর মধ্য দিয়ে আমরা গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করতে পেরেছি।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, জুলাইয়ের চেতনা হবেÑ শহিদ আবু সাঈদ ও ওয়াসিমসহ ১৪শ লড়াকু সৈনিকের আত্মত্যাগে গণতন্ত্রকে সুসংহত করা এবং দেশটাকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। এজন্য আমরা জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে কাজ করছি। আমরা জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে এই দেশটাকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে চাই। তিনি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে শহিদ আবু সাঈদের স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে রক্তক্ষয়ী জুলাইয়ের আলোকচিত্র পরিদর্শন করেন এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত স্মৃতিচারণমূলক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন।
এ সময় সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট রেজেকা সুলতানা ফেন্সি, রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন নবী ডন, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু, রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুল ইসলাম, রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলাম ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. শওকাত আলী উপস্থিত ছিলেন।

