× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মাটিখেকোদের থাবায় বিলীন ফসলি জমি

শিবালয় (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২, ২০২৬, ০৬:৫০ এএম

মাটিখেকোদের থাবায়  বিলীন ফসলি জমি

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে অবাধে চলছে তিন ফসলি কৃষিজমির উপরিভাগের উর্বর মাটি (টপসয়েল) কাটার মহোৎসব। উপজেলার উলাইল ইউনিয়নের বিরাজপুর এলাকায় দিন-রাত এক্সকাভেটর (ভেকু) দিয়ে আবাদি জমির মাটি কেটে ইটভাটাসহ বিভিন্ন স্থানে চড়া দামে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে। এই অবৈধ কর্মকা-ের ফলে বিস্তীর্ণ ফসলি জমি গভীর গর্ত ও ডোবায় পরিণত হচ্ছে, যা দীর্ঘ মেয়াদে খাদ্য উৎপাদন ও পরিবেশের জন্য চরম বিপর্যয় ডেকে আনছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত পাঁচ দিন ধরে বিরাজপুর এলাকায় প্রভাবশালী চক্রটি বিকট শব্দে এক্সকাভেটর দিয়ে মাটি খনন করে যাচ্ছে। ফসলি জমির গভীর থেকে মাটি কেটে নেওয়ায় পাশের আবাদি জমিগুলো ধসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী জানান, স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা হালিম, উজ্জ্বল, সাইদুর ও বাবু ওরফে চান মিয়া এই মাটি কাটার সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত। তাদের ভয়ে কেউ মুখ খোলার সাহস পাচ্ছেন না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছিক এক কৃষক আক্ষেপ করে বলেন, ‘আমাদের চোখের সামনে ফসলি জমি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, তবু বাধা দেওয়ার সাহস পাচ্ছি না। বাধা দিলে এলাকায় বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়বে।’

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সাইদুরের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘কে বা কারা আমার নাম বলেছে জানি না। তবে শুনেছি, বাবু ওরফে চান এই মাটি কাটার সঙ্গে জড়িত, আপনি তাদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন।’

অভিযুক্ত বাবু মাটি কাটার সত্যতা স্বীকার করে দাবি করেন, ‘এখানে একটি পুরাতন পুকুর ছিল, সেটিই খনন করছি। কিছু মাটি বাইরে বিক্রি হচ্ছে ঠিকই, তবে কারো ফসলি জমি নষ্ট হচ্ছে না।’

সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, পুকুর খননের নামে মূলত আবাদি জমির শ্রেণি পরিবর্তন ও উর্বর মাটি সাবাড় করা হচ্ছে।

এলাকাবাসীর দাবি, কেবল মৌখিক আশ্বাস নয়, বরং দ্রুত প্রশাসনিক অভিযানের মাধ্যমে এই মাটি কাটা বন্ধ করা হোক। অন্যথায় শিবালয়ের কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ অবকাঠামো অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল নাঈম বলেন, ‘তিন ফসলি জমি কেটে মাটি বিক্রি করা সম্পূর্ণ অবৈধ। যারা এর সঙ্গে জড়িত, তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!