জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার ঝাউগড়া ইউনিয়নের মধ্য ঝাউগড়া গ্রামে এক রাতেই ১৩টি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। সংঘবদ্ধ চোরচক্রের এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে হতাশা নেমে এসেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে সবাই নিজ নিজ ঘরে অবস্থান করছিলেন। সেই সুযোগে চোরেরা বিভিন্ন বাড়ির গোয়ালঘরে ঢুকে গরুগুলো চুরি করে নিয়ে যায়। সকালে ঘুম থেকে উঠে গরু না পেয়ে হতবাক হয়ে পড়েন মালিকরা। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে গ্রামজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ভুক্তভোগী কৃষকরা জানান, কোরবানির ঈদ সামনে রেখে দীর্ঘদিন ধরে লালন-পালন করে গরুগুলো বড় করেছিলেন তারা। এক রাতেই সব হারিয়ে অনেকেই দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। কেউ কেউ জানান, এসব গরু বিক্রির টাকায় সংসার চালানোর পরিকল্পনা ছিল তাদের।
চুরি হওয়া গরুর মধ্যে রুবেল সরকারের ৪টি, কালাম মুসুল্লির ৩টি, আল-আমিন মিয়ার ২টি, হেলাল সুতারের ১টি, বকজুলের ১টি এবং মনোহর মিয়ার ২টি গরু রয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, এর আগেও এলাকায় একাধিক গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। তবে তা রোধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে চোরচক্র আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
এ বিষয়ে মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওবায়দুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। চোরদের শনাক্ত এবং চুরি হওয়া গরু উদ্ধারে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় এলাকায় পুলিশ টহল জোরদারসহ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন