× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

প্রতিবন্ধী বাবা-ছেলের ভাগ্যে জোটেনি ভাতার কার্ড

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ৫, ২০২৬, ০৭:০০ এএম

প্রতিবন্ধী বাবা-ছেলের ভাগ্যে  জোটেনি ভাতার কার্ড

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার পাটুয়াভাঙ্গা ইউনিয়নের পাড়িয়াপাড়া পাঁচলগোটা গ্রামের এক পরিবার দীর্ঘদিন ধরে সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। একই পরিবারের বাবা ও ছেলে দুজনই প্রতিবন্ধী হলেও এখনো তারা পাননি প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৫ বছর ধরে দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে জীবিকা হারিয়েছেন মানিক মিয়া (৪০)। জন্ম থেকেই তার একমাত্র ছেলে নাদিম হোসেন (১১) শারীরিক ও বাগ প্রতিবন্ধী। পরিবারে কোনো স্থায়ী আয়ের উৎস না থাকায় চরম অভাব-অনটনের মধ্যে দিন কাটছে তাদের। আর্থিক সংকটের কারণে সন্তানের নিয়মিত চিকিৎসাও করাতে পারছেন না মানিক মিয়া।

ভুক্তভোগী মানিক মিয়া জানান, প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ডের জন্য তিনি বহুবার ইউনিয়ন পরিষদ ও সমাজসেবা কার্যালয়ে গিয়েছেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলেও কোনো সুরাহা পাননি। এমনকি সাবেক এক মহিলা সদস্যের স্বামীর কাছে টাকা দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি। তবে তাতেও কাজ হয়নি বলে দাবি তার। তিনি বলেন, একজনের জন্য হলেও ভাতা পেলে সংসার কিছুটা চলত, কিন্তু এখন অত্যন্ত কষ্টে দিন পার করতে হচ্ছে।

পরিবারের আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। বড় মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন, ছোট মেয়ে স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। স্ত্রী নাদিরা বেগম গৃহিণী হলেও সংসারের ভার সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন।

এ বিষয়ে পাটুয়াভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আতাউর রহমান সুরুজ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়নে প্রতিবন্ধী ভাতার নতুন বরাদ্দ ছিল না। সম্প্রতি বরাদ্দ এসেছে এবং সংশ্লিষ্ট পরিবার যোগাযোগ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রূপম দাস জানান, ভুক্তভোগী পরিবার বা তাদের প্রতিনিধি যোগাযোগ করলে যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয়দের দাবি, প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিত এই পরিবারকে দ্রুত প্রতিবন্ধী ভাতার আওতায় আনা জরুরি। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!