× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ৯, ২০২৬, ০৮:০০ এএম

ভাঙনের ১০০ মিটার দূরে বালু উত্তোলন

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ৯, ২০২৬, ০৮:০০ এএম

ভাঙনের ১০০ মিটার  দূরে বালু উত্তোলন

মানিকগঞ্জের কালীগঙ্গা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকায় নদীরক্ষা বাঁধের মাত্র ১০০ মিটার দূরে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করে সেই বালু দিয়ে জিও ব্যাগ ভরে ভাঙন রোধে কাজ করার অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, এ কাজে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা রয়েছে। ঘটনাটি সদর উপজেলার পুটাইল ইউনিয়নের লেমুবাড়ী এলাকায় কালীগঙ্গা নদীতে।

গতকাল বুধবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, লেমুবাড়ী এলাকায় নদীভাঙন রোধে আগে ব্লক ফেলে তীর সংরক্ষণের কাজ করা হয়েছিল। তবে নদীতীরের দুটি অংশে নতুন করে ভাঙন দেখা দেওয়ায় কয়েকটি ব্লক সরে গেছে। এসব স্থানে জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন ঠেকাতে ভাঙনকবলিত অংশ থেকে আনুমানিক ১০০ মিটার দূরে নদীর মধ্যে ট্রলারে স্থাপিত ড্রেজারের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। পরে সেই বালু দিয়ে জিও ব্যাগ ভর্তি করে অন্য একটি ট্রলারের মাধ্যমে ভাঙনকবলিত স্থানে ফেলা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওয়ার্ক অ্যাসিস্ট্যান্ট কামাল হাসানকে কাজ তদারকি করতে দেখা যায়। এ সময় সাব-ঠিকাদারের এক প্রতিনিধিও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

ভাঙনকবলিত এলাকার এত কাছ থেকে বালু উত্তোলনে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগ, যেখানে নদীভাঙন চলছে, তার অদূর থেকেই বালু উত্তোলন করে আবার একই স্থানে ফেলা হচ্ছে। এতে নদীতীরের স্থিতিশীলতা আরও দুর্বল হয়ে ভাঙনের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

স্থানীয় বাসিন্দা আবুল হোসেন বলেন, ‘নদীর পাড় ভেঙে গেলেও আমাদের কিছু বলার নেই। আমরা সাধারণ মানুষ। আমাদের কথা কে শুনবে, কার কাছেই বা বলব?’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী বলেন, ‘এখান থেকে বালু তোলার কারণে আমাদের বাড়িঘর ও ফসলি জমি যেকোনো সময় নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে। যারা এ কাজ করছে, তারা প্রভাবশালী। তাই প্রতিবাদ করার সাহস পাই না।’

অভিযোগের বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওয়ার্ক অ্যাসিস্ট্যান্ট কামাল হাসান বলেন, ‘নদীর এক পাশে চর জেগে উঠলে অন্য পাশে ভাঙন দেখা দেয়। নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ঠিক রাখতে চর কেটে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।’

তবে ভাঙনকবলিত অংশের এত কাছে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলনের বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, ‘ভাঙনের পাশে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করে জিও ব্যাগ ভরার কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে লোক পাঠিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’ এ বিষয়ে সাব-ঠিকাদার ওবাইদুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, ‘ওই স্থান থেকে আর বালু উত্তোলন করা হবে না। আমি এখনই ড্রেজার সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিচ্ছি।’

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাব-ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার (এসডিই) আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘ড্রেজার মেশিন সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। ভাঙনকবলিত অংশের উজান কিংবা ভাটি থেকে প্রয়োজনীয় বালু উত্তোলনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!