× UCB Sticker Card
বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রাজীব আহসান মান্নু, শিবালয়

প্রকাশিত: জুলাই ১৫, ২০২৬, ০৭:২৮ এএম

ইছামতি থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনে ভাঙন আতঙ্ক

রাজীব আহসান মান্নু, শিবালয়

প্রকাশিত: জুলাই ১৫, ২০২৬, ০৭:২৮ এএম

ইছামতি থেকে অবৈধ বালু  উত্তোলনে ভাঙন আতঙ্ক

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার উলাইল ইউনিয়নে নতুন ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের ভিটি ভরাটের নামে ইছামতি নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি বরাদ্দের কাজ করতে গিয়ে নদী থেকে ড্রেজারের মাধ্যমে মাটি কাটায় নদীভাঙনের আশঙ্কায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে টেস্ট রিলিফ (টিআর) প্রকল্পের আওতায় উলাইল ইউনিয়ন পরিষদের নতুন ভিটি ভরাটের জন্য আড়াই লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বাইরে থেকে মাটি এনে ভিটি ভরাট করার কথা থাকলেও অভিযোগ রয়েছে, পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ইছামতি নদী থেকে ড্রেজারের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করে ওই কাজ করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বর্ষা মৌসুমে এমনিতেই ইছামতি নদীতে ভাঙনের ঝুঁকি থাকে। এর মধ্যে নদীর তীর থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করা হলে আশপাশের বসতবাড়ি ও কৃষিজমি হুমকির মুখে পড়বে। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি জানান।

সরেজমিনে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ইছামতি নদীতে দেশীয় ড্রেজার বসিয়ে দিন-রাত বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এ কাজে স্থানীয় রতন নামের এক ব্যক্তি ড্রেজার পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ড্রেজারচালক রতন বলেন, ‘আমার নিজস্ব কোনো অনুমতি নেই। চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান আমাকে কাজ দিয়েছেন। তার নির্দেশেই ড্রেজার দিয়ে মাটি কেটে পরিষদের ভিটি ভরাট করছি। এর বাইরে আমি কিছু জানি না।’

স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি প্রকল্পের নামে প্রতি বছর বিভিন্ন বরাদ্দ এলেও অনেক ক্ষেত্রে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন থাকে। তাদের দাবি, সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি নদী রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

এ বিষয়ে উলাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আনিসুর রহমান ভিটি ভরাটের বিষয়টি স্বীকার করলেও নদী থেকে অবৈধভাবে ড্রেজারের মাধ্যমে বালু উত্তোলন এবং নদীভাঙনের অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিষা রাণী কর্মকার বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে আগে অবগত ছিলাম না। আপনার মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরেছি। এ বিষয়ে দ্রুত খোঁজখবর নিয়ে তদন্ত করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ নদীভাঙনের ঝুঁকিতে থাকা স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের নামে নদীর ক্ষতি করা হলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের বিপর্যয় সৃষ্টি হতে পারে। তাই অবৈধ মাটি উত্তোলন বন্ধ, সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত এবং ইছামতি নদীর তীর রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!