× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মাঠে ময়দানে ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১২, ২০২৬, ০৫:৫৮ এএম

মেসি-আন্তোনেলার ভালোবাসা টিকে আছে যেভাবে

মাঠে ময়দানে ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১২, ২০২৬, ০৫:৫৮ এএম

লিওনেল মেসি ও তার স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জো। ছবি : সংগৃহীত

লিওনেল মেসি ও তার স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জো। ছবি : সংগৃহীত

ফুটবলে সর্বকালের অন্যতম সেরা তারকা লিওনেল মেসি। মাঠে যেমন অসাধারণ নৈপুণ্যে দর্শকদের মুগ্ধ করেন, মাঠের বাইরেও তার ব্যক্তিগত জীবন অনেকের কাছে অনুকরণীয়। শৈশবের পরিচয় থেকে শুরু করে দাম্পত্য জীবন—দীর্ঘ সময় ধরে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ আছেন মেসি ও তার স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জো। তিন সন্তানের এই বাবা-মা কীভাবে তাদের সম্পর্ককে এখনো আগের মতোই ভালোবাসায় ভরিয়ে রেখেছেন, সে কথাই সম্প্রতি নিজ মুখে জানিয়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কা–র প্রতিবেদনে উঠে এসেছে মেসি-আন্তোনেলার সম্পর্কের গল্প। মাত্র ছয় বছর বয়সে আন্তোনেলার সঙ্গে মেসির পরিচয়। নিউয়েলস ওল্ড বয়েজের যুব দলে খেলার সময় সতীর্থ লুকাস স্কালিয়ার কাজিন ছিলেন আন্তোনেলা। শৈশবের সেই বন্ধুত্ব সময়ের সঙ্গে গভীর সম্পর্কে রূপ নেয়। পরে মেসির ফুটবল ক্যারিয়ারের কারণে দুজনকে আলাদা থাকতে হলেও ই-মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ বজায় রাখেন তারা।

২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের ঠিক আগে আন্তোনেলাকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের প্রেমিকা হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন মেসি। ২০১২ সালের নভেম্বরে জন্ম নেয় তাদের প্রথম সন্তান থিয়াগো। এরপর ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে দ্বিতীয় সন্তান মাতেও এবং ২০১৮ সালের মার্চে তৃতীয় সন্তান সিরোর জন্ম হয়। ২০১৭ সালের ৩০ জুন বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মেসি ও আন্তোনেলা।

সম্প্রতি আর্জেন্টিনার স্ট্রিমিং চ্যানেল লুজু টিভিকে দেওয়া এক ঘনিষ্ঠ সাক্ষাৎকারে ইন্টার মায়ামির অধিনায়ক জানান, প্রতিদিনের ছোট ছোট বিষয় দিয়েই তিনি তার স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করেন। মেসি বলেন, ‘আমি খুব বেশি আবেগ প্রকাশ করি না। তবে আমার একটা রোমান্টিক দিক আছে। অনেক সময় দিনের বড় একটা অংশ আমরা একসঙ্গে থাকতে পারি না। তখন ছোট ছোট উপহার রেখে যাই, যেন সে বুঝতে পারে আমি তাকে ভাবছি।’

হেসে মেসি স্বীকার করেন, হাতে লেখা চিঠি বা নোট লিখতে তিনি কিছুটা অস্বস্তি বোধ করেন। তার ভাষায়, ‘আমি কাজের মাধ্যমেই ভালোবাসা প্রকাশ করতে বেশি স্বচ্ছন্দ।’ তিনি আরও বলেন, আন্তোনেলা তার চেয়ে অনেক বেশি আবেগপ্রবণ এবং অনুভূতি প্রকাশেও সাবলীল। একসময় এই বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা, এমনকি মতবিরোধও হয়েছিল।

মেসির ভাষ্য, ‘আমি পছন্দ করি না ভেবে সে আগের মতো আবেগ প্রকাশ করা বন্ধ করে দিয়েছিল। তখন সম্পর্কের আবহটাই বদলে যাচ্ছিল। একপর্যায়ে আমি তাকে বলি, “তুমি আগের মতো নেই।” তখন আমরা বিষয়টি নিয়ে কথা বলি।’

দীর্ঘ সময়ের বোঝাপড়া, পারস্পরিক সম্মান আর ছোট ছোট যত্নই যে তাদের সম্পর্ককে আজও দৃঢ় রেখেছে—সে কথাই স্পষ্ট করে মেসির এই স্বীকারোক্তি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!