× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২০, ২০২৫, ০৯:১৫ এএম

চোরাই মোবাইল বাণিজ্য, ৪২২টি অবৈধ মোবাইলসহ আটক ৪

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২০, ২০২৫, ০৯:১৫ এএম

চোরাই মোবাইলসহ আটক ৪। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

চোরাই মোবাইলসহ আটক ৪। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

সিলেট মহানগরের বন্দরবাজার এলাকার করিম উল্লাহ মার্কেটসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৪২২টি চোরাই, অবৈধ ও আইএমইআই পরিবর্তনকৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় চোরাই মোবাইল ক্রয়-বিক্রয় চক্রের সঙ্গে জড়িত ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) দিনভর পরিচালিত এই অভিযানের বিষয়ে শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী বলেন, করিম উল্লাহ মার্কেট ও আশপাশের কয়েকটি দোকানে দীর্ঘদিন ধরে চোরাই মোবাইল ফোনের অবৈধ বাণিজ্য চলছিল। এমন নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বিপুল পরিমাণ চোরাই মোবাইল উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, চোরাই মোবাইল কেনাবেচার সঙ্গে যারা জড়িত, তারা যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। এই চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।

ডিবির প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ১৮ ডিসেম্বর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রথমে দক্ষিণ সুরমা থানার মোমিনখলা এলাকায় তানভীরের বাসায় অভিযান চালানো হয়। সেখানে মো. সুজ্জাতের (২৭) কাছ থেকে ৩৮টি চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি দীর্ঘদিন ধরে চোরাই মোবাইল সংগ্রহ ও বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।

একই দিনে দক্ষিণ সুরমার শিববাড়ি জৈনপুর এলাকায় চক্রের মূল হোতা মো. আব্দুস শহিদের (৩৫) মালিকানাধীন বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে ও তার ভাতিজা আকরাম আলীকে (২১) আটক করা হয়। সেখান থেকে ২৬টি মোবাইল ফোন, ২টি পেনড্রাইভ, মোবাইল সার্ভিসিং সরঞ্জাম এবং একটি Nikon D5300 ডিএসএলআর ক্যামেরা উদ্ধার করা হয়।

তদন্তে উঠে আসে, চোরাই মোবাইলগুলো সার্ভিসিংয়ের মাধ্যমে আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন করে বন্দরবাজার এলাকার সিটি হার্ট শপিং সেন্টারের ‘তোহা টেলিকম’ এবং করিম উল্লাহ মার্কেটের ‘স্মার্টফোন গ্যালারি’ দোকানে বিক্রি করা হতো।

পরবর্তীতে সিটি হার্ট শপিং সেন্টারে অভিযান চালিয়ে ২০৪টি চোরাই মোবাইল ফোন (মূল্য আনুমানিক ২৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকা) ও নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়।

একই দিন করিম উল্লাহ মার্কেটের তৃতীয় তলায় ‘স্মার্টফোন গ্যালারি’ থেকে আরও ১৫৪টি চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে সর্বমোট ৪২২টি চোরাই মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

সাংবাদিকদের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অভিযান চলাকালে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া হয়েছে, যা সম্পূর্ণ বেআইনি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিংবা গণমাধ্যমের কাজে কেউ বাধা দিলে তার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনগুলোর প্রকৃত মালিক শনাক্তে যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ ছাড়া গ্রেপ্তারকৃত আব্দুস শহিদের বিরুদ্ধে এসএমপির বিভিন্ন থানায় খুন, ছিনতাই ও চুরিসহ ১০টিরও বেশি মামলা রয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!