× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক, নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২১, ২০২৫, ০৬:০৭ পিএম

ওসমান হাদি সৎ ও নির্ভীক থেকে ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন করতে চেয়েছিলেন : আইন উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক, নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২১, ২০২৫, ০৬:০৭ পিএম

রূপগঞ্জে স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের সপ্তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

রূপগঞ্জে স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের সপ্তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, ‘ওসমান হাদি ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন করতে চেয়েছিলেন। গণঅভ্যুত্থানের পর অনেকেই নানাভাবে সুবিধা নিয়েছে, কিন্তু ওসমান হাদি সৎ ও নির্ভীক থেকে ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে কাজ করে গিয়েছিলেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘যারা দেশের জন্য কাজ করে, তারা সহজেই মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে পারে। ওসমান হাদি তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। হাদির জানাজায় এত মানুষের সমাগম বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল।’

রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চনে স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের সপ্তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আইন উপদেষ্টা শহীদ হাদির জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আল্লাহ তায়ালা হাদিকে বেহেশতের সর্বোচ্চ স্থানে স্থান দেবেন। তিনি বিশ্বাস করেন, হাদি এই নশ্বর পৃথিবীর চেয়ে আরও ভালো জায়গায় অবস্থান করছেন।

দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলার প্রসঙ্গে ড. আসিফ নজরুল বলেন, ‘হামলাকারীর চেয়ে দেশে সৃষ্টিশীল মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি। দেশে আত্মত্যাগী তরুণের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিগত ১৭ বছরে দেশের আইন ব্যবস্থা, শিক্ষা ব্যবস্থা ও অর্থনীতিকে নানাভাবে ভঙ্গুর করে ফেলেছিল তৎকালীন সরকার। ফলে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশের মানুষ একটি শোষকগোষ্ঠী থেকে মুক্তি পেয়েছে।’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন: বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস. এম. এ. ফয়েজ, কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ট্রাস্টি বোর্ডের প্রেসিডেন্ট ডা. এ. এম. শামীম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আক্তার হোসেন খানসহ অনেকে।

সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০টি বিভাগের ৬৭২ জন শিক্ষার্থীকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে তিন জন শিক্ষার্থীকে চ্যান্সেলরস গোল্ড মেডেল, চার জনকে ভাইস-চ্যান্সেলরস সিলভার মেডেল এবং ২০ জন শিক্ষার্থীকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

Link copied!