× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৪, ২০২৫, ১০:৪০ এএম

শিক্ষকের সামনে প্রকাশ্যে বই খুলে পরীক্ষা দিলেন শিক্ষার্থীরা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৪, ২০২৫, ১০:৪০ এএম

কুমিল্লা সদর দক্ষিণে একটি মাদ্রাসায় ফাজিল স্নাতক (অনার্স) পরীক্ষায় শিক্ষকের উপস্থিতিতে প্রকাশ্যে বই-খাতা খুলে পরীক্ষা দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। ছবিটি ভাইরাল হওয়া ভিডিও থেকে নেওয়া

কুমিল্লা সদর দক্ষিণে একটি মাদ্রাসায় ফাজিল স্নাতক (অনার্স) পরীক্ষায় শিক্ষকের উপস্থিতিতে প্রকাশ্যে বই-খাতা খুলে পরীক্ষা দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। ছবিটি ভাইরাল হওয়া ভিডিও থেকে নেওয়া

কুমিল্লা সদর দক্ষিণের একটি মাদ্রাসায় ফাজিল স্নাতক (অনার্স) পরীক্ষায় শিক্ষকের উপস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা প্রকাশ্যে বই খুলে পরীক্ষা দিচ্ছেন- এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটি নিয়ে নানা মহলে তীব্র সমালোচনার ঝড় বইছে।

২ মিনিট ২৭ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, পরীক্ষার হলে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর সামনে বই রাখা আছে। তারা প্রকাশ্যে টেবিলের ওপর বই খুলে প্রশ্নের উত্তর লিখছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভিডিওটি কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার পিপুলিয়া ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার। এখানে ফাজিল স্নাতক (অনার্স) প্রথম থেকে চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা চলছিল। গত রোববার (২১ ডিসেম্বর) প্রথম ও তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ৪৪ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। সব শিক্ষার্থীই ওই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।

অভিযোগ রয়েছে, নিজ মাদ্রাসায় পরীক্ষা কেন্দ্র হওয়ায় শিক্ষকরাই শিক্ষার্থীদের বই খোলার সুযোগ দিয়েছেন। এ ছাড়া মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তিনি কেন্দ্র ফি বাবদ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা এবং পরীক্ষায় অসদুপায়ের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে আরও ৬০০ টাকা আদায় করেছেন। এতে প্রতিজন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে মোট ১,১০০ টাকা নেওয়া হয়েছে।

সংবাদকর্মীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ফোনটি বন্ধ করে দেন এবং পরবর্তীতে বারবার চেষ্টা করেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ মো. তৈয়ব হোসেন জানিয়েছেন, পরীক্ষায় অসদুপায়ের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেব।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুজন চন্দ্র রায় বলেন, এই ঘটনা আমাদের কাছে এসেছে। আজই তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রতিবেদন পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!