× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ০৩:০১ পিএম

রাউজান ও রাঙ্গুনিয়ায় অগ্নিসংযোগের প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ০৩:০১ পিএম

আসামি মো. মনির হোসেন। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

আসামি মো. মনির হোসেন। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

চট্টগ্রামের রাউজান ও রাঙ্গুনিয়া থানা এলাকায় একাধিক বসতঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের যৌথ অভিযানে প্রধান আসামি মো. মনির হোসেনকে (৩৪) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টায় রাঙামাটি পার্বত্য জেলার কলেজ গেট এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। 

পুলিশ জানায়, তার বসতঘর তল্লাশি করে ANCOR ব্র্যান্ডের মোটর ভূষি এবং তিনটি খালি প্লাস্টিকের বস্তা উদ্ধার করা হয়, যা ঘটনাস্থলের ব্যানারের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

অগ্নিসংযোগের ঘটনাস্থল থেকে বিশেষ ধরনের উসকানিমূলক ব্যানারও উদ্ধার করা হয়। ব্যানারগুলোতে সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে উসকানিমূলক বক্তব্য, বিভিন্ন ব্যক্তির নাম ও মোবাইল নম্বর উল্লেখ ছিল। 

জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, ব্যানারে উল্লেখিত ব্যক্তিদের সঙ্গে গ্রেপ্তারকৃত আসামির পূর্বশত্রুতা ছিল। এ ছাড়া অগ্নিসংযোগে জড়িত অন্যদের বিষয়ে তিনি প্রাথমিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন।

মনির হোসেন পূর্বে চট্টগ্রামের রাউজান এলাকায় এবং পরবর্তীতে রাঙামাটির কলেজ গেট এলাকায় বসবাস করতেন। তার বিরুদ্ধে চুরি ও মাদকসহ রাঙামাটির লংগদু ও রাউজান থানায় মোট চারটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি চুরি মামলায় তিনি ছয় মাসের কারাদণ্ড ভোগ করেছেন।

প্রাথমিক তদন্ত, জিজ্ঞাসাবাদ ও উদ্ধারকৃত আলামতের ভিত্তিতে জানা গেছে, ব্যক্তিগত শত্রুতা ও ক্ষোভের জের ধরে মনির হোসেন পরিকল্পিতভাবে মানুষের বসতঘরে অগ্নিসংযোগ ঘটিয়েছে। এ ঘটনায় সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্টের পাশাপাশি শত্রুপক্ষের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দপূর্বক রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য সহযোগীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার অভিযান এখনো অব্যাহত রয়েছে।

Link copied!