× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ১০:৪৯ এএম

জমজমাট আদমদীঘির ঐতিহ্যবাহী শাঁওইল হাট

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ১০:৪৯ এএম

শাঁওইল হাটে জমে উঠেছে শীতবস্ত্র বেচাকেনা। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

শাঁওইল হাটে জমে উঠেছে শীতবস্ত্র বেচাকেনা। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শাঁওইল হাটে শীতবস্ত্র বেচাকেনা জমে উঠেছে। প্রতি বছরের মতো এবারও তাঁতিপল্লীতে কারিগররা সপরিবারে চাদর, কম্বল, গামছা, বেডশিট ও মোজাসহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় গরম কাপড় তৈরির কাজে ব্যস্ত দিন কাটাচ্ছেন। 

জানা গেছে, বাংলাদেশের তাঁতশিল্পের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ভূমিকায় রয়েছে বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চাদর কম্বলের শাঁওইল হাট। 

আদমদীঘি উপজেলা থেকে মাত্র ৭ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত শাঁওইল বাজারে সপ্তাহে দুই দিন বসে এই হাট। প্রতি রোববার ও বুধবার বৃহৎ আকারে বসে এই হাট। দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে পাইকাররা এসে তাদের পছন্দমতো চাদর, কম্বল, গামছা, বেডশিট ও মোজাসহ বিভিন্ন শীতবস্ত্র ক্রয় করে নিয়ে যায়।

এখানকার শীতবস্ত্র খুব আকর্ষণীয় হয়ে থাকে। যার কারণে সরকারি, এনজিও প্রতিষ্ঠানসহ ব্যক্তি পর্যায়ে সারা দেশে দুস্থদের মাঝে যে চাদর ও কম্বলসহ শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। প্রায় সব ধরনের শীতবস্ত্র এখান থেকেই ক্রয় করা হয়ে থাকে। 

এ শিল্পকে ঘিরে উপজেলার শাঁওইলসহ কেশরতা, বিনাহালী, মঙ্গলপুর, মুরইল, দেলুঞ্জ ও ছাতনী ঢেকড়াসহ কয়েকটি গ্রামের বিশাল এলাকাজুড়ে তাঁতশিল্প গড়ে উঠেছে। এখন সুতা ও রঙের দাম বেড়ে যাওয়ায় তৈরি শীতবস্ত্র বিক্রি করে এখন আর তেমন লাভবান হচ্ছেন না তাঁতিরা।

উত্তরবঙ্গের বৃহৎ এই তাঁতিগোষ্ঠী আজও ধরে রেখেছেন তাদের বাপ দাদার পেশা তাঁতশিল্পের সংস্কৃতি। তাঁতশিল্প পেশায় শত শত বেকার নারী পুরুষ তাদের কর্মসংসংস্থান খুঁজে পেয়েছেন। অনেকেই এখন বিভিন্ন এনজিও ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করে তাদের বাড়িতে বৈদ্যুতিক মেশিন স্থাপন করে চাদর, কম্বল, গামছা ও বেডশিটসহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় গরম কাপড় তৈরি করছেন। 

এদিকে আবার গ্রামগঞ্জের অসংখ্য বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা ও গরিব নারীরা তাদের নিজ বাড়িতে শাঁওইলের তাঁতশিল্পের উলের সুতা কাঠের লাটায়ে তুলে জীবিকা নির্বাহ করে যাচ্ছেন।

শাঁওইল হাটের চাদর বিক্রেতা আব্দুল মজিদ প্রামাণিক জানান, শীতের প্রভাবে হাটে প্রচুর শীতবস্ত্র আমদামি হয়েছে। দাম স্বাভাবিক রয়েছে। এখানকার তৈরি শীতবস্ত্র আকর্ষণীয় ও উন্নতমানের হওয়ায় চাহিদা বেড়েছে।

শাঁওইল বাজারের নাজমুল ইন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আমিরুল ইসলাম লালু জানায়, আদমদীঘির ঐতিহ্যবাহী এই শাঁওইল হাটে দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে পাইকাররা এসে তাদের পছন্দমতো শীতবস্ত্র ক্রয় করে নিয়ে যায়। এই শাঁওইল বাজারে গড়ে উঠেছে তাঁতশিল্পের বিশাল কর্মক্ষেত্র।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!