× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বরগুনা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ০১:০৮ পিএম

পরীক্ষার হলে ডিভাইসসহ গণ অধিকার পরিষদ নেতার স্ত্রী আটক

বরগুনা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ০১:০৮ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

বরগুনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারের অভিযোগে যুবলীগ নেতার স্ত্রীসহ দুই পরীক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এক পরীক্ষার্থীকে তাৎক্ষণিক সাজা দেওয়া হয়েছে এবং অপরজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বরগুনা শহরের পৃথক দুটি পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন—বরগুনা সরকারি কলেজের ২ নম্বর কেন্দ্রের ৩০২ নম্বর কক্ষের পরীক্ষার্থী ইয়ামনি এবং আইডিয়াল কলেজ কেন্দ্রের ১০৭ নম্বর কক্ষের পরীক্ষার্থী রাসেল মিয়া। ইয়ামনি বরগুনা সদর উপজেলার আয়লা পাতাকাটা ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ৫ আগস্টের পর গণ অধিকার পরিষদে যোগদানকারী অ্যাডভোকেট ইসমাইল হোসেন রাসেলের স্ত্রী।

পুলিশ জানায়, পরীক্ষার সময় ইয়ামনির গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় হল কর্তৃপক্ষ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এ সময় তার কাছ থেকে একটি কমিউনিকেটিভ ইলেকট্রনিক ডিভাইস (মাস্টার কার্ড), একটি পিন এবং একটি সিম উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি তার কানে থাকা আরেকটি ডিভাইসও জব্দ করা হয়। অপর পরীক্ষার্থী রাসেল মিয়ার কাছ থেকে একটি স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল আলীম জানান, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) থেকে প্রাপ্ত গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে নজরদারি জোরদার করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ দুই পরীক্ষার্থীকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

তিনি আরও জানান, আটক রাসেল মিয়াকে দায়িত্বপ্রাপ্ত আমতলী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাফর আরিফ চৌধুরী ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন। অপরদিকে ইয়ামনির বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এ ঘটনায় তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম শনিবার ইয়ামনিকে আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুজ্জামান তাকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। আসামির উপস্থিতিতে পরবর্তী যে কোনো দিনে রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান জিআরও মাহবুব হোসেন।

একাধিক পরীক্ষার্থী অভিযোগ করেন, ডিভাইস ব্যবহারকারী চক্রটি বরগুনায় একাধিক পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা নিয়েছে। তাদের দাবি, এই চক্রের সঙ্গে প্রশ্নপত্র ফাঁসের যোগসূত্র থাকতে পারে এবং বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু সালেহ বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনার পর অভিযুক্তের স্বামীকে থানার সামনে দেখা গেলেও পরবর্তীতে তার মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!