× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৫, ২০২৬, ০৩:৩২ পিএম

‘একাত্তর মুছে যাবে, বিসমিল্লাহ থাকবে না বলে অপপ্রচার চলছে’

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৫, ২০২৬, ০৩:৩২ পিএম

অধ্যাপক আলী রীয়াজ । ছবি : সংগৃহীত

অধ্যাপক আলী রীয়াজ । ছবি : সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এবং গণভোট সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, একটি মহল প্রচারণা চালাচ্ছে যে জুলাই সনদ পাস হলে সংবিধান থেকে ১৯৭১-কে মুছে ফেলা হবে, বিসমিল্লাহ থাকবে না—এসব কথা ঠিক নয়।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে প্রায় ১২০০ ইমামকে গণভোটে উদ্বুদ্ধকরণ সভায় তিনি এ কথা বলেন।

আলী রীয়াজ বলেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদে ১৯৭১-কে মুছে দেওয়ার ব্যাপারে কোনো কথা নেই এবং বিসমিল্লাহ বাদ দেওয়ার ব্যাপারেও এখানে কোনো আলোচনা হয়নি। কেউ যদি এসব কথা বলে থাকেন, তাহলে হয় না বুঝে বলেছেন, অথবা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার করছেন। কেউ যদি জুলাই সনদের বিরুদ্ধেও কোনো আলোচনা করতে চায়, তাহলে তাদের কথাও শুনতে হবে। কিন্তু তা হতে হবে যৌক্তিকভাবে ও শান্তিপূর্ণভাবে। জুলাই সনদ তৈরি হয়েছে রক্ত দিয়ে। এটা রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। মানুষকে বোঝাই, যেন এই সুযোগ আমরা হেলায় না হারাই।’

গণভোটে উদ্বুদ্ধকরণ সভায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দারও বক্তব্য রাখেন।

এ সময় গণভোটকে যারা ইচ্ছাকৃত জটিল করতে চাচ্ছেন তাদের কাছে অনুরোধ জানিয়ে বক্তারা বলেন, ‘বিশ্বের অন্যান্য সকল দেশের মতোই বাংলাদেশে গণভোট হচ্ছে। এতে বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো কিছু নেই। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ তৈরি করতে চাই, যেখানে অন্যায্য থাকবে না। জুলাই সনদ ভবিষ্যতে দেশ পরিচালনার জন্য দলিল। আপনারা সম্মতি দিলে আগামীতে যারা ক্ষমতায় আসবেন তারাই এই দলিল বাস্তবায়ন করবেন।’

বক্তারা আরও জানান, গত ১৬ বছরে একজনের হাতেই সকল ক্ষমতা পুঞ্জীভূত ছিল৷ রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার অপব্যবহার হয়েছে। খুনের আসামি মাফ পেয়েছেন। আগামীতে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য আনা, দুদক, নির্বাচন কমিশন ও বিচার বিভাগকে স্বাধীন ও দুর্নীতিমুক্ত করতে হলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে। গত ১৬ বছরে সংবিধান সংশোধন ছেলে খেলায় পরিণত হয়েছিল।

সংবিধান সংশোধনকে আরও শক্তিশালী করা, নির্বাচনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু করতে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রয়োজন। এসব বিষয়ে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে ইমামদের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!