× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০৭:৫৭ পিএম

জামালপুরে সরকারি স্কুলে ভর্তি জালিয়াতি ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০৭:৫৭ পিএম

জামালপুর বকশীগঞ্জ উলফাতুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

জামালপুর বকশীগঞ্জ উলফাতুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উলফাতুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি নিয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক নুর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে অপেক্ষমাণ তালিকা (ওয়েটিং লিস্ট) জালিয়াতির মাধ্যমে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে শিক্ষার্থী ভর্তির অভিযোগ এনেছেন ভুক্তভোগী অভিভাবকেরা।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি শিক্ষাবর্ষে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ৫৫টি শূন্য আসনের বিপরীতে অনলাইনে ২৩০ জন শিক্ষার্থী আবেদন করে। লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত ৫৫ জনের মধ্যে নির্ধারিত সময়ে ৭ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়নি। নিয়ম অনুযায়ী, এসব শূন্য থাকা ৭টি আসনে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে ক্রমানুসারে শিক্ষার্থী ভর্তির কথা।

তবে অভিভাবকদের অভিযোগ, অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশ কাটিয়ে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে তালিকার পেছনের সারিতে থাকা শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ করে দিচ্ছেন শিক্ষক নুর মোহাম্মদ। তালিকা অনুযায়ী যোগ্যদের না জানিয়ে গোপনে এই ‘ভর্তি বাণিজ্য’ পরিচালনা করা হয়েছে বলে তাদের দাবি।

ভুক্তভোগী অভিভাবক মোহাম্মদ রেজুয়ান মিয়া বলেন, ‘আমার মেয়ের সিরিয়াল সামনে থাকা সত্ত্বেও শিক্ষক নুর মোহাম্মদ নানা অজুহাতে আমাদের ফিরিয়ে দেন। পরে জানতে পারি, বড় অঙ্কের টাকার বিনিময়ে সিরিয়াল ভেঙে অন্য শিক্ষার্থীদের ভর্তি করা হচ্ছে। সরকারি স্কুলে এমন প্রকাশ্য অনিয়ম কল্পনাও করা যায় না।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষক নুর মোহাম্মদ এ মুহূর্তে কোনো মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

তবে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ জানান, ভর্তি প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা আর্থিক লেনদেনের সুযোগ নেই। নির্দিষ্ট কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আব্দুল হাই জানান, এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তি সংক্রান্ত এই অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে সচেতন মহলে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। সাধারণ মানুষ ও অভিভাবকেরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষী শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!