× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ০২:৫৩ এএম

দুই দফা রোগে ধ্বংস খামার, ঋণের বোঝায় জর্জরিত উদ্যোক্তা জনি

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ০২:৫৩ এএম

নিজের খামারে উদ্যোক্তা জনি দেবনাথ। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

নিজের খামারে উদ্যোক্তা জনি দেবনাথ। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

বহু স্বপ্ন নিয়ে উদ্যোক্তা হওয়ার পথে যাত্রা শুরু করেছিলেন জনি দেবনাথ। কিন্তু একের পর এক বিপর্যয়ে আজ তিনি সর্বস্বান্ত। বার্ড ফ্লু ও রানীক্ষেত রোগে দুই দফায় খামারের সব মুরগি মারা যাওয়ায় প্রায় ১৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেও কোনো আয় করতে পারেননি তিনি।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার টিকরিয়া খন্দকারপুর গ্রামের বাসিন্দা জনি দেবনাথ ২০২৩ সালে নিজ উদ্যোগে ‘জনি এগ্রো ফার্ম’ নামে একটি পোলট্রি খামার গড়ে তোলেন। বাবার জমি বিক্রি করে পাওয়া টাকা দিয়ে তিনি প্রথমে টাইগার মুরগির খামার শুরু করেন। প্রায় পাঁচ মাস মুরগি লালন-পালনের পর হঠাৎ বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হয়ে খামারের সব মুরগি মারা যায়। এতে তাঁর প্রায় চার লাখ টাকার ক্ষতি হয়।

তবে এত বড় ক্ষতির পরও হাল ছাড়েননি জনি। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকসহ বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নেন। পাশাপাশি মায়ের গলার স্বর্ণ বন্ধক রেখে আরও প্রায় চার লাখ টাকা সংগ্রহ করে নতুন করে ৫০০ মুরগির খামার শুরু করেন। দীর্ঘ আট মাস ধরে যত্নের সঙ্গে মুরগিগুলো লালন-পালন করছিলেন তিনি। ঠিক ডিম পাড়া শুরুর আগমুহূর্তে রানীক্ষেত রোগে আক্রান্ত হয়ে একে একে সব মুরগি মারা যায়।

খামার স্থাপন, খাদ্য, চিকিৎসা ও অন্যান্য ব্যয় মিলিয়ে এ পর্যন্ত প্রায় ১৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছেন জনি দেবনাথ। অথচ এই পুরো সময়ে তিনি কোনো ধরনের আয় করতে পারেননি।

ক্ষতিগ্রস্ত জনি দেবনাথ দৈনিক রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, খামারের সব মুরগি মারা যাওয়ায় আমি পুরোপুরি পথে বসে গেছি। সব হারিয়ে ফেলেছি। মাথার ওপর ঋণের বোঝা নিয়ে এখন পরিবার নিয়ে কীভাবে চলব, সেটাই বুঝতে পারছি না। তবু আবার ঘুরে দাঁড়াতে চাই। এজন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও আর্থিক সহায়তা সংস্থাগুলোর সহযোগিতা চাই।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. সম্পদ সিংহ বলেন, জনি দেবনাথের খামারের মুরগিগুলো রানীক্ষেত রোগে আক্রান্ত হয়েছিল। আমরা চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়েছিলাম। তবে রোগটি খুব দ্রুত সংক্রামক হওয়ায় সব মুরগিতে ছড়িয়ে পড়ে। 

তিনি আরও বলেন, খামারিদের সব সময় মুরগির বাচ্চাকে সময়মতো টিকা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। কোনো মুরগি আক্রান্ত হলে দ্রুত আলাদা করাও অত্যন্ত জরুরি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!