× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ০২:১৭ পিএম

প্রতিবন্ধী রিকশাচালক হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, খুনিসহ গ্রেপ্তার ৫

সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ০২:১৭ পিএম

গ্রেপ্তার আসামিরা। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

গ্রেপ্তার আসামিরা। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধী অটোরিকশাচালক মো. সোহেল (৪১) হত্যার রহস্য মাত্র চার দিনের মধ্যে উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

এ ঘটনায় হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত দুজনসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ছিনতাইকৃত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়েছে।

পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলা সূত্র জানায়, গত ২৩ জানুয়ারি সোনারগাঁ, আড়াইহাজার ও রূপগঞ্জ থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন মো. সুজন মিয়া (৩৩), মো. শফিকুল ইসলাম হীরা (৩৯), মো. দুলাল মিয়া (৪৫), মো. আবদুর রহিম মিয়া (৫৫) ও মো. আবুল কাশেম (৪০)। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ছিনতাইকৃত অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়।

মামলার এজাহার ও পিবিআই সূত্রে জানা গেছে, নিহত সোহেল শারীরিক প্রতিবন্ধী ছিলেন এবং অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

গত ১৯ জানুয়ারি দুপুর আড়াইটার দিকে তিনি বাড়ি থেকে অটোরিকশা নিয়ে বের হন। এরপর আর ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এ সময় তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

পরদিন ২০ জানুয়ারি সকালে সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের মুছারচর এলাকায় রাস্তার পাশে একটি মরদেহ পড়ে থাকার খবর পায় পরিবার। ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা মরদেহটি সোহেলের বলে শনাক্ত করেন।

মরদেহের নাক, মুখ ও হাত স্কচটেপ দিয়ে পেঁচানো ছিল। এ ঘটনায় নিহতের ভাই মো. মহাসিন মিয়া বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় হত্যা ও মরদেহ গুমের অভিযোগে মামলা করেন। পরে মামলাটি পিবিআই অধিগ্রহণ করে তদন্ত শুরু করে।

পিবিআইর তদন্তে জানা যায়, অর্থের অভাবে আসামি সুজন মিয়া ও শফিকুল ইসলাম হীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে সোহেলকে হত্যা করে তার অটোরিকশা ছিনতাইয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৯ জানুয়ারি বিকেলে তারা সোহেলের অটোরিকশা ভাড়া করে একটি বাজারে যায়। সেখানে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে সোহেলকে খাওয়ানো হয়।

পরে সন্ধ্যার দিকে তাকে মুছারচরের একটি নির্জন এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে সোহেলের হাত, নাক ও মুখ স্কচটেপ দিয়ে পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। হত্যার পর মরদেহ ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে অটোরিকশাটি নিয়ে পালিয়ে যান তারা।

তদন্তে আরও জানা যায়, হত্যার পর ছিনতাইকৃত অটোরিকশাটি রূপগঞ্জ এলাকার একটি গ্যারেজে রাখা হয় এবং পরে তা বিক্রি করা হয়।

অটো কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত তিন আসামি জিজ্ঞাসাবাদে চোরাই অটো কেনার বিষয়টি স্বীকার করেছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে ছিনতাইকৃত ও চোরাই অটোরিকশা কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত বলেও তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুজন মিয়া ও শফিকুল ইসলাম হীরা হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। অন্য তিনজন ছিনতাইকৃত অটোরিকশা কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা জানায়। পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মো. মোস্তফা কামাল রাশেদ (বিপিএম) প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!