× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৬, ২০২৬, ০৩:৪৪ পিএম

আনোয়ারায় ১৬ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, জালিয়াতির আশঙ্কা

আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৬, ২০২৬, ০৩:৪৪ পিএম

খোর্দ্দ গহিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

খোর্দ্দ গহিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আনোয়ারা উপজেলার অন্তত ১৬টি ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বিভিন্ন গোয়েন্দা সূত্র ও মাঠপর্যায়ের তথ্যে উঠে এসেছে এসব কেন্দ্র দখল, জাল ভোট ও সহিংসতার আশঙ্কা।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে দেখা ও প্রাপ্ত নথিপত্র পর্যালোচনা করে এসব তথ্য পাওয়া যায়। উপজেলায় মোট ১৭৬টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৬টিকে ‘বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর মধ্যে রয়েছে—গোবাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (বারশত ইউনিয়ন), চুন্নাপাড়া ও সরেঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (রায়পুর ইউনিয়ন), হাইলধর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (হাইলধর ইউনিয়ন), কৈনপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (চাতুরী ইউনিয়ন), বরুমছড়া ছমদিয়া ও পশ্চিম বরুমছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (বরুমছড়া ইউনিয়ন), এরশাদ আলী উচ্চ বিদ্যালয় (বারখাইন ইউনিয়ন), নয়নতারা উচ্চ বিদ্যালয় ও পূর্ব কন্যারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (পরৈকোড়া ইউনিয়ন), পূর্ব জুইদন্ডি ও খুরুসকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (জুইদন্ডি ইউনিয়ন), ডমুরিয়া রুদুরা ও বিলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (আনোয়ারা সদর), গুয়াপঞ্জক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (বৈরাগ ইউনিয়ন) এবং খোর্দ্দ গহিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (রায়পুর ইউনিয়ন)।

গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এসব কেন্দ্রে ঝুঁকির পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে কোনো কোনো এলাকায় বিএনপি বা জামায়াতের আধিপত্য, কোথাও আবার বিএনপির প্রভাব উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি সন্ত্রাস প্রবণতা, দুর্গম ও সরু যোগাযোগ ব্যবস্থা, বেহাল সড়ক পরিস্থিতি, কেন্দ্রের নিকটবর্তী বাজার বা প্রভাবশালী নেতার বসবাস এবং কিছু এলাকায় চোর-ডাকাতের অভয়ারণ্য থাকার তথ্যও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নথিতে আরও বলা হয়েছে, বেশ কয়েকটি কেন্দ্র বিলের মধ্যে বা সীমানাপ্রাচীরজনিত সমস্যায় অবস্থিত হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত উপস্থিতি ব্যাহত হতে পারে। এসব কারণে নির্বাচনকালীন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তা বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে নির্বাচনকালীন বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন। কোথাও কোথাও আগাম অভিযান চালানো হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এসব কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি জোরদার করার পাশাপাশি বিশেষ নজরদারি ও আগাম প্রস্তুতি জরুরি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!