× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মেহেরপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৩১, ২০২৬, ১০:১৪ এএম

প্রেমের টানে এসে বিয়ে না করেই পালালেন চীনা নাগরিক

মেহেরপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৩১, ২০২৬, ১০:১৪ এএম

মেহেরপুরে চীনা নাগরিক। ছবি : সংগৃহীত

মেহেরপুরে চীনা নাগরিক। ছবি : সংগৃহীত

ফেসবুকে পরিচয়। সেখান থেকেই প্রেমের সম্পর্ক। সেই সম্পর্কের জেরে দুই চীনা নাগরিক আসেন মেহেরপুরে। তাদের একজন বিয়ের দাবিতে এলেও পরিস্থিতি বেগতিক দেখে শেষ পর্যন্ত বিয়ে না করেই এলাকা ছাড়েন ওই দুই চীনা নাগরিক।

ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে মেহেরপুর সদর উপজেলার আমদহ ইউনিয়নের টেংরামারী গ্রামে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, স্থানীয় মৃত লিটনের কন্যার সঙ্গে ফেসবুক প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরেই তারা ওই এলাকায় আসেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফেসবুকের মাধ্যমে চীনা নাগরিক আবদুল্লাহর সঙ্গে আমদহ ইউনিয়নের টেংরামারী গ্রামের মৃত লিটনের কন্যা মরিয়ম খাতুনের (১৬) প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে চীনা চেহারার দুই ব্যক্তি গ্রামে এসে মরিয়মের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

গ্রামে অপরিচিত ও ভিন্ন চেহারার দুই ব্যক্তিকে দেখে এলাকাবাসীর মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে একজন স্থানীয় বাসিন্দা জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করেন। খবর পেয়ে পার্শ্ববর্তী সাহেবপুর পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চীনা নাগরিক আবদুল্লাহ ও মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বিয়ে সম্পন্ন করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে চীনা নাগরিকরা ওই বিয়েতে সম্মতি না জানিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

এ ঘটনায় পুলিশ ওই দুই চীনা নাগরিকের কোনো পরিচয়পত্র সংরক্ষণ করেনি কিংবা কাউকে আটকও করেনি। পরে জানা যায়, তারা নিজেদের পরিচয় গোপন করে ‘চাকমা’ নাম ব্যবহার করে রয়েল এক্সপ্রেস পরিবহনের টিকিট কেটে মেহেরপুর ত্যাগ করেন।

মেহেরপুর সদর থানার সাহেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শফিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি দুজন চীনা নাগরিক এসেছেন। পরে তাদের বুঝিয়ে দুপুর ২টার রয়েল এক্সপ্রেস পরিবহনে করে ঢাকায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পারিবারিক আলোচনার মাধ্যমে বিয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’

এ ঘটনায় জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই দেখা যায়, প্রেমের টানে বিদেশি নাগরিকরা বাংলাদেশে এসে প্রত্যন্ত গ্রামে অবস্থান করছেন। পরে সেই সম্পর্কের সূত্র ধরে বাংলাদেশি নারীদের বিদেশে নিয়ে যাওয়ার পর তাদের পরিণতি সম্পর্কে আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায় না।

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রশাসনের সাম্প্রতিক অভিযানে এ ধরনের মানব পাচার চক্রের একাধিক সদস্য গ্রেপ্তার হয়েছে। তারা জানান, চীনে পৌঁছানোর পর অনেক নারী শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে অবৈধ বিয়ে ও মানব পাচার সংক্রান্ত বিষয়ে একাধিকবার সতর্কতাও জারি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা ও সমালোচনা চলছে।

Link copied!