× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬, ০৬:২৪ পিএম

মুসলমান শিক্ষার্থীদের ইসলাম শিক্ষা পড়াচ্ছেন হিন্দু শিক্ষকরা

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬, ০৬:২৪ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

খুলনার কয়রা উপজেলার দক্ষিণ হড্ডা পল্লী উন্নয়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোনো মুসলমান শিক্ষক না থাকায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ইসলাম শিক্ষা পাঠদান করাচ্ছেন হিন্দু শিক্ষকরা। ফলে ইসলাম ধর্মের অনুসারী শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় বিঘ্ন ঘটছে। স্কুলটিতে একটি মুসলমান শিক্ষকের খুবই প্রয়োজন। স্কুলে কোনো মুসলমান শিক্ষক না থাকায় অভিভাবক ও গ্রামবাসীর মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। দ্রত স্কুলে একজন মুসলমান শিক্ষকের দাবি সুধী সমাজের।

স্কুল সূএে জানা গেছে, দক্ষিণ হড্ডা পল্লী উন্নয়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত। স্কুলটিতে বর্তমানে পাঁচজন শিক্ষক রয়েছেন। এর মধ্যে একজন শিক্ষক ডেপুটিশনে অন্য স্কুলে দায়িত্ব পালন করছেন। স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে অদ্যবধি কোনো মুসলমান শিক্ষক নেই। স্কুলে ২০২৬ সালে মোট ৩৯ জন ছাত্র-ছাত্রী আছে। স্কুলে কোনো মুসলমান শিক্ষক না থাকায় বাধ্য হয়ে হিন্দু শিক্ষকরা কোমলমতি মুসলমান শিক্ষার্থীদের ইসলাম শিক্ষা পড়াচ্ছেন।

অভিভাবক ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে কোনো মুসলমান শিক্ষক নেই। কোমলমতি মুসলমান শিক্ষার্থীদের ইসলাম শিক্ষা পড়ানোর জন্য একজন মুসলমান শিক্ষক খুবই প্রয়োজন। মুসলমান শিক্ষার্থীদের ইসলাম ধর্মের অনেক আরবি ও সুরার আয়াতের ব্যাখ্যা হিন্দু শিক্ষকদের পক্ষে পড়ানো সম্ভব না। ফলে ইসলাম ধর্মের অনুসারী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের শুরুতেই বিঘ্ন ঘটছে।

দক্ষিণ হড্ডা পল্লী উন্নয়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বপন কুমার রায় বলেন, স্কুলে কোনো মুসলমান শিক্ষক না থাকায় মুসলমান শিক্ষার্থীদের বাধ্য হয়ে হিন্দু শিক্ষকরা পাঠদান করাচ্ছেন। ফলে তাদের লেখাপড়ায় একটু ঘাটতি হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, মুসলমান শিক্ষকরা ইসলাম শিক্ষা পড়ালে শিক্ষাটা ভালো হতো।

এ বিষয়ে কথা বলতে কয়রা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তপন কুমার কর্মকারকে ফোন করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!