× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বগুড়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬, ০৪:১৮ পিএম

লোড করা রিভলবারসহ আটক আতিক

বগুড়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬, ০৪:১৮ পিএম

আটক যুবক। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

আটক যুবক। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নাশকতার আশঙ্কায় বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী আতিক হাসানকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী। অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে ১৫ রাউন্ড তাজা গুলি, একটি বিদেশি রিভলবার এবং একাধিক দেশীয় অস্ত্র।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাত থেকে বুধবার দুপুর পর্যন্ত শাজাহানপুর উপজেলার সাবরুল ইউনিয়নের বাগিনাপাড়া গ্রামে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। 

গ্রেপ্তারকৃত আতিক হাসান ওই এলাকার বাসিন্দা এবং শাজাহানপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের পলাতক সাধারণ সম্পাদক ও আলোচিত সন্ত্রাসী নুরুজ্জামান নুরুর বাহিনীর সক্রিয় সদস্য বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী।

সেনাবাহিনী সূত্রে জানা যায়, জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে এলাকায় সহিংসতা ও নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে অস্ত্র মজুদের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাগিনাপাড়া গ্রামে অভিযান শুরু করা হয়। অভিযানের সময় সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে আতিক হাসান বাড়ির ছাদ টপকে পালানোর চেষ্টা করলে সেনাসদস্যরা দ্রুত ধাওয়া দিয়ে তাকে আটক করে। 

আটকের পর আতিকের হেফাজত থেকে একটি ব্রিটিশ ‘বুলডগ’ মডেলের ৯ এমএম রিভলবার, ১৫ রাউন্ড তাজা গুলি, দুটি ম্যাগাজিন এবং ১০টি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত রিভলবারের ভেতরে চারটি গুলি লোড করা ছিল বলেও সেনাবাহিনী নিশ্চিত করেছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আতিক হাসান স্বীকার করেন, উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলো শাজাহানপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের পলাতক সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান নুরুর মালিকানাধীন। এসব অস্ত্র নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতায় ব্যবহারের পরিকল্পনা ছিল বলেও তিনি জানিয়েছেন।

বগুড়া সেনানিবাসের ৪০ বীর ব্রিগেডের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানভীর আহম্মেদ তমাল বলেন, ‘নির্বাচনি পরিবেশ অস্থিতিশীল করতেই নুরু বাহিনীর সদস্যরা এসব অস্ত্র মজুদ করেছিল। আমাদের অভিযানে বড় ধরনের নাশকতার আশঙ্কা প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।’

সেনা সূত্র আরও জানায়, আতিক হাসানের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা, চাঁদাবাজি এবং জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে হামলাসহ মোট পাঁচটি মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে ছিলেন।

এই অভিযানের মাধ্যমে শাজাহানপুর এলাকায় সন্ত্রাসী তৎপরতার একটি বড় নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। একই সঙ্গে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সেনাবাহিনীর কঠোর নজরদারির স্পষ্ট বার্তাও দিয়েছে এই অভিযান।

Link copied!