× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

কলমাকান্দা (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ১০:২৩ এএম

সন্তান হারিয়ে পুলিশের আবেগঘন ফেসবুক স্ট্যাটাস

কলমাকান্দা (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ১০:২৩ এএম

পুলিশ সদস্য মেহেদি হাসান। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

পুলিশ সদস্য মেহেদি হাসান। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দায়িত্ব পালনের অজুহাতে ছুটি না দেওয়ার অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য মেহেদি হাসান। তিনি দাবি করেন, সন্তানের মৃত্যুর মতো চরম ব্যক্তিগত বিপর্যয়ের মধ্যেও তাকে ছুটি দেওয়া হয়নি।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘ছুটি চাইছিলাম, পাইলাম না; আমার ছেলেটা মারা গেল!!!’ একই পোস্টে ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও লেখেন, ‘ধন্যবাদ বাংলাদেশ পুলিশ, আমি না থাকলে নির্বাচন আটকে যেত!! কী জবাব দিব বউকে??’

এর প্রায় এক ঘণ্টা পর দেওয়া আরেকটি পোস্টে মেহেদি হাসান জানান, তার স্ত্রী তখনো সন্তানের মৃত্যুর খবর জানেন না। চিকিৎসকদের পরামর্শে বিষয়টি এখনো জানানো হয়নি বলেও উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি রাতের ডিউটি থেকে অব্যাহতি এবং সন্তানের মরদেহ তার কাছে পৌঁছানোর বিষয়ে সহায়তা চান।

পোস্টগুলোতে তিনি নিজের আর্থিক ও পারিবারিক অবস্থার কথাও তুলে ধরেন। চাকরিটি তার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হলেও এই পরিস্থিতিতে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন বলে জানান। নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কর্মজীবনের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বিকল্প কর্মসংস্থানের খোঁজও করছেন বলে লেখেন তিনি।

এরপর আরেকটি পোস্টে সন্তানের মৃত্যুর শোক প্রকাশ করে মেহেদি হাসান লেখেন, তার সন্তান আর পৃথিবীতে নেই এবং এই শোক তিনি বহন করতে পারছেন না।

উল্লেখ্য, মেহেদি হাসান ২০১৪ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশে কর্মরত। তার বাড়ি ময়মনসিংহ বিভাগের নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার লেংগুড়া ইউনিয়নের গোড়াগাঁও গ্রামে। মেহেদি হাসানের পিতা মৃত মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাসেম, মাতা কুকিলা বেগম দম্পতির চতুর্থ সন্তান মেহেদি হাসান। 

মেহেদি হাসান তার ফেসবুকে সবশেষে ১২ ঘণ্টা আগে এক পোস্টে লেখেন, বিশ্বাস করেন, আমার বাহিনীর ভাবমূর্তিতে বিন্দুমাত্র নেতিবাচক প্রভাব পড়ুক বা আমার পোস্ট ভাইরাল হোক কোনোটাই চাইনি। আমার বাচ্চাটার যখন এমন মুমূর্ষু অবস্থা চলছিল তখন আমি ডিউটি শেষ করে বাসায় একা ছিলাম। দুটি কন্যাসন্তানের পর ছেলেসন্তান হওয়াতে তাকে নিয়ে অধিক আগ্রহ-উদ্দীপনা ছিল। তাই তার মৃত্যু সইতে না পেরে আমি অনেক বেশি আবেগী হয়ে পোস্টগুলো করি। এখন এই পোস্টগুলো ভাইরাল হওয়াতে আমি একদিকে যেমন মানসিক চাপে আছি, তেমনি শত শত কল, মেসেজে রীতিমতো স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারছি না। আমার স্ত্রী এখনো হাসপাতালে ভর্তি, তাকে ব্লাড দেওয়া হচ্ছে, আরও দিতে হবে। তার সুস্থতার জন্য দোয়া প্রার্থী। আর আপনাদের এত ভালোবাসা, দোয়া, সহানুভূতি ও স্নেহ পেয়ে আমিসহ আমার পুরো পরিবার সত্যি অনেক আবেগ-আপ্লুত ও কৃতজ্ঞ। তবে অনুগ্রহ করে কেউ কল/মেসেজ না দিলে কৃতজ্ঞ থাকব।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!