× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ০৫:২৫ এএম

জালিয়াতির মাধ্যমে জমির হোল্ডিং সংশোধনের চেষ্টা, তিনজন গ্রেপ্তার

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ০৫:২৫ এএম

জালিয়াতির অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩ জন। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

জালিয়াতির অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩ জন। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

বগুড়ার আদমদীঘিতে অবৈধ উপায়ে জালিয়াতির মাধ্যমে জমির দাখিলা–হোল্ডিং সংশোধনের চেষ্টা করার সময় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৬টার দিকে আদমদীঘি উপজেলার নসরতপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় নসরতপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা সুব্রত কুমার ঘোষ বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- নওগাঁ জেলার রানীনগর উপজেলার আবাদপুকুর বাজার এলাকার আশরাফ আলীর ছেলে এমএ মতিন (৪৭), বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলার বিহিগ্রাম এলাকার জাকির হোসেনের ছেলে রাজিম উদ্দীন (২২) এবং একই উপজেলার তালসন গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে রাশেদুল ইসলাম (২৬)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা আরও অজ্ঞাতনামা ৩–৪ জনের সঙ্গে যোগসাজশে সম্প্রতি নসরতপুর ইউনিয়নের পুশিন্দা মৌজার আরএস খতিয়ান নম্বর ৫৪০ এবং দত্তবাড়িয়া মৌজার আরএস খতিয়ান নম্বর ৪১৫–এর জমির দাখিলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তার অনুমোদন ছাড়াই অবৈধভাবে সৃষ্টি বা কাটাকাটি করেন।

পরে ২০২১–২২ অর্থবছরের জন্য ওই দাখিলা–হোল্ডিং সংশোধনের উদ্দেশ্যে এমএ মতিনের মাধ্যমে নসরতপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আবেদন করা হয়। তবে সংশ্লিষ্ট হোল্ডিং কীভাবে অনুমোদন পাওয়া হয়েছে—এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে সন্তোষজনক উত্তর দিতে না পারায় সহকারী ভূমি কর্মকর্তা বিষয়টি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)–কে অবহিত করেন।

পরবর্তীতে অভিযুক্তদের উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা জমির দাখিলা–হোল্ডিং জালিয়াতির বিষয়টি স্বীকার করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রতারণার মাধ্যমে জাল দলিল তৈরির অভিযোগে দণ্ডবিধির ১৮৬০ সালের ৪০৬ ও ৪২০ ধারায় মামলা দায়ের করে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৩–৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।

আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!