নোয়াখালী-১ আসনের সোনাইমুড়ী উপজেলায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
এদিকে একই উপজেলার থানারহাটে দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার সাংবাদিক ইসমাইল হোসেন টিটুর ওপরও হামলার ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের মুহুরিগঞ্জ আবদুল মতিন পাটোয়ারী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
হামলায় আহতরা হলেন- প্রার্থী জহিরুল ইসলামের ভাগিনা আবদুর রহমান, কর্মী শাহাজান, ফরহাদ, রুবেলসহ অন্তত ১০ জন।
ওই ভোটকেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার নিখিল চন্দ্র সিংহ জানান, রাত ১০টার দিকে হাতপাখা প্রার্থী জহিরুল ইসলাম কয়েকজন সংবাদকর্মীর সঙ্গে কেন্দ্র পরিদর্শনে যান। তিনি দায়িত্বরত প্রিজাইডিং অফিসারের সঙ্গে কথা বলছিলেন। এ সময় বাইরে থেকে কয়েকজন লোক এসে হট্টগোল শুরু করে। পরে তাদের বাইরে বের করে দেওয়া হয়।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. জহিরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, বুধবার রাতে তিনি নিজ ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে যান।
এ সময় বিএনপির বাবলু, মমিন, পারভেজসহ সঙ্ঘবদ্ধ কর্মী-সমর্থকরা তিনি এবং তার কর্মী-সমর্থকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় তার ভাগিনা আবদুর রহমান, কর্মী শাহাজান, ফরহাদ, রুবেলসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।
একই সময় সাংবাদিক হোসাইন মাহমুদকেও মারধর করা হয়। তিনি বিষয়টি সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরিন আক্তারকে অবহিত করেছেন।
জহিরুল ইসলাম হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
অপরদিকে, সোনাইমুড়ী উপজেলা জয়াগ ইউনিয়নের থানারহাট বাজারে দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার সাংবাদিক ইসমাইল হোসেন টিটুর ওপরও অতর্কিত হামলার অভিযোগ উঠেছে।
সাংবাদিক ইসমাইল হোসেন টিটু জানান, জামায়াতের কর্মী-সমর্থকরা পাশের ভোটকেন্দ্রে অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টাকালে তিনি ছবি ও ভিডিও চিত্র ধারণ করতে যান।
এ সময় তারা ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করে। তিনি এই হামলার বিচারের দাবি করেন। তবে ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন