নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার আসমা ইউনিয়নের হাজীগঞ্জ বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাতটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রাথমিকভাবে প্রায় ২৩ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. জিনিয়া জামান অগ্নিকাণ্ডের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এর আগে শুক্রবার (৬ মার্চ) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, আগুন লাগার খবর পেয়ে বারহাট্টা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন তারা।
অগ্নিকাণ্ডে যে দোকানগুলো পুড়ে গেছে সেগুলো হলো— সোলাইমানের চা ও মনোহারী দোকান, রহুল আমিনের হোমিও ফার্মেসি, শাহজাহানের মনোহারী দোকান, শ্যামল রবি দাসের সেলুন, সরল ওষুধের দোকান, দুলালের ওষুধের দোকান এবং নিজাম উদ্দিনের হার্ডওয়্যারের দোকান। তবে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি।
স্থানীয়রা জানান, আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় আশপাশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। তবে ফায়ার সার্ভিস দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনায় বড় ধরনের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পায় পুরো বাজারটি।
এদিকে, আসমা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান ক্ষতিগ্রস্ত হাজীগঞ্জ বাজার পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে নির্ধারিত ফরমে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করতে বলা হয়েছে। আবেদন করলে যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।
এ বিষয়ে ইউএনও মোছা. জিনিয়া জামান বলেন, অগ্নিকাণ্ডে সাতটি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তার সুযোগ রয়েছে। তারা আবেদন করলে যাচাই-বাছাই করে সরকার থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন