× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বাগেরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ১৭, ২০২৬, ০৪:২৯ পিএম

শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে বাগেরহাটের ঈদের বাজার

বাগেরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ১৭, ২০২৬, ০৪:২৯ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ঈদুল ফিতর যত ঘনিয়ে আসছে, বাগেরহাটের বাজারগুলোতে ততই বাড়ছে কেনাকাটার ধুম। শেষ মুহূর্তের এই ব্যস্ততায় জেলা শহর থেকে শুরু করে বিভিন্ন উপজেলার মার্কেট ও বিপণিবিতানগুলো এখন ক্রেতা-বিক্রেতাদের পদচারণায় মুখরিত। এবারের ঈদের বাজারের সবচেয়ে বড় স্বস্তির দিক হলো কোনো অশুভ সিন্ডিকেট না থাকা, যার ফলে সাধারণ মানুষ বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে কেনাকাটা করতে পারছেন। সকাল ১১টার পর থেকেই মার্কেটগুলোতে ক্রেতাদের ঢল নামছে এবং সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এই ভিড় জনসমুদ্রে পরিণত হচ্ছে।

এবারের বাজারে পোশাকের ট্রেন্ডে এসেছে আমূল পরিবর্তন। দেশি কাপড়ের তুলনায় ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি দেখা যাচ্ছে পাকিস্তানি লন এবং সাদা বাহারের ড্রেসগুলোর প্রতি। তবে নারী ও তরুণীদের আকর্ষণের প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বাহারি ডিজাইনের ‘ফারসি’ ও ‘গারারা’। আভিজাত্য আর আধুনিকতার মিশেলে তৈরি এসব ড্রেসেই এবার বেশি মজেছেন বাগেরহাটের মহিলারা। পছন্দের এসব পোশাক সংগ্রহ করতে ক্রেতারা এক দোকান থেকে অন্য দোকানে চষে বেড়াচ্ছেন।

কেনাকাটায় আধুনিকতার ছোঁয়া দিয়ে যোগ হয়েছে ডিজিটাল লেনদেনের সুবিধা। বর্তমানে অনেক ক্রেতাই নগদ টাকা বহন করার ঝামেলা এড়াতে বিকাশ, নগদ বা কার্ডে পেমেন্ট করতে পছন্দ করছেন। বাজারে ডিজিটাল লেনদেনের এই সহজলভ্যতা ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের জন্যই বাড়তি নিরাপত্তা ও স্বস্তি বয়ে এনেছে। কেনাকাটা করতে আসা খাইরুল ইসলাম জানান, বাজারে সিন্ডিকেট না থাকায় কেনাকাটা সহজ হয়েছে। কিছু পণ্যের দাম গত বছরের তুলনায় কিছুটা চড়া মনে হলেও কালেকশন ভালো হওয়ায় এবং পছন্দের পণ্যটি হাতে পেয়ে ক্রেতারা শেষ পর্যন্ত খুশি মনেই ঘরে ফিরছেন।

অন্যদিকে গার্মেন্টস ব্যবসায়ী বাদল সাহা জানান, ১০ রোজা পার হওয়ার পর থেকেই মানুষ পুরোদমে কেনাকাটা শুরু করেছে। তবে দিনের বেলা প্রচণ্ড গরম থাকায় অনেক ক্রেতা বিকেলের পর বা ইফতারের শেষে বাজারে আসছেন, ফলে সন্ধ্যার পর বাজারগুলোতে তিল ধারণের ঠাঁই থাকছে না। সাধারণ মানুষের কেনাকাটা নির্বিঘ্ন করতে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে অত্যন্ত তৎপর রয়েছে। প্রশাসনের নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও কঠোর নজরদারির কারণে ব্যবসায়ীরা যেমন বাড়তি দাম নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না, তেমনি ক্রেতারাও কোনো হয়রানি ছাড়াই গভীর রাত পর্যন্ত নিরাপদ পরিবেশে কেনাকাটা সেরে নিতে পারছেন।

সব মিলিয়ে সিন্ডিকেটমুক্ত পরিবেশ, গারারা-ফারসির মোহ আর ডিজিটাল লেনদেনের সহজলভ্যতায় বাগেরহাটের ঈদের বাজার এখন উৎসবমুখর। প্রশাসনের কড়া নজরদারি আর ক্রেতা-বিক্রেতাদের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ঈদের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Link copied!