× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বগুড়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২৩, ২০২৬, ০৯:০২ পিএম

বগুড়ায় জ্বালানি সংকট, অর্ধেকের বেশি পেট্রোল পাম্প বন্ধ

বগুড়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২৩, ২০২৬, ০৯:০২ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

ঈদের পরের ব্যস্ততায় যখন মানুষ কর্মস্থলে ফিরছে, ঠিক তখনই বগুড়াজুড়ে নেমে এসেছে জ্বালানি সংকটের অদৃশ্য ছায়া। শহরের একের পর এক পেট্রোল পাম্পে ঝুলছে ‘জ্বালানি নেই’ সাইনবোর্ড। কোথাও আবার পুরো পাম্পই ঢেকে রাখা হয়েছে, যেন ভেতরে কোনো কার্যক্রমই নেই। জেলা শহর ও আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ৭২টি পাম্পের মধ্যে অর্ধেকের বেশি কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। খোলা থাকা পাম্পগুলোতেও সীমিত বিক্রি চলছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরেই জ্বালানি সরবরাহে ঘাটতি চলছিল। ঈদের আগের রাতে অতিরিক্ত চাহিদা তৈরি হওয়ায় পাম্পগুলোর মজুত দ্রুত শেষ হয়ে যায়। ঈদের দিন থেকেই এর প্রভাব দৃশ্যমান হতে শুরু করে। পরদিন কিছু পাম্প সীমিত পরিসরে বিক্রি শুরু করলেও সোমবার পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে ওঠে। মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় একে একে পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যায়। জ্বালানি সংকটের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে পরিবহন খাতে। ব্যক্তিগত ও গণপরিবহন উভয় ক্ষেত্রেই চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

বাইকচালক মেহেদি হাসান লেলিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এভাবে দেশ চলতে পারে না। আসলেই তেল নেই, নাকি কৃত্রিম সংকট সরকারের উচিত বিষয়টি খতিয়ে দেখা।

আরেক বাইকার রুহুল আমিন লিটন বলেন, খোলা বাজারে তেল পাওয়া যাচ্ছে, কিন্তু পাম্পে গেলে বলা হয় নেই। মনে হচ্ছে সিন্ডিকেটের খেলা চলছে।

পাম্প সংশ্লিষ্ট আব্বাস আলী বলেন, চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছি না। সকাল ১০টা পর্যন্ত বিক্রি করেছি, এরপর মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় বন্ধ করতে হয়েছে। তেল পেলেই আবার বিক্রি শুরু করব।

রাজশাহী পেট্রোলিয়াম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি মিজানুর রহমান রতন বলেন, ৭২টি পাম্পের মধ্যে ৪০টির বেশি বন্ধ রয়েছে। খোলা পাম্পগুলোতেও তীব্র সংকট চলছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে কৃষি, পরিবহন ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহেও প্রভাব পড়তে পারে। এটি কি শুধুই সরবরাহ ঘাটতির ফল, নাকি এর পেছনে আছে কোনো কৃত্রিম সংকট বা সিন্ডিকেট এ প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে সাধারণ মানুষের মনে। সব মিলিয়ে, জ্বালানি সংকটে বগুড়ার জনজীবন যেন ধীরে ধীরে থমকে যাচ্ছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এই অচলাবস্থা আরও প্রকট হতে পারে এমন আশঙ্কাই করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!