× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ২৮, ২০২৬, ১১:১৪ এএম

বাসের তেল ফুরিয়ে রেললাইনে বসে ছিলেন যাত্রীরা, মুহূর্তেই নিভে গেল একটি পরিবার

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ২৮, ২০২৬, ১১:১৪ এএম

কালিহাতীতে ট্রেন দুর্ঘটনা। ছবি : সংগৃহীত

কালিহাতীতে ট্রেন দুর্ঘটনা। ছবি : সংগৃহীত

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বাসের জ্বালানি তেল ফুরিয়ে যাওয়ায় রেললাইনে বসে অপেক্ষা করার সময় ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় নিহতরা সবাই একই বাসের যাত্রী। তাদের মধ্যে চারজনই একই পরিবারের সদস্য।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাত ৮টার দিকে উপজেলার ধলাটেংগর এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক সংলগ্ন রেললাইনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত পাঁচজনই গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার পূর্ব নিজপাগা গ্রামের বাসিন্দা। তারা হলেন—হামিদুল ইসলামের স্ত্রী নার্গিস (৩৫), তার ছেলে নীরব (১২), নার্গিসের বড় ছেলের শাশুড়ি দোলা (৩৫), একই এলাকার রাইজেল মিয়ার ছেলে সুলতান (৩৩) এবং আবদুর রশিদের মেয়ে রিফা (২৩)। 

বাসের আরেক যাত্রী মায়া জানান, সকাল ১০টায় তারা যাত্রা শুরু করেছিলেন। দীর্ঘ অপেক্ষার ক্লান্তি কাটাতে রেললাইনে বসা যেন তাদের জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী বাসটি শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কালিহাতীর ধলাটেংগর এলাকায় পৌঁছালে জ্বালানি তেল শেষ হয়ে যায়। চালক ও সহকারীরা তেল আনতে গেলে দীর্ঘ সময় বাসটি সেখানেই দাঁড়িয়ে থাকে। বাসের ভেতরে গরমে অতিষ্ঠ হয়ে অনেক যাত্রী নিচে নেমে আশপাশে ঘোরাঘুরি শুরু করেন। 

মহাসড়কের পাশেই সমান্তরালভাবে থাকা রেললাইনের ওপর বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন একটি পরিবারের সদস্যরা। ঠিক সেই সময় ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জগামী ‘সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি এসে পড়ে। ট্রেনের চালক হর্ন দিলেও লাইনে বসে থাকা পাঁচ যাত্রী সময়মতো সরে যেতে পারেননি। মুহূর্তেই ট্রেনের চাকায় পিষ্ট হয়ে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় তাদের দেহ।

টাঙ্গাইল রেলওয়ে স্টেশন ফাঁড়ির এসআই মিজানুর রহমান জানান, বাসটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে মহাসড়কে থেমে ছিল। বাসের যাত্রীরা নিচে নেমে রেললাইনে বসে থাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। রাত ১০টা পর্যন্ত মরদেহগুলো দুর্ঘটনাস্থলেই পড়ে ছিল।

রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন বলেন, ‘রেললাইনে অবস্থান করা ব্রিটিশ আমল থেকেই আইনত নিষিদ্ধ। স্টেশন থেকে দূরে হওয়ায় সেখানে তদারকির সুযোগ ছিল না। অসতর্কতার কারণেই একটি পুরো পরিবার নিভে গেল।’

এর আগে ২১ মার্চ রাতে কুমিল্লায় বাসের সঙ্গে ট্রেনের সংঘর্ষে ১২ জন নিহত হন।

Link copied!