× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ১১:৫৮ এএম

শুক্রবার বন্ধ ফার্মেসি, চিকিৎসা নিতে এসে বিপাকে রোগীরা

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ১১:৫৮ এএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

সাতক্ষীরায় ওষুধ ব্যবসায়ী সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পালাক্রমে বিভিন্ন ফার্মেসি প্রতি শুক্রবার বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে ওষুধ কিনতে আসা রোগীদের। প্রতি শুক্রবার দূর-দূরান্ত থেকে চিকিৎসা নিতে সাতক্ষীরায় ভিড় করেন হাজারো রোগী। অথচ প্রয়োজনের সময় ফার্মেসি বন্ধ থাকায় ওষুধ সংগ্রহে দুর্ভোগে পড়ছেন তারা।

অল্প কয়েকটি ফার্মেসি খোলা থাকায় তীব্র গরমের মধ্যে রোগীদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে বৈষম্যমূলক সেবার অভিযোগ সব মিলিয়ে জেলার স্বাস্থ্যসেবায় নতুন করে সংকট তৈরি হয়েছে।

জানা গেছে, প্রতি শুক্রবার বিভিন্ন ক্লিনিক ও চিকিৎসকদের চেম্বারে রোগী দেখার জন্য ঢাকা, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে শতাধিক চিকিৎসক সাতক্ষীরায় আসেন। একই দিনে জেলার সাতটি উপজেলা থেকে প্রায় দুই হাজারেরও বেশি রোগী শহরে চিকিৎসা নিতে ভিড় জমান।

কিন্তু এই দিনেই সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন রোগীরা। বিসিডিএস সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এক শুক্রবার পপুলার ফার্মেসি, সাতক্ষীরা ড্রাগ ও জিন্না ফার্মেসি বন্ধ থাকে, আর পরের শুক্রবার বন্ধ থাকে সাতক্ষীরা ফার্মেসি, নাহিদ মেডিকেল ও আলী মেডিকেল। ফলে সীমিতসংখ্যক ফার্মেসিতে কয়েকগুণ বেড়ে যায় রোগীদের চাপ।

ফলে সিরিয়াল ধরে ওষুধ কিনতে রোগীদের এক থেকে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, অভিযোগ রয়েছে—যেসব রোগী অল্প পরিমাণ ওষুধ কিনতে চান, তাদের প্রেসক্রিপশন নিতে অনীহা দেখায় কিছু ফার্মেসি। বিপরীতে যারা এক সপ্তাহ, পনেরো দিন বা এক মাসের বেশি সময়ের ওষুধ নেন, তাদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

এ অবস্থায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী রোগী ও সচেতন মহল। তাদের দাবি, জনস্বার্থে প্রতি শুক্রবার সব ফার্মেসি খোলা রাখা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর থেকে আসা রোগী সাধন বিশ্বাস বলেন, ভোরে রওনা হয়ে ডাক্তার দেখানো ও বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করতে করতে সন্ধ্যা হয়ে গেছে। এখন ওষুধ কিনতে এসে দেখছি বিশাল ভিড় কখন ওষুধ পাব, আর কখন বাড়ি ফিরব, সেটাই চিন্তা।

শ্যামনগর উপজেলার গড়কুমারপুর গ্রামের আফজাল শরীফ বলেন, আমার মা দীর্ঘদিন অসুস্থ। চিকিৎসার জন্য প্রায়ই সাতক্ষীরায় আনতে হয়। ভোরে বের হয়ে তিন ঘণ্টার পথ পাড়ি দিয়ে আসি। তারপর ডাক্তার দেখানো, রিপোর্ট—সব মিলিয়ে দিন শেষ। এরপর ওষুধের দোকানে এসে আবার দীর্ঘ অপেক্ষা। অসুস্থ মা কষ্টে ছটফট করছেন, কিন্তু কিছু করার নেই।

এ বিষয়ে বিসিডিএস সাতক্ষীরার ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, কর্মচারীদের নির্দিষ্ট শিফট না থাকায় সারাদিন কাজ করতে গিয়ে তারা ক্লান্ত হয়ে পড়েন। তাদের বিশ্রামের সুযোগ দিতে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যসেবায় কোনো অনৈতিকতা বা বৈষম্যের অভিযোগ উঠলে আমরা গুরুত্বসহকারে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!