মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলার হাসাইল বানারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কোরবানির পশুর অস্থায়ী হাট বসানোকে কেন্দ্র করে আগাম প্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো হাট ইজারা সংক্রান্ত কোনো সিদ্ধান্ত না হলেও স্থানীয়ভাবে ব্যানার-ফেস্টুন ও প্রচার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হওয়ায় এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার হাসাইল বানারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কোরবানির পশুর হাট পরিচালনার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। ওই তালিকায় স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এ জামান অ্যাপোলো, ইউপি চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান দেওয়ানসহ আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ রয়েছে।
এদিকে উপজেলা প্রশাসন বলছে, এখন পর্যন্ত ওই হাটের ইজারা বা অনুমোদনের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সরকারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আগেই কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে হাট পরিচালনার প্রচার চালানো নিয়মবহির্ভূত।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, বিদ্যালয় মাঠে হাট বসানো নিয়ে আগাম প্রচার চালানোয় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ হওয়া উচিত বলেও তারা মত দেন।
অভিযুক্ত হাঁসাইল বানারী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এ জামান অ্যাপোলো বলেন, স্থানীয়দের মনে সন্দেহ ছিল হাট হবে কি না। হাট হবে সেটা নিশ্চিত করার জন্যই এই প্রচার চালানো হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার বলেন, ‘কোরবানির পশুর অস্থায়ী হাট ইজারা সংক্রান্ত বিষয়ে ওই হাঁটে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সরকারি অনুমোদনের আগে প্রচার চালানো অবৈধ। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন