× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

খুলনা ব্যুরো

প্রকাশিত: মে ১৩, ২০২৬, ০৬:২৩ পিএম

খুলনায় যমজ শিশু হত্যার দায়ে মায়ের যাবজ্জীবন

খুলনা ব্যুরো

প্রকাশিত: মে ১৩, ২০২৬, ০৬:২৩ পিএম

আসামি কানিজ ফাতেমা কনাকে আদালতে নেওয়া হয়। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

আসামি কানিজ ফাতেমা কনাকে আদালতে নেওয়া হয়। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

খুলনার তেরখাদা উপজেলায় যমজ শিশু হত্যার দায়ে মা কানিজ ফাতেমা কনাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। 

বুধবার (১৩ মে) দুপুরে খুলনার বিভাগীয় দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মঞ্জুরুল ইমাম এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতের উচ্চমান বেঞ্চ সহকারী মো. মাজাহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

আদালত সূত্রে জানা যায়, আসামি তেরখাদা উপজেলার কুশলা গ্রামের বাসিন্দা শেখ খাইরুজ্জামান ওরফে খায়েরের মেয়ে। ২০১৮ সালে বাগেরহাট জেলার মোল্লাহাট গ্রামের বাসিন্দা মোল্লা আবু বকরের ছেলে মো. মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে তেরখাদা উপজেলার কুশলা গ্রামের খায়েরের মেয়ে কনার বিয়ে হয়। ২০২১ সালের ৭ ডিসেম্বরে মোল্লাহাট লাকি ক্লিনিকে সিজারের মাধ্যমে কনার গর্ভে দুটি যমজ কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। ক্লিনিক থেকে বাবার বাড়িতে চলে আসেন তিনি। কনা তার স্বামীকে প্রায় ফোন করে শ্বশুর বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেন। কিন্তু স্বামী মাসুম জানান, খুব তাড়াতাড়ি বাড়িতে নিয়ে যাব।

২০২২ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে ফোন করে কনা তার ছোট বোনকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানান তার দুই শিশুকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। সংবাদ পেয়ে সে শ্বশুর বাড়িতে চলে আসেন। শ্বশুর বাড়ির পরিবারের সদস্যসহ সবাই একসঙ্গে খুঁজতে থাকেন। ওই দিন ভোর ৬টার দিকে শ্বশুর বাড়ির পারিবারিক পুকুর থেকে যমজ দুই শিশুর মরদেহ ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। 

এ ঘটনায় নিহত যমজ দুই শিশুর বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে তেরখাদা থানায় গত ২০২২ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি স্ত্রী কনাকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তেরখাদা থানার এসআই মো. এনামুল হক একই বছরের ৩১ মার্চ কনাকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

Link copied!