× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

লালমনিরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ১৬, ২০২৬, ০৯:০৬ পিএম

তিস্তায় গোসলে নেমে নিখোঁজ ছোট ভাই, বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল বড় ভাইয়েরও

লালমনিরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ১৬, ২০২৬, ০৯:০৬ পিএম

মারা যাওয়া দুই ভাইকে দেখতে প্রতিবেশীদের ভিড়। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

মারা যাওয়া দুই ভাইকে দেখতে প্রতিবেশীদের ভিড়। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

লালমনিরহাটের তিস্তা নদীতে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে দুই সহোদর ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। চোখের সামনে ছোট ভাইকে তলিয়ে যেতে দেখে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন বড় ভাইও।

​শনিবার (১৬ মে) দুপুরে লালমনিরহাট সদর উপজেলার রাজপুর ইউনিয়ন এলাকায় তিস্তা নদীতে এই হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে।

​নিহত দুই ভাই হলো—রাজপুর গ্রামের রেজাউল করিম ও শিউলি বেগম দম্পতির বড় ছেলে এইচএসসি ১ম বর্ষের ছাত্র শেফাউল করিম সিফাত (১৮) এবং ছোট ছেলে ৮ম শ্রেণির ছাত্র শোয়েব করিম স্বচ্ছ (১৪)। তারা দুজনেই জেলা শহরের ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী ছিল। একই সঙ্গে দুই সন্তানকে হারিয়ে এই দম্পতি এখন সম্পূর্ণ নিঃসন্তান ও বাকরুদ্ধ।

​স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দুপুরে দুই ভাই একসঙ্গে বাড়ির পাশে তিস্তা নদীতে গোসল করতে নামে। গোসলের একপর্যায়ে প্রবল স্রোতের টানে ছোট ভাই স্বচ্ছ নদীর পানিতে তলিয়ে যেতে থাকে। চোখের সামনে ছোট ভাইকে ডুবতে দেখে বড় ভাই সিফাত তাকে টেনে তোলার জন্য তাৎক্ষণিক এগিয়ে যায়। কিন্তু খরস্রোতা তিস্তার তীব্র স্রোতে একপর্যায়ে দুজনই পানির নিচে তলিয়ে গিয়ে নিখোঁজ হয়।

​খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত নদীতে নেমে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় নদী থেকে দুই ভাইকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দুই ভাইকেই মৃত ঘোষণা করেন।

​একই সঙ্গে দুই ছেলের এমন অকাল ও মর্মান্তিক মৃত্যুতে পুরো রাজপুর গ্রামজুড়ে শোকের মাতম চলছে। স্বজনদের আহাজারি আর কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে এলাকার বাতাস। একমাত্র সন্তানদের হারিয়ে পাগলপ্রায় বাবা-মাকে সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা হারিয়েছেন প্রতিবেশীরাও।

​লালমনিরহাট সদর থানার ওসি সাদ আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দুটি হাসপাতাল থেকেই স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

Link copied!